Dhaka ০১:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

উপকূলীয় চৌদ্দ জেলার সুরক্ষায় সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্প

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:৪২:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০ বার দেখা হয়েছে

দেশের উপকূলীয় এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ জনপদকে জলোচ্ছ্বাস, বন্যা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব থেকে রক্ষার্থে সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকার একটি বিশাল আর্থিক প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। আগামী অর্থবছর থেকে বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহযোগিতায় পাঁচ বছর মেয়াদি এই জনকল্যাণমুখী প্রকল্পটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা হবে।

এসংক্রান্ত বিষয়ে গত রোববার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এবং বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান অঞ্চলের বিভাগীয় পরিচালক জ্যঁ পেসমের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল এই বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে ‘বাংলাদেশ স্ট্র্যাটেজিক ফ্লাড রেজিলিয়েন্স প্রোগ্রাম (ফ্লাড এমপিএ)’ এবং ‘কোস্টাল রেজিলিয়েন্স প্রজেক্ট’-এর আওতায় প্রস্তাবিত বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়।

বৈঠকে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান জানান যে, দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের সাধারণ মানুষের সামগ্রিক নিরাপত্তা বিধান এবং তাদের টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই প্রকল্পটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখবে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও নিরাপদ ও উন্নত করা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার, আর এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সম্মিলিতভাবে কাজ করা হচ্ছে।

প্রকল্পের রূপরেখা অনুযায়ী, উপকূলের ১৪টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ জেলার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং যেকোনো ধরনের দুর্যোগঝুঁকি হ্রাসে সুনির্দিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা, সামাজিক নিরাপত্তার পরিধি বাড়ানো এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়েও বৈঠকে বিশদ আলোচনা হয়েছে।

উপকূলীয় জনপদে তীব্র লবণাক্ততার সমস্যা মোকাবিলা করতে সুপেয় পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে পানি শোধন ব্যবস্থা উন্নত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর অতিরিক্ত চাপ কমিয়ে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর প্রকল্পে বিশেষ জোর দেওয়া হবে। তাছাড়া বন্যা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বড় ধরনের ধাক্কা সামলানোর জন্য দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক ও জনগত সক্ষমতা গড়ে তোলার লক্ষ্যও নির্ধারণ করা হয়েছে।

উক্ত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক শিবির বিচিত্র বড়ুয়াসহ মন্ত্রণালয় এবং বিশ্বব্যাংকের বিভিন্ন স্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

উপকূলীয় চৌদ্দ জেলার সুরক্ষায় সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্প

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:৪২:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

দেশের উপকূলীয় এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ জনপদকে জলোচ্ছ্বাস, বন্যা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব থেকে রক্ষার্থে সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকার একটি বিশাল আর্থিক প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। আগামী অর্থবছর থেকে বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহযোগিতায় পাঁচ বছর মেয়াদি এই জনকল্যাণমুখী প্রকল্পটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা হবে।

এসংক্রান্ত বিষয়ে গত রোববার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এবং বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান অঞ্চলের বিভাগীয় পরিচালক জ্যঁ পেসমের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল এই বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে ‘বাংলাদেশ স্ট্র্যাটেজিক ফ্লাড রেজিলিয়েন্স প্রোগ্রাম (ফ্লাড এমপিএ)’ এবং ‘কোস্টাল রেজিলিয়েন্স প্রজেক্ট’-এর আওতায় প্রস্তাবিত বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়।

বৈঠকে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান জানান যে, দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের সাধারণ মানুষের সামগ্রিক নিরাপত্তা বিধান এবং তাদের টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই প্রকল্পটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখবে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও নিরাপদ ও উন্নত করা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার, আর এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সম্মিলিতভাবে কাজ করা হচ্ছে।

প্রকল্পের রূপরেখা অনুযায়ী, উপকূলের ১৪টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ জেলার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং যেকোনো ধরনের দুর্যোগঝুঁকি হ্রাসে সুনির্দিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা, সামাজিক নিরাপত্তার পরিধি বাড়ানো এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়েও বৈঠকে বিশদ আলোচনা হয়েছে।

উপকূলীয় জনপদে তীব্র লবণাক্ততার সমস্যা মোকাবিলা করতে সুপেয় পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে পানি শোধন ব্যবস্থা উন্নত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর অতিরিক্ত চাপ কমিয়ে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর প্রকল্পে বিশেষ জোর দেওয়া হবে। তাছাড়া বন্যা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বড় ধরনের ধাক্কা সামলানোর জন্য দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক ও জনগত সক্ষমতা গড়ে তোলার লক্ষ্যও নির্ধারণ করা হয়েছে।

উক্ত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক শিবির বিচিত্র বড়ুয়াসহ মন্ত্রণালয় এবং বিশ্বব্যাংকের বিভিন্ন স্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।