Dhaka ১২:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

বর্তমান সরকারের আমলেই শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয়করণ হতে পারে

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:৩৪:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৭ বার দেখা হয়েছে

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত জাতীয়করণের দাবিটি বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলেই বাস্তবায়িত হতে পারে বলে গভীর আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে উল্লেখ করেছেন যে, আজ হোক কিংবা কাল, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয়করণের বিষয়টি নিশ্চিতভাবেই বাস্তবায়িত হবে।

গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর ২০২৬) সকালে রাজধানী ঢাকার রমনায় অবস্থিত ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশেষ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই সুনির্দিষ্ট মন্তব্য করেন। দীর্ঘকাল ধরে দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে জোরালো আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। শিক্ষকদের সেই যৌক্তিক দাবির সঙ্গে পূর্ণ একাত্মতা প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন যে, শিক্ষকদের সামগ্রিক পদমর্যাদা, মর্যাদা এবং জীবনমান উন্নয়নের স্বার্থেই তিনি এই দাবির সঙ্গে সর্বান্তকরণে একমত পোষণ করছেন।

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে বর্তমান সরকারের গৃহীত বিভিন্ন প্রশংসনীয় পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে তিনি জানান যে, বাংলাদেশের বর্ণাঢ্য ইতিহাসে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা, পেনশন এবং সামাজিক মান-মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই বর্তমান সরকারের আমলেও শিক্ষক-কর্মচারীদের বহুমুখী দাবি এবং বিশেষ করে জাতীয়করণের বিষয়টি বাস্তবায়িত হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমান সরকারের বয়স মাত্র সাত মাস উল্লেখ করে তিনি বলেন যে, দীর্ঘ ও রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের পর একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকেই সরকার দেশের ভেঙে পড়া শিক্ষা খাতকে পুনরুজ্জীবিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, বর্তমানের বিদ্যমান অর্থনৈতিক নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে অবসরে যাওয়া প্রায় এক লাখ শিক্ষক-শিক্ষিকার বকেয়া ও বর্তমান ভাতা দ্রুত পরিশোধ করার জন্য ইতিমধ্যেই দুই হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ তহবিল গঠন করা হয়েছে।

শিক্ষকদের জাতীয়করণের দাবির আর্থিক দিকটি তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী জানান যে, এই দাবি বাস্তবায়নের জন্য বার্ষিক অতিরিক্ত প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ কোটি টাকার প্রয়োজন হতে পারে। এই বিষয়ে তিনি শিক্ষক সমাজকে পরামর্শ দিয়ে বলেন যে, তারা যেন বড় পরিসরে একটি সুশৃঙ্খল জাতীয় মহাসমাবেশ আয়োজন করে অত্যন্ত মানবিক ও গণতান্ত্রিক উপায়ে সরাসরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাদের এই যৌক্তিক দাবিটি অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরেন। এছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তুলতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের এক যুগান্তকারী উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন যে, দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাদে ৫ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ বা সোলার প্যানেল স্থাপনের জন্য সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব দৈনন্দিন বিদ্যুৎ চাহিদা খুব সহজেই পূরণ করা সম্ভব হবে এবং ছুটির দিন কিংবা অতিরিক্ত সময়ে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে বিক্রি করে প্রতিটি প্রতিষ্ঠান প্রতি মাসে অতিরিক্ত ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবে।

সম্মেলনে শিক্ষকদের সামাজিক ও পেশাগত মর্যাদার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে স্মরণ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন যে, শিক্ষক এমন একটি মহৎ পেশা, যাঁর হাত ধরেই সমাজের অন্যান্য সকল পেশার যোগ্য মানুষ তৈরি হয়। সমাজের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে শিক্ষকদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করতে পারে এমন যেকোনো ধরনের ভিত্তিহীন অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সমগ্র জাতিকে একযোগে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। এর পাশাপাশি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার বিষয়ে অত্যন্ত স্পষ্ট ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন যে, যতদিন পর্যন্ত দেশের সকল বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুরোপুরি জাতীয়করণ না হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা বা অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আইনি বা নীতিগত বাধা নেই।

উক্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জমকালো সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সম্মানিত উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর। এছাড়া সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সংসদ সদস্য ও প্রবীণ শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া, শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের সম্মানিত মহাসচিব চৌধুরী মুগীস উদ্দিন মাহমুদ এবং বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির মহাসচিব মো. জাকির হোসেনসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত হাজারো শিক্ষক-কর্মচারী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

