আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে সাধারণ মানুষের পক্ষে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া যেখানে প্রায়শই অবাস্তব স্বপ্ন হয়ে দাঁড়ায়, ঠিক সেই বাস্তবতাকে বদলে দিতে অনন্য এক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। নিজের ব্যক্তিগত তহবিল ও উদ্যোগে পরিচালিত এই বিশেষ জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির আওতায় ভোলা সদর উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তের প্রায় ২০ হাজারেরও অধিক দুস্থ ও নিম্ন আয়ের মানুষ সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসাসেবা ও জীবনরক্ষাকারী ওষুধ লাভ করেছেন।
‘সবার জন্য, সুস্থ জীবন’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে গত ১১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমটি মোট চার ধাপে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ভোলা জেলা শাখার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সদর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের প্রতিটি জনপদে পর্যায়ক্রমে এই ক্যাম্পগুলো পরিচালিত হয়, যেখানে শিশু, নারী ও মেডিসিন বিভাগের রোগীরা তাদের দীর্ঘদিনের শারীরিক জটিলতার চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করার সুযোগ পান।
গ্রামীণ জনপদের প্রান্তিক ও খেটে খাওয়া মানুষ, বিশেষ করে দিনমজুর ও দরিদ্র পরিবারের সদস্যরা এই চিকিৎসাসেবার ফলে দারুণ উপকৃত হয়েছেন। চরসামাইয়া ও ভেদুরিয়া ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকার চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করে জানান যে, অর্থের অভাবে এতদিন জেলা শহরে বড় ডাক্তারের কাছে গিয়ে চিকিৎসা বা ওষুধ কেনার সামর্থ্য তাদের ছিল না; কিন্তু তথ্যমন্ত্রীর এই মহতী উদ্যোগের ফলে ঘরের কাছেই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ও বিনামূল্যে ওষুধ পাওয়ায় তাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ অনেকাংশে লাঘব হয়েছে।
স্থানীয় বিজেপি নেতৃবৃন্দ এবং আয়োজক কমিটির সদস্যরা এই ক্যাম্পের অভূতপূর্ব সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করে উল্লেখ করেছেন যে, মরহুম নেতা নাজিউর রহমান মঞ্জুরের পদাঙ্ক অনুসরণ করেই ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ সাধারণ মানুষের প্রকৃত চাহিদা অনুধাবন করে এই মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। প্রথম ধাপের এই ব্যাপক সাফল্যের পর শিগগিরই প্রতিটি ইউনিয়নে দ্বিতীয় দফায় পুনরায় মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে, যার মাধ্যমে ভোলা সদর আসনের একটি মানুষও যেন চিকিৎসাসেবার বাইরে না থাকে, সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন তথ্যমন্ত্রী।






















