Dhaka ১১:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

দেশে চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে, আসন্ন রমজানে কোনো সংকট হবে না: খাদ্যমন্ত্রী

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৫:৪৫:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৬ বার দেখা হয়েছে

দেশে বর্তমানে জনগণের দৈনন্দিন চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে এবং আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বড় সংকট সৃষ্টি হবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম।

শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রামের প্রধান সমুদ্রবন্দর জেটি ও সাইলো এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অনলাইন সংবাদমাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে এ খবর প্রকাশ করা হয়েছে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “বর্তমানে দেশে খাদ্যের ন্যূনতম কোনো ঘাটতি বা সংকট নেই। আমাদের প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটানোর মতো পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে। সাধারণ মানুষের কাছে সময়মতো নিরাপদ খাদ্য পৌঁছে দেওয়া এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সরকারের অন্যতম শীর্ষ অগ্রাধিকার।” এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে খাদ্য সংরক্ষণাগারগুলোর মজুত ব্যবস্থাপনা এবং সাপ্লাই চেইন বা সরবরাহ ব্যবস্থা আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

আসন্ন রমজান মাসের বাজার পরিস্থিতি ও পণ্যের সরবরাহ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, রমজান মাসকে সামনে রেখে সরকারের আগাম প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা রয়েছে। পর্যাপ্ত খাদ্যমজুত থাকায় এই সময়ে বাজারে পণ্যের জোগান নিয়ে কোনো বড় ধরনের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই। জনগণের ক্রয়ক্ষমতা ও সার্বিক স্বার্থ বিবেচনা করে সুলভ মূল্যে খাদ্যপণ্য সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার সম্পূর্ণ সচেষ্ট রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি বা অন্যান্য কারণে পণ্যের দামের ওপর কিছুটা বৈশ্বিক চাপ সৃষ্টি হতে পারে, তবে তা মোকাবিলায় দেশীয় বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

খাদ্যপণ্য আমদানি ও অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমদানি প্রক্রিয়ায় যেসব ছোটোখাটো জটিলতা রয়েছে, তা দ্রুত নিরসনে সংশ্লিষ্ট বিভাগ কাজ করছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন উৎস থেকে খাদ্য সংগ্রহের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং সরবরাহের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে নিয়মিত অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এ ছাড়া খাদ্য বিভাগের দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জনবলসংকট নিরসনের বিষয়টিও সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে বলে তিনি জানান।

এর আগে চট্টগ্রাম সাইলো ও দেওয়ানহাট সিএসডির গুদাম পরিদর্শনের পাশাপাশি হালিশহর সিএসডির একটি নতুন সম্মেলনকক্ষ উদ্বোধন করেন খাদ্যমন্ত্রী। এই পরিদর্শনের মাধ্যমে বিদ্যমান অবকাঠামোর কার্যকারিতা, খাদ্য সংরক্ষণ সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি। দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত পড়ে থাকা সরকারি স্থাপনাগুলো পুনরায় সচল ও কার্যকর করা গেলে একদিকে যেমন সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে দেশের সার্বিক খাদ্য সংরক্ষণ সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

পরিদর্শনকালে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, খাদ্য বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

দেশে চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে, আসন্ন রমজানে কোনো সংকট হবে না: খাদ্যমন্ত্রী

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৫:৪৫:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

দেশে বর্তমানে জনগণের দৈনন্দিন চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে এবং আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বড় সংকট সৃষ্টি হবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম।

শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রামের প্রধান সমুদ্রবন্দর জেটি ও সাইলো এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অনলাইন সংবাদমাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে এ খবর প্রকাশ করা হয়েছে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “বর্তমানে দেশে খাদ্যের ন্যূনতম কোনো ঘাটতি বা সংকট নেই। আমাদের প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটানোর মতো পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে। সাধারণ মানুষের কাছে সময়মতো নিরাপদ খাদ্য পৌঁছে দেওয়া এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সরকারের অন্যতম শীর্ষ অগ্রাধিকার।” এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে খাদ্য সংরক্ষণাগারগুলোর মজুত ব্যবস্থাপনা এবং সাপ্লাই চেইন বা সরবরাহ ব্যবস্থা আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

আসন্ন রমজান মাসের বাজার পরিস্থিতি ও পণ্যের সরবরাহ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, রমজান মাসকে সামনে রেখে সরকারের আগাম প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা রয়েছে। পর্যাপ্ত খাদ্যমজুত থাকায় এই সময়ে বাজারে পণ্যের জোগান নিয়ে কোনো বড় ধরনের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই। জনগণের ক্রয়ক্ষমতা ও সার্বিক স্বার্থ বিবেচনা করে সুলভ মূল্যে খাদ্যপণ্য সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার সম্পূর্ণ সচেষ্ট রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি বা অন্যান্য কারণে পণ্যের দামের ওপর কিছুটা বৈশ্বিক চাপ সৃষ্টি হতে পারে, তবে তা মোকাবিলায় দেশীয় বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

খাদ্যপণ্য আমদানি ও অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমদানি প্রক্রিয়ায় যেসব ছোটোখাটো জটিলতা রয়েছে, তা দ্রুত নিরসনে সংশ্লিষ্ট বিভাগ কাজ করছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন উৎস থেকে খাদ্য সংগ্রহের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং সরবরাহের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে নিয়মিত অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এ ছাড়া খাদ্য বিভাগের দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জনবলসংকট নিরসনের বিষয়টিও সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে বলে তিনি জানান।

এর আগে চট্টগ্রাম সাইলো ও দেওয়ানহাট সিএসডির গুদাম পরিদর্শনের পাশাপাশি হালিশহর সিএসডির একটি নতুন সম্মেলনকক্ষ উদ্বোধন করেন খাদ্যমন্ত্রী। এই পরিদর্শনের মাধ্যমে বিদ্যমান অবকাঠামোর কার্যকারিতা, খাদ্য সংরক্ষণ সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি। দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত পড়ে থাকা সরকারি স্থাপনাগুলো পুনরায় সচল ও কার্যকর করা গেলে একদিকে যেমন সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে দেশের সার্বিক খাদ্য সংরক্ষণ সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

পরিদর্শনকালে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, খাদ্য বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।