Dhaka ১১:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ইরান প্রসঙ্গে যেকোনো একটি সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:২৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান প্রসঙ্গে তাকে যেকোনো একটি সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তেহরানকে সতর্ক করে তিনি বলেন, ইরানের সামনে এখন সহজ অথবা কঠিন—যেকোনো একটি বিষয় বেছে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ সময় ট্রাম্প আরও দাবি করেন, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা থেকে ইরান ‘প্রায় পুরোপুরি’ সরে এসেছে।

ওহাইও যাওয়ার উদ্দেশে হোয়াইট হাউস ছাড়ার সময় সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।’ ইরান বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা তিনি বলছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। তিনি বলেন, ‘তাই একমাত্র প্রশ্ন হলো—এটি হয় সহজ পথে হবে, নয়তো কঠিন পথে।’

ইরান ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে ওয়াশিংটনে যখন আলোচনা চলছিল, তখনই ট্রাম্পের এই মন্তব্য আসে। তেহরানের সঙ্গে সংঘাত নিরসনের প্রচেষ্টা থমকে থাকায় পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, শুক্রবার ক্যাম্প ডেভিডে ট্রাম্প প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারাও ইরান ও ইয়েমেন পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করেছেন।

ইরান-সংক্রান্ত যুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম প্রধান ঘোষিত লক্ষ্য ছিল তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা। যুদ্ধের অষ্টম মাসে এসে শনিবার ট্রাম্প আবারও দাবি করেন, ইরান ‘প্রায় পুরোপুরি’ পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা ত্যাগ করেছে।

হোয়াইট হাউস ছাড়ার সময় ট্রাম্প আরও বলেন, বর্তমানে তেলের দাম কমছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালানোর পর থেকেই জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গিয়েছিল। ট্রাম্প বলেন, ‘তেলের দাম কমছে। এই মুহূর্তে তেলের দাম কম এবং বাইডেন প্রশাসনের সময়ের তুলনায়ও কম। অথচ তারা ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখার বিষয়ে কিছুই করেনি।’ এরপর তিনি বলেন, ‘ইরান, আপনারা জানেন, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির প্রায় সব পরিকল্পনাই ছেড়ে দিয়েছে।’

ইরান দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে যে দেশটি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে। গত মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক সফরের সময়ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান একই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। পেজেশকিয়ান বলেন, ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে না। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণের আওতায় দেশটির মজুত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ঘনত্বও তিনি উল্লেখ করেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান প্রসঙ্গে যেকোনো একটি সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:২৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান প্রসঙ্গে তাকে যেকোনো একটি সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তেহরানকে সতর্ক করে তিনি বলেন, ইরানের সামনে এখন সহজ অথবা কঠিন—যেকোনো একটি বিষয় বেছে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ সময় ট্রাম্প আরও দাবি করেন, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা থেকে ইরান ‘প্রায় পুরোপুরি’ সরে এসেছে।

ওহাইও যাওয়ার উদ্দেশে হোয়াইট হাউস ছাড়ার সময় সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।’ ইরান বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা তিনি বলছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। তিনি বলেন, ‘তাই একমাত্র প্রশ্ন হলো—এটি হয় সহজ পথে হবে, নয়তো কঠিন পথে।’

ইরান ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে ওয়াশিংটনে যখন আলোচনা চলছিল, তখনই ট্রাম্পের এই মন্তব্য আসে। তেহরানের সঙ্গে সংঘাত নিরসনের প্রচেষ্টা থমকে থাকায় পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, শুক্রবার ক্যাম্প ডেভিডে ট্রাম্প প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারাও ইরান ও ইয়েমেন পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করেছেন।

ইরান-সংক্রান্ত যুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম প্রধান ঘোষিত লক্ষ্য ছিল তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা। যুদ্ধের অষ্টম মাসে এসে শনিবার ট্রাম্প আবারও দাবি করেন, ইরান ‘প্রায় পুরোপুরি’ পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা ত্যাগ করেছে।

হোয়াইট হাউস ছাড়ার সময় ট্রাম্প আরও বলেন, বর্তমানে তেলের দাম কমছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালানোর পর থেকেই জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গিয়েছিল। ট্রাম্প বলেন, ‘তেলের দাম কমছে। এই মুহূর্তে তেলের দাম কম এবং বাইডেন প্রশাসনের সময়ের তুলনায়ও কম। অথচ তারা ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখার বিষয়ে কিছুই করেনি।’ এরপর তিনি বলেন, ‘ইরান, আপনারা জানেন, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির প্রায় সব পরিকল্পনাই ছেড়ে দিয়েছে।’

ইরান দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে যে দেশটি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে। গত মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক সফরের সময়ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান একই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। পেজেশকিয়ান বলেন, ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে না। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণের আওতায় দেশটির মজুত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ঘনত্বও তিনি উল্লেখ করেন।