২০২৭ সালের পবিত্র হজের প্রাথমিক নিবন্ধন আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও অনুমোদিত হজ এজেন্সিগুলোকে কঠোর নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাফ জানিয়ে দিয়েছে, বেঁধে দেওয়া এই সময়সীমার পর নিবন্ধনের মেয়াদ আর কোনোভাবেই বাড়ানো সম্ভব হবে না। গত বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য এ সংক্রান্ত একটি জরুরি নির্দেশনামূলক সার্কুলার জারি করা হয়।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তির বরাত দিয়ে সার্কুলারে জানানো হয়, সৌদি সরকারের নির্ধারিত ক্যালেন্ডার অনুযায়ী গত ২৭ জুলাই থেকে বাংলাদেশে হজের নিবন্ধন শুরু হয়েছে। ২০২৭ সালের হজের জন্য বাংলাদেশের অনুকূলে সর্বমোট ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা বরাদ্দ থাকলেও এ পর্যন্ত মাত্র ১৬ হাজার ২৮১ জন গমনেচ্ছু ব্যক্তি তাঁদের নিবন্ধন সম্পন্ন করতে পেরেছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ২ হাজার ৩১১ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৩ হাজার ৯৭০ জন হজযাত্রী নিবন্ধিত হয়েছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক নিবন্ধনের সময়সীমা শেষ হওয়ার পরপরই চূড়ান্ত হজযাত্রীদের তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে। চূড়ান্ত এই সংখ্যার ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে সৌদি আরবে প্রয়োজনীয় অর্থ প্রেরণ, হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, টিকাদান, ভিসার আবেদন ও প্রশিক্ষণসহ হজ ব্যবস্থাপনার অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় কার্যক্রম সম্পাদন করা হবে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতে গমনেচ্ছু ব্যক্তি, হজ এজেন্সি এবং ব্যাংকগুলোকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের তাগিদ দিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। হজ নিবন্ধন সম্পর্কিত বিশদ ও যেকোনো প্রামাণ্য তথ্যের জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

























