বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬ উদযাপনের অংশ হিসেবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হয়েছে ‘বাংলাদেশ ট্যুরিজম অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’। পর্যটন, আতিথেয়তা (হসপিটালিটি), উদ্ভাবন এবং টেকসই উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ ১৬টি আলাদা বিভাগে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এক বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
এই আয়োজনে ‘বর্ষসেরা টেকসই পর্যটন উদ্যোগ’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার অর্জন করেছেন ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস পিএলসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শাখাওয়াত হোসেন। হসপিটালিটি ও পর্যটন শিল্পে খাদ্য অপচয় রোধ, অপারেশনাল খরচ কমানো এবং সম্পদের দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে যুগান্তকারী অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে “শাখাওয়াত’স সিক্স কন্ট্রোল পয়েন্টস ফর ফুড কস্ট অপ্টিমাইজেশন” শীর্ষক ফ্রেমওয়ার্কের জন্য এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
বিচারকমণ্ডলী শাখাওয়াত হোসেনের এই উদ্ভাবনী ফ্রেমওয়ার্কটিকে অ্যাকাডেমিক তত্ত্বের সঙ্গে বাস্তব প্রয়োগের একটি চমৎকার সেতুবন্ধন হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন। পর্যটন খাতে ইতিবাচক ও টেকসই ফলাফল বয়ে আনার কারণে সর্বসম্মতিক্রমে এটিকে একটি অগ্রগামী উদ্যোগ হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। পুরস্কার প্রাপ্তির পর অনুভূতি প্রকাশ করে শাখাওয়াত হোসেন জানান যে, এই স্বীকৃতি টেকসই আতিথেয়তা খাতে তাদের অবদানের বড় প্রতিফলন এবং তারা সারা দেশের হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রিতে এই ফ্রেমওয়ার্ক ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক হোটেল ও রেস্তোরাঁ চেইনগুলোতেও এর ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।
অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ হিসেবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শাখাওয়াত হোসেনের হাতে এই সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আক্তার, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী এবং বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. শামীমুজ্জামানসহ খাতের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।






















