Dhaka ১০:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ইসরাইলগামী বিমানে হামলাকারী ইসলামপন্থি চরমপন্থায় দীক্ষিত ছিলেন