Dhaka ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ বাতিলের দাবিতে ৫ অক্টোবর অবস্থান কর্মসূচি

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৩৩:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৬ বার দেখা হয়েছে

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) এবং চট্টগ্রাম কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানিয়েছে বন্দর রক্ষা কমিটি। এই দাবি আদায়ে আগামী ৫ অক্টোবর বন্দরের প্রধান ফটকে দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি। শনিবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কমিটির সদস্য সচিব ফজলুল কবির মিন্টু এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ফজলুল কবির মিন্টু জানান, আগামী ৫ অক্টোবরের মধ্যে এনসিটি ও সিসিটি ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ বাতিলের বিষয়ে সরকার সুনির্দিষ্ট ঘোষণা না দিলে, ওই অবস্থান কর্মসূচি থেকে আরও কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে। তিনি বলেন, গত ১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এনসিটি ও এর ওভারফ্লো কনটেইনার ইয়ার্ড পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক অপারেটরের সঙ্গে ১৫ বছরের কনসেশন চুক্তির খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে তারা জানতে পেরেছেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য, আমদানি-রপ্তানি, রাজস্ব এবং শিল্পায়নের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত একটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অবকাঠামো। তাই এ ধরনের স্থাপনা দীর্ঘমেয়াদি ইজারা বা কনসেশনে দেওয়ার আগে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় পরিচালনার সম্ভাব্য আয়, সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং রাষ্ট্রের আর্থিক সুবিধার বিষয়টি পূর্ণাঙ্গভাবে মূল্যায়ন করে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা উচিত।

বন্দর রক্ষা কমিটি জানায়, তারা বিদেশি বিনিয়োগ বা আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের কোনো বিরোধী নয়। তবে জাতীয় কৌশলগত অবকাঠামোর ব্যবস্থাপনায় রাষ্ট্রীয় স্বার্থ, জাতীয় নিরাপত্তা, রাজস্ব, কর্মসংস্থান, শ্রমিকদের অধিকার এবং ভবিষ্যৎ নীতিগত স্বাধীনতা সুরক্ষিত হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করা জরুরি। তাদের এই আন্দোলন সরকারের বিরুদ্ধে নয় বরং জাতীয় স্বার্থ রক্ষা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। এ সময় এনসিটি-সিসিটি ইজারা প্রক্রিয়া বাতিলের পাশাপাশি শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবিও জানানো হয়।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ বাতিলের দাবিতে ৫ অক্টোবর অবস্থান কর্মসূচি

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৩৩:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) এবং চট্টগ্রাম কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানিয়েছে বন্দর রক্ষা কমিটি। এই দাবি আদায়ে আগামী ৫ অক্টোবর বন্দরের প্রধান ফটকে দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি। শনিবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কমিটির সদস্য সচিব ফজলুল কবির মিন্টু এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ফজলুল কবির মিন্টু জানান, আগামী ৫ অক্টোবরের মধ্যে এনসিটি ও সিসিটি ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ বাতিলের বিষয়ে সরকার সুনির্দিষ্ট ঘোষণা না দিলে, ওই অবস্থান কর্মসূচি থেকে আরও কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে। তিনি বলেন, গত ১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এনসিটি ও এর ওভারফ্লো কনটেইনার ইয়ার্ড পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক অপারেটরের সঙ্গে ১৫ বছরের কনসেশন চুক্তির খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে তারা জানতে পেরেছেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য, আমদানি-রপ্তানি, রাজস্ব এবং শিল্পায়নের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত একটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অবকাঠামো। তাই এ ধরনের স্থাপনা দীর্ঘমেয়াদি ইজারা বা কনসেশনে দেওয়ার আগে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় পরিচালনার সম্ভাব্য আয়, সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং রাষ্ট্রের আর্থিক সুবিধার বিষয়টি পূর্ণাঙ্গভাবে মূল্যায়ন করে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা উচিত।

বন্দর রক্ষা কমিটি জানায়, তারা বিদেশি বিনিয়োগ বা আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের কোনো বিরোধী নয়। তবে জাতীয় কৌশলগত অবকাঠামোর ব্যবস্থাপনায় রাষ্ট্রীয় স্বার্থ, জাতীয় নিরাপত্তা, রাজস্ব, কর্মসংস্থান, শ্রমিকদের অধিকার এবং ভবিষ্যৎ নীতিগত স্বাধীনতা সুরক্ষিত হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করা জরুরি। তাদের এই আন্দোলন সরকারের বিরুদ্ধে নয় বরং জাতীয় স্বার্থ রক্ষা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। এ সময় এনসিটি-সিসিটি ইজারা প্রক্রিয়া বাতিলের পাশাপাশি শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবিও জানানো হয়।