Dhaka ০৬:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

রাজধানী ও আশপাশে চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব রোধে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:২২:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৭ বার দেখা হয়েছে

রাজধানী ও এর আশেপাশের এলাকায় চাঁদাবাজি, জমি দখল এবং নির্মাণাধীন ভবনে হামলার ঘটনা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় জনমনে তীব্র উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি ঢাকার কেরানীগঞ্জে একটি আবাসন প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও মালামাল লুটের গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী প্রতিষ্ঠানের দাবি, হামলাকারীরা তাদের কাছে ৪০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিল। একই সঙ্গে মিরপুরের রূপনগরেও চাঁদার দাবিতে একাধিক নির্মাণাধীন ভবনের কাজ বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে। এসব ঘটনার পেছনে স্থানীয় রাজনৈতিক কিছু নেতার ইন্ধন রয়েছে বলে অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগীরা, পাশাপাশি পুলিশের ভূমিকা নিয়েও নিষ্ক্রিয়তার প্রশ্ন তুলেছেন তারা। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কেরানীগঞ্জের আরশিনগর এলাকায় আফসানা হাউজিংয়ের কার্যালয়ে গত রোববার সকালে এই হামলার ঘটনা ঘটে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, প্রায় ৩০ জন যুবক দেশি অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে কার্যালয়ে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায়। এ সময় তারা আসবাবপত্র, এসি ও টেলিভিশনসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী ট্রাকে করে তুলে নিয়ে যায়। প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক জানান, চাঁদা না দেওয়ায় প্রায় এক কোটি টাকার মালামাল লুট করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ভাড়াটে সন্ত্রাসী ও স্থানীয় একটি দল এর সঙ্গে জড়িত থাকায় কর্মীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

অন্যদিকে মিরপুরের রূপনগর ও সংলগ্ন এলাকায় ভবন নির্মাণকে কেন্দ্র করে চাঁদা আদায়ের নানামুখী তৎপরতা চলছে। প্লটমালিকদের ভাষ্যমতে, চাঁদা পরিশোধ না করলে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়া, শ্রমিকদের ওপর হামলা এবং নানাভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। এছাড়া এলাকার একটি পরিচিত স্টুডিও এবং বেসরকারি ক্লিনিকেও হামলার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, এসব অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে স্থানীয় বিএনপির কিছু বিপথগামী নেতাকর্মীর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানী ও আশপাশে চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব রোধে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:২২:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানী ও এর আশেপাশের এলাকায় চাঁদাবাজি, জমি দখল এবং নির্মাণাধীন ভবনে হামলার ঘটনা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় জনমনে তীব্র উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি ঢাকার কেরানীগঞ্জে একটি আবাসন প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও মালামাল লুটের গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী প্রতিষ্ঠানের দাবি, হামলাকারীরা তাদের কাছে ৪০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিল। একই সঙ্গে মিরপুরের রূপনগরেও চাঁদার দাবিতে একাধিক নির্মাণাধীন ভবনের কাজ বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে। এসব ঘটনার পেছনে স্থানীয় রাজনৈতিক কিছু নেতার ইন্ধন রয়েছে বলে অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগীরা, পাশাপাশি পুলিশের ভূমিকা নিয়েও নিষ্ক্রিয়তার প্রশ্ন তুলেছেন তারা। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কেরানীগঞ্জের আরশিনগর এলাকায় আফসানা হাউজিংয়ের কার্যালয়ে গত রোববার সকালে এই হামলার ঘটনা ঘটে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, প্রায় ৩০ জন যুবক দেশি অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে কার্যালয়ে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায়। এ সময় তারা আসবাবপত্র, এসি ও টেলিভিশনসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী ট্রাকে করে তুলে নিয়ে যায়। প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক জানান, চাঁদা না দেওয়ায় প্রায় এক কোটি টাকার মালামাল লুট করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ভাড়াটে সন্ত্রাসী ও স্থানীয় একটি দল এর সঙ্গে জড়িত থাকায় কর্মীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

অন্যদিকে মিরপুরের রূপনগর ও সংলগ্ন এলাকায় ভবন নির্মাণকে কেন্দ্র করে চাঁদা আদায়ের নানামুখী তৎপরতা চলছে। প্লটমালিকদের ভাষ্যমতে, চাঁদা পরিশোধ না করলে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়া, শ্রমিকদের ওপর হামলা এবং নানাভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। এছাড়া এলাকার একটি পরিচিত স্টুডিও এবং বেসরকারি ক্লিনিকেও হামলার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, এসব অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে স্থানীয় বিএনপির কিছু বিপথগামী নেতাকর্মীর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।