Dhaka ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ছাড়াই ৩৫টি উড়োজাহাজ কিনছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:২৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ২১ বার দেখা হয়েছে

কোনো অর্থনৈতিক সমীক্ষা ছাড়াই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের জন্য নতুন উড়োজাহাজ কেনার তোড়জোড় শুরু হয়েছে। এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, বিমানকে একটি দক্ষ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে না পারলে বিপুল পরিমাণ উড়োজাহাজ কেনার এই সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় এই সংস্থার জন্য বড় বোঝা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে বিমান কর্তৃপক্ষের দাবি, যাত্রী চাহিদার ওপর ভিত্তি করেই এগুলো কেনা হচ্ছে।

বর্তমানে বিমানের বহরে ১৯টি উড়োজাহাজ রয়েছে। এর সঙ্গে আগামী ৩ থেকে ১০ বছরের মধ্যে আরও ৩৫টি উড়োজাহাজ যুক্ত হতে যাচ্ছে, যার মধ্যে ২৫টি মার্কিন বোয়িং এবং ১০টি ইউরোপীয় এয়ারবাস কোম্পানির। ইতিমধ্যে বোয়িং ও এয়ারবাসের সঙ্গে এ সংক্রান্ত চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। একসঙ্গে এত উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তকে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

এভিয়েশন বিশেষজ্ঞদের মতে, একসঙ্গে এত উড়োজাহাজ কেনার পূর্বপরিকল্পনা বা কোনো সম্ভাব্যতা যাচাই বিমান করেনি। বোয়িংয়ের এক প্রতিবেদনেও বিমানের কারিগরি ত্রুটি ও রক্ষণাবেক্ষণ সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানের উড়োজাহাজগুলোতে বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে অনেক বেশি কারিগরি ত্রুটি দেখা যায় এবং মেরামতেও দীর্ঘ সময় লাগে।

বিশাল এই বহর পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় পাইলট ও কেবিন ক্রুর তীব্র সংকট রয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। বর্তমানে ২১৮ জন পাইলট ও ৬০০ কেবিন ক্রু দিয়ে কার্যক্রম চললেও নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হলে ৭০০ থেকে ৮৫০ জন পাইলটের প্রয়োজন হবে। এ ছাড়া পার্কিং, রক্ষণাবেক্ষণ ও গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের চাপ সামলানোর মতো পর্যাপ্ত অবকাঠামোও নেই।

তবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ-উর রহমান জানিয়েছেন, বিমানের চাহিদার ভিত্তিতে এবং দীর্ঘমেয়াদি পেমেন্ট প্রক্রিয়ায় এগুলো কেনা হচ্ছে, যা জাতীয় বাজেটে সরাসরি চাপ ফেলবে না। অন্যদিকে, বোয়িং কেনার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও সরকারি অর্থ ব্যয়ের যৌক্তিকতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ছাড়াই ৩৫টি উড়োজাহাজ কিনছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:২৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

কোনো অর্থনৈতিক সমীক্ষা ছাড়াই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের জন্য নতুন উড়োজাহাজ কেনার তোড়জোড় শুরু হয়েছে। এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, বিমানকে একটি দক্ষ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে না পারলে বিপুল পরিমাণ উড়োজাহাজ কেনার এই সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় এই সংস্থার জন্য বড় বোঝা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে বিমান কর্তৃপক্ষের দাবি, যাত্রী চাহিদার ওপর ভিত্তি করেই এগুলো কেনা হচ্ছে।

বর্তমানে বিমানের বহরে ১৯টি উড়োজাহাজ রয়েছে। এর সঙ্গে আগামী ৩ থেকে ১০ বছরের মধ্যে আরও ৩৫টি উড়োজাহাজ যুক্ত হতে যাচ্ছে, যার মধ্যে ২৫টি মার্কিন বোয়িং এবং ১০টি ইউরোপীয় এয়ারবাস কোম্পানির। ইতিমধ্যে বোয়িং ও এয়ারবাসের সঙ্গে এ সংক্রান্ত চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। একসঙ্গে এত উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তকে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

এভিয়েশন বিশেষজ্ঞদের মতে, একসঙ্গে এত উড়োজাহাজ কেনার পূর্বপরিকল্পনা বা কোনো সম্ভাব্যতা যাচাই বিমান করেনি। বোয়িংয়ের এক প্রতিবেদনেও বিমানের কারিগরি ত্রুটি ও রক্ষণাবেক্ষণ সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানের উড়োজাহাজগুলোতে বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে অনেক বেশি কারিগরি ত্রুটি দেখা যায় এবং মেরামতেও দীর্ঘ সময় লাগে।

বিশাল এই বহর পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় পাইলট ও কেবিন ক্রুর তীব্র সংকট রয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। বর্তমানে ২১৮ জন পাইলট ও ৬০০ কেবিন ক্রু দিয়ে কার্যক্রম চললেও নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হলে ৭০০ থেকে ৮৫০ জন পাইলটের প্রয়োজন হবে। এ ছাড়া পার্কিং, রক্ষণাবেক্ষণ ও গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের চাপ সামলানোর মতো পর্যাপ্ত অবকাঠামোও নেই।

তবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ-উর রহমান জানিয়েছেন, বিমানের চাহিদার ভিত্তিতে এবং দীর্ঘমেয়াদি পেমেন্ট প্রক্রিয়ায় এগুলো কেনা হচ্ছে, যা জাতীয় বাজেটে সরাসরি চাপ ফেলবে না। অন্যদিকে, বোয়িং কেনার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও সরকারি অর্থ ব্যয়ের যৌক্তিকতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন।