Dhaka ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

কুষ্টিয়ায় পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনায় বিএনপির কোনো সংশ্লিষ্টতা নেইঃ রাশেদ খাঁন

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১২:৪৭:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৬ বার দেখা হয়েছে

কুষ্টিয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর সাম্প্রতিক হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের অনভিপ্রেত ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির ন্যূনতম কোনো সম্পৃক্ততা বা সংশ্লিষ্টতা নেই বলে অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। গত রবিবার গভীর রাতে নিজের ভেরিফায়ার্ড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি বিস্তারিত ও দীর্ঘ পোস্টের মাধ্যমে তিনি এই ব্যাখ্যা প্রদান করেন। তার ভাষ্যমতে, মূলত কুষ্টিয়ার ঐতিহাসিক বাউল সম্রাট লালন শাহের মাজারে অবস্থানরত সাধারণ ভক্ত ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে এনসিপির নেতাকর্মীদের অনাকাঙ্ক্ষিত বাকবিতণ্ডার সূত্র ধরেই এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতির উদ্ভব হয়। মাজার প্রাঙ্গণ থেকে ফেরার পথে গাড়ি ভাঙচুরের যে অভিযোগ উঠেছে, তার সঙ্গে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি কিংবা এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের দূরতম কোনো সম্পর্কও নেই।

পোস্টে ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী জানান যে, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গত বেশ কিছুদিন ধরে কুষ্টিয়া জেলায় অবস্থান করে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছিলেন। এই পুরো সময়জুড়ে স্থানীয় বিএনপি বা এর সহযোগী সংগঠনের কোনো নেতাকর্মী তাঁর সঙ্গে কোনো ধরনের বিরোধ বা ঝামেলায় জড়ায়নি। ঘটনার রাতে তিনি এনসিপির অন্যান্য নেতাকর্মীদের সঙ্গে বাউল সম্রাট লালন শাহের মাজার পরিদর্শনে যান। সেখানে উপস্থিত লোকজনের সঙ্গে সময় কাটিয়ে ফেরার পথেই কিছু ব্যক্তির সঙ্গে এনসিপি কর্মীদের কথা কাটাকাটি শুরু হয়, যা পরবর্তীতে হাতাহাতি ও গাড়ি ভাঙচুরের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত রূপ নেয়। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই ঘটনা নিয়ে নানা আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় ওঠার প্রেক্ষাপটে সরকারের পক্ষ থেকে এই আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা এল।

এই পুরো ঘটনা সম্পর্কে অবহতে হওয়ার পরপরই তিনি কুষ্টিয়ার স্থানীয় প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এবং জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন বলে জানান রাশেদ খাঁন। অত্যন্ত বিস্ময় প্রকাশ করে তিনি প্রশ্ন রাখেন যে, একজন জাতীয় পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতা হিসেবে কোনো ধরনের পূর্বানুমতি না নিয়ে কিংবা প্রশাসনকে আগাম না জানিয়ে এভাবে হঠাৎ যত্রতত্র ঘোরাফেরা করা কতটা যুক্তিসংগত? তিনি স্পষ্ট করেন যে, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী যে রাতে লালন শাহের মাজারে গিয়েছিলেন, সে বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে কোনো ধরনের পূর্ববার্তা বা তথ্য ছিল না। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন যে, অপ্রীতিকর ঘটনার সংবাদ পাওয়া মাত্রই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। তবে ঝিনাইদহের পূর্ববর্তী একটি ঘটনার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন যে, সে সময় সামান্য একটি ঘটনায় তিনি সঙ্গে সঙ্গে থানায় চলে গেলেও কুষ্টিয়ার এই ঘটনায় কেন তিনি পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে অত দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করলেন? পুলিশি নিরাপত্তার মাঝেই গাড়ি পরিবর্তন করে দ্রুত স্থান ত্যাগের বিষয়টি একধরনের রহস্য ও সন্দেহের জন্ম দিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