বর্তমান সরকারের আমলেই শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয়করণ হতে পারে

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:৩৪:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত জাতীয়করণের দাবিটি বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলেই বাস্তবায়িত হতে পারে বলে গভীর আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে উল্লেখ করেছেন যে, আজ হোক কিংবা কাল, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয়করণের বিষয়টি নিশ্চিতভাবেই বাস্তবায়িত হবে।

গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর ২০২৬) সকালে রাজধানী ঢাকার রমনায় অবস্থিত ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশেষ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই সুনির্দিষ্ট মন্তব্য করেন। দীর্ঘকাল ধরে দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে জোরালো আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। শিক্ষকদের সেই যৌক্তিক দাবির সঙ্গে পূর্ণ একাত্মতা প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন যে, শিক্ষকদের সামগ্রিক পদমর্যাদা, মর্যাদা এবং জীবনমান উন্নয়নের স্বার্থেই তিনি এই দাবির সঙ্গে সর্বান্তকরণে একমত পোষণ করছেন।

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে বর্তমান সরকারের গৃহীত বিভিন্ন প্রশংসনীয় পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে তিনি জানান যে, বাংলাদেশের বর্ণাঢ্য ইতিহাসে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা, পেনশন এবং সামাজিক মান-মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই বর্তমান সরকারের আমলেও শিক্ষক-কর্মচারীদের বহুমুখী দাবি এবং বিশেষ করে জাতীয়করণের বিষয়টি বাস্তবায়িত হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমান সরকারের বয়স মাত্র সাত মাস উল্লেখ করে তিনি বলেন যে, দীর্ঘ ও রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের পর একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকেই সরকার দেশের ভেঙে পড়া শিক্ষা খাতকে পুনরুজ্জীবিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, বর্তমানের বিদ্যমান অর্থনৈতিক নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে অবসরে যাওয়া প্রায় এক লাখ শিক্ষক-শিক্ষিকার বকেয়া ও বর্তমান ভাতা দ্রুত পরিশোধ করার জন্য ইতিমধ্যেই দুই হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ তহবিল গঠন করা হয়েছে।

শিক্ষকদের জাতীয়করণের দাবির আর্থিক দিকটি তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী জানান যে, এই দাবি বাস্তবায়নের জন্য বার্ষিক অতিরিক্ত প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ কোটি টাকার প্রয়োজন হতে পারে। এই বিষয়ে তিনি শিক্ষক সমাজকে পরামর্শ দিয়ে বলেন যে, তারা যেন বড় পরিসরে একটি সুশৃঙ্খল জাতীয় মহাসমাবেশ আয়োজন করে অত্যন্ত মানবিক ও গণতান্ত্রিক উপায়ে সরাসরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাদের এই যৌক্তিক দাবিটি অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরেন। এছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তুলতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের এক যুগান্তকারী উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন যে, দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাদে ৫ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ বা সোলার প্যানেল স্থাপনের জন্য সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব দৈনন্দিন বিদ্যুৎ চাহিদা খুব সহজেই পূরণ করা সম্ভব হবে এবং ছুটির দিন কিংবা অতিরিক্ত সময়ে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে বিক্রি করে প্রতিটি প্রতিষ্ঠান প্রতি মাসে অতিরিক্ত ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবে।

সম্মেলনে শিক্ষকদের সামাজিক ও পেশাগত মর্যাদার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে স্মরণ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন যে, শিক্ষক এমন একটি মহৎ পেশা, যাঁর হাত ধরেই সমাজের অন্যান্য সকল পেশার যোগ্য মানুষ তৈরি হয়। সমাজের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে শিক্ষকদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করতে পারে এমন যেকোনো ধরনের ভিত্তিহীন অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সমগ্র জাতিকে একযোগে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। এর পাশাপাশি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার বিষয়ে অত্যন্ত স্পষ্ট ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন যে, যতদিন পর্যন্ত দেশের সকল বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুরোপুরি জাতীয়করণ না হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা বা অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আইনি বা নীতিগত বাধা নেই।

উক্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জমকালো সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সম্মানিত উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর। এছাড়া সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সংসদ সদস্য ও প্রবীণ শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া, শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের সম্মানিত মহাসচিব চৌধুরী মুগীস উদ্দিন মাহমুদ এবং বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির মহাসচিব মো. জাকির হোসেনসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত হাজারো শিক্ষক-কর্মচারী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।