Dhaka ১১:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

উত্তর কোরিয়ার যুদ্ধবন্দি হস্তান্তর ইস্যুতে ইউক্রেনকে প্রকাশ্যে ক্ষমার আহ্বান দক্ষিণ কোরিয়ার

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:২৪:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • ১১ বার দেখা হয়েছে

উত্তর কোরিয়ার দুই যুদ্ধবন্দিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় পাঠানোর বিষয়টি প্রকাশ্যে ফাঁস করার ঘটনায় ইউক্রেনকে অবিলম্বে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সিউল। অন্যথায় দক্ষিণ কোরিয়া আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে স্পষ্টভাবে সতর্ক করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ইউক্রেনকে অবশ্যই এই বিষয়টি স্বীকার করে জাতির সামনে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে দক্ষিণ কোরিয়া পরবর্তী কূটনৈতিক ও অন্যান্য পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে। এর আগে গত সপ্তাহে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে আটক দুই উত্তর কোরীয় সেনাকে দক্ষিণ কোরিয়ায় পাঠানোর কথা প্রকাশ করেছিলেন। জাতিসংঘে জেলেনস্কির এই বক্তব্যের পরই তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে সিউল প্রশাসন জানায়, যুদ্ধবন্দিদের বিষয়ে স্পর্শকাতর তথ্য গোপন রাখা উচিত ছিল, কারণ তা উত্তর কোরিয়ায় থাকা তাদের পরিবারকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।

দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক দাবির পরও ইউক্রেন এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করেনি। শুক্রবার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ইউক্রেনের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণের কারণে তাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এটি কোরিয়া প্রজাতন্ত্র ও এর জনগণের আত্মমর্যাদার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত একটি বিষয়। এদিকে, ইউক্রেনীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা এই ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, এটি কোনো বড় ঘটনা নয় বরং একটি সাময়িক ‘কূটনৈতিক ভুল বোঝাবুঝি’ মাত্র। দক্ষিণ কোরিয়াকে ইউক্রেনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দুই দেশের মধ্যকার পারস্পরিক সহযোগিতা এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

উত্তর কোরিয়ার যুদ্ধবন্দি হস্তান্তর ইস্যুতে ইউক্রেনকে প্রকাশ্যে ক্ষমার আহ্বান দক্ষিণ কোরিয়ার

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:২৪:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

উত্তর কোরিয়ার দুই যুদ্ধবন্দিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় পাঠানোর বিষয়টি প্রকাশ্যে ফাঁস করার ঘটনায় ইউক্রেনকে অবিলম্বে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সিউল। অন্যথায় দক্ষিণ কোরিয়া আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে স্পষ্টভাবে সতর্ক করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ইউক্রেনকে অবশ্যই এই বিষয়টি স্বীকার করে জাতির সামনে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে দক্ষিণ কোরিয়া পরবর্তী কূটনৈতিক ও অন্যান্য পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে। এর আগে গত সপ্তাহে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে আটক দুই উত্তর কোরীয় সেনাকে দক্ষিণ কোরিয়ায় পাঠানোর কথা প্রকাশ করেছিলেন। জাতিসংঘে জেলেনস্কির এই বক্তব্যের পরই তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে সিউল প্রশাসন জানায়, যুদ্ধবন্দিদের বিষয়ে স্পর্শকাতর তথ্য গোপন রাখা উচিত ছিল, কারণ তা উত্তর কোরিয়ায় থাকা তাদের পরিবারকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।

দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক দাবির পরও ইউক্রেন এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করেনি। শুক্রবার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ইউক্রেনের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণের কারণে তাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এটি কোরিয়া প্রজাতন্ত্র ও এর জনগণের আত্মমর্যাদার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত একটি বিষয়। এদিকে, ইউক্রেনীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা এই ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, এটি কোনো বড় ঘটনা নয় বরং একটি সাময়িক ‘কূটনৈতিক ভুল বোঝাবুঝি’ মাত্র। দক্ষিণ কোরিয়াকে ইউক্রেনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দুই দেশের মধ্যকার পারস্পরিক সহযোগিতা এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।