কুষ্টিয়ায় পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনায় বিএনপির কোনো সংশ্লিষ্টতা নেইঃ রাশেদ খাঁন

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১২:৪৭:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

কুষ্টিয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর সাম্প্রতিক হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের অনভিপ্রেত ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির ন্যূনতম কোনো সম্পৃক্ততা বা সংশ্লিষ্টতা নেই বলে অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। গত রবিবার গভীর রাতে নিজের ভেরিফায়ার্ড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি বিস্তারিত ও দীর্ঘ পোস্টের মাধ্যমে তিনি এই ব্যাখ্যা প্রদান করেন। তার ভাষ্যমতে, মূলত কুষ্টিয়ার ঐতিহাসিক বাউল সম্রাট লালন শাহের মাজারে অবস্থানরত সাধারণ ভক্ত ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে এনসিপির নেতাকর্মীদের অনাকাঙ্ক্ষিত বাকবিতণ্ডার সূত্র ধরেই এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতির উদ্ভব হয়। মাজার প্রাঙ্গণ থেকে ফেরার পথে গাড়ি ভাঙচুরের যে অভিযোগ উঠেছে, তার সঙ্গে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি কিংবা এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের দূরতম কোনো সম্পর্কও নেই।

পোস্টে ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী জানান যে, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গত বেশ কিছুদিন ধরে কুষ্টিয়া জেলায় অবস্থান করে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছিলেন। এই পুরো সময়জুড়ে স্থানীয় বিএনপি বা এর সহযোগী সংগঠনের কোনো নেতাকর্মী তাঁর সঙ্গে কোনো ধরনের বিরোধ বা ঝামেলায় জড়ায়নি। ঘটনার রাতে তিনি এনসিপির অন্যান্য নেতাকর্মীদের সঙ্গে বাউল সম্রাট লালন শাহের মাজার পরিদর্শনে যান। সেখানে উপস্থিত লোকজনের সঙ্গে সময় কাটিয়ে ফেরার পথেই কিছু ব্যক্তির সঙ্গে এনসিপি কর্মীদের কথা কাটাকাটি শুরু হয়, যা পরবর্তীতে হাতাহাতি ও গাড়ি ভাঙচুরের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত রূপ নেয়। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই ঘটনা নিয়ে নানা আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় ওঠার প্রেক্ষাপটে সরকারের পক্ষ থেকে এই আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা এল।

এই পুরো ঘটনা সম্পর্কে অবহতে হওয়ার পরপরই তিনি কুষ্টিয়ার স্থানীয় প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এবং জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন বলে জানান রাশেদ খাঁন। অত্যন্ত বিস্ময় প্রকাশ করে তিনি প্রশ্ন রাখেন যে, একজন জাতীয় পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতা হিসেবে কোনো ধরনের পূর্বানুমতি না নিয়ে কিংবা প্রশাসনকে আগাম না জানিয়ে এভাবে হঠাৎ যত্রতত্র ঘোরাফেরা করা কতটা যুক্তিসংগত? তিনি স্পষ্ট করেন যে, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী যে রাতে লালন শাহের মাজারে গিয়েছিলেন, সে বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে কোনো ধরনের পূর্ববার্তা বা তথ্য ছিল না। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন যে, অপ্রীতিকর ঘটনার সংবাদ পাওয়া মাত্রই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। তবে ঝিনাইদহের পূর্ববর্তী একটি ঘটনার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন যে, সে সময় সামান্য একটি ঘটনায় তিনি সঙ্গে সঙ্গে থানায় চলে গেলেও কুষ্টিয়ার এই ঘটনায় কেন তিনি পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে অত দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করলেন? পুলিশি নিরাপত্তার মাঝেই গাড়ি পরিবর্তন করে দ্রুত স্থান ত্যাগের বিষয়টি একধরনের রহস্য ও সন্দেহের জন্ম দিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।