Dhaka ১১:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

তিন বছরের সংঘাতে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে গাজার ঐতিহাসিক জনপদ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:২৭:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২ বার দেখা হয়েছে

ইসরাইলি বাহিনীর টানা তিন বছরের হামলায় ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার চেনা পরিচিত জনপদগুলো আজ ধ্বংসস্তূপে রূপ নিয়েছে। একসময়ের প্রাণোচ্ছল সড়ক, জনবহুল বাজার এবং সাধারণ মানুষের চলাচলের স্থানগুলোতে এখন কেবলই ধুলিস্নাত ভবনের সারি। উপকূলীয় এই জনপদে মানুষের আশ্রয়ের জন্য গড়ে উঠেছে অজস্র তাঁবু। সংঘাতের বলি হয়েছে অসংখ্য মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থাপনা ও ক্রীড়াঙ্গন।

ফিলিস্তিনের কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই হামলায় গাজার ৮০ শতাংশের বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। এর ফলে পুরো অঞ্চলটি বড় ধরনের মানবিক ও কাঠামোগত বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।

জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেসকোর হিসাব অনুযায়ী, গাজার ১৬৪টি সাংস্কৃতিক স্থাপনা ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন বহু ভবন, ধর্মীয় স্থাপনা, স্মৃতিস্তম্ভ, প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান এবং জাদুঘর। গাজার প্রাচীনতম গ্রেট ওমারি মসজিদ, মামলুক আমলের প্রাসাদ কাসর আল-বাশা এবং সেন্ট পোরফিরিয়াস গির্জা কমপ্লেক্সের মতো বহু প্রাচীন ঐতিহ্য আজ ধ্বংসের মুখে।

দীর্ঘমেয়াদি এই বোমাবর্ষণ শুধু অবকাঠামোই ধ্বংস করেনি, বরং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে গড়ে ওঠা একটি জাতির ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং তাদের দৈনন্দিন জনজীবনের পরিচিত চিত্রগুলোকেও চিরতরে বদলে দিয়েছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

তিন বছরের সংঘাতে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে গাজার ঐতিহাসিক জনপদ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:২৭:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

ইসরাইলি বাহিনীর টানা তিন বছরের হামলায় ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার চেনা পরিচিত জনপদগুলো আজ ধ্বংসস্তূপে রূপ নিয়েছে। একসময়ের প্রাণোচ্ছল সড়ক, জনবহুল বাজার এবং সাধারণ মানুষের চলাচলের স্থানগুলোতে এখন কেবলই ধুলিস্নাত ভবনের সারি। উপকূলীয় এই জনপদে মানুষের আশ্রয়ের জন্য গড়ে উঠেছে অজস্র তাঁবু। সংঘাতের বলি হয়েছে অসংখ্য মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থাপনা ও ক্রীড়াঙ্গন।

ফিলিস্তিনের কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই হামলায় গাজার ৮০ শতাংশের বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। এর ফলে পুরো অঞ্চলটি বড় ধরনের মানবিক ও কাঠামোগত বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।

জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেসকোর হিসাব অনুযায়ী, গাজার ১৬৪টি সাংস্কৃতিক স্থাপনা ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন বহু ভবন, ধর্মীয় স্থাপনা, স্মৃতিস্তম্ভ, প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান এবং জাদুঘর। গাজার প্রাচীনতম গ্রেট ওমারি মসজিদ, মামলুক আমলের প্রাসাদ কাসর আল-বাশা এবং সেন্ট পোরফিরিয়াস গির্জা কমপ্লেক্সের মতো বহু প্রাচীন ঐতিহ্য আজ ধ্বংসের মুখে।

দীর্ঘমেয়াদি এই বোমাবর্ষণ শুধু অবকাঠামোই ধ্বংস করেনি, বরং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে গড়ে ওঠা একটি জাতির ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং তাদের দৈনন্দিন জনজীবনের পরিচিত চিত্রগুলোকেও চিরতরে বদলে দিয়েছে।