Dhaka ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

জাইমা রহমানের জাতিসংঘে চাকরি নিয়ে সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:৪৩:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৭ বার দেখা হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জাতিসংঘে মর্যাদাপূর্ণ চাকরি লাভকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় দাবি করেছেন যে, জাইমা রহমানের এই চাকরি অর্জনের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের ন্যূনতম কোনো সংশ্লিষ্টতা বা প্রভাব নেই, বরং তিনি সম্পূর্ণ নিজের মেধা, যোগ্যতা ও পেশাগত দক্ষতার বলে এই পদে অভিষিক্ত হয়েছেন।

গত রোববার (৪ অক্টোবর ২০২৬) সচিবালয়ে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে উপদেষ্টা এই বিষয়টি পরিষ্কার করেন। তিনি জানান যে, জাইমা রহমান যে পদে আবেদন করে নির্বাচিত হয়েছেন তা জাতিসংঘের পি-৩ (P-3) পর্যায়ের একটি পেশাগত পদ। জাতিসংঘের কাঠামো অনুযায়ী পি-১ হলো নতুন গ্র্যাজুয়েটদের জন্য প্রফেশনাল লেভেল-১, পি-২ স্তরে দুই বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয় এবং এর পরবর্তী পি-৩ পর্যায়ে অন্তত পাঁচ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা আবশ্যক হয়ে থাকে।

মাহদী আমিনের সুনির্দিষ্ট ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের দীর্ঘ পেশাগত প্রোফাইল ও ক্যারিয়ারের অভিজ্ঞতা এই পি-৩ পর্যায়ের পদের যোগ্যতার সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। তার এই নিয়োগ প্রক্রিয়া, অ্যাপয়েন্টমেন্ট এবং আনুষঙ্গিক আর্থিক সুযোগ-সুবিধা সবকিছুই জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট নিয়মনীতি, রুলস ও প্রসিডিউর মেনে তাদের নিজস্ব নির্বাহী কার্যালয়ের অধীন স্বাধীন মানবসম্পদ (এইচআর) টিম কর্তৃক পরিচালিত হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বিন্দুমাত্র প্রভাব খাটানো বা সম্পৃক্ত থাকার কোনো অবকাশই ছিল না বলে তিনি জোরালোভাবে উল্লেখ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা আরও বলেন যে, জাইমা রহমানের এই অর্জন নিয়ে একশ্রেণির মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে, যার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। যে কেউ চাইলে জাতিসংঘের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ও ক্যারিয়ার পোর্টাল ভিজিট করে এই নিয়োগের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া ও সত্যতা যাচাই করে নিতে পারেন। ব্যক্তিগত ও পেশাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে অর্জিত একটি আন্তর্জাতিক সাফল্যকে রাজনৈতিক বা অন্য কোনো সংকীর্ণ স্বার্থে বিতর্কিত করার এ ধরনের অপচেষ্টা অনভিপ্রেত ও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

জাইমা রহমানের জাতিসংঘে চাকরি নিয়ে সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:৪৩:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জাতিসংঘে মর্যাদাপূর্ণ চাকরি লাভকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় দাবি করেছেন যে, জাইমা রহমানের এই চাকরি অর্জনের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের ন্যূনতম কোনো সংশ্লিষ্টতা বা প্রভাব নেই, বরং তিনি সম্পূর্ণ নিজের মেধা, যোগ্যতা ও পেশাগত দক্ষতার বলে এই পদে অভিষিক্ত হয়েছেন।

গত রোববার (৪ অক্টোবর ২০২৬) সচিবালয়ে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে উপদেষ্টা এই বিষয়টি পরিষ্কার করেন। তিনি জানান যে, জাইমা রহমান যে পদে আবেদন করে নির্বাচিত হয়েছেন তা জাতিসংঘের পি-৩ (P-3) পর্যায়ের একটি পেশাগত পদ। জাতিসংঘের কাঠামো অনুযায়ী পি-১ হলো নতুন গ্র্যাজুয়েটদের জন্য প্রফেশনাল লেভেল-১, পি-২ স্তরে দুই বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয় এবং এর পরবর্তী পি-৩ পর্যায়ে অন্তত পাঁচ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা আবশ্যক হয়ে থাকে।

মাহদী আমিনের সুনির্দিষ্ট ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের দীর্ঘ পেশাগত প্রোফাইল ও ক্যারিয়ারের অভিজ্ঞতা এই পি-৩ পর্যায়ের পদের যোগ্যতার সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। তার এই নিয়োগ প্রক্রিয়া, অ্যাপয়েন্টমেন্ট এবং আনুষঙ্গিক আর্থিক সুযোগ-সুবিধা সবকিছুই জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট নিয়মনীতি, রুলস ও প্রসিডিউর মেনে তাদের নিজস্ব নির্বাহী কার্যালয়ের অধীন স্বাধীন মানবসম্পদ (এইচআর) টিম কর্তৃক পরিচালিত হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বিন্দুমাত্র প্রভাব খাটানো বা সম্পৃক্ত থাকার কোনো অবকাশই ছিল না বলে তিনি জোরালোভাবে উল্লেখ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা আরও বলেন যে, জাইমা রহমানের এই অর্জন নিয়ে একশ্রেণির মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে, যার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। যে কেউ চাইলে জাতিসংঘের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ও ক্যারিয়ার পোর্টাল ভিজিট করে এই নিয়োগের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া ও সত্যতা যাচাই করে নিতে পারেন। ব্যক্তিগত ও পেশাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে অর্জিত একটি আন্তর্জাতিক সাফল্যকে রাজনৈতিক বা অন্য কোনো সংকীর্ণ স্বার্থে বিতর্কিত করার এ ধরনের অপচেষ্টা অনভিপ্রেত ও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে তিনি মন্তব্য করেন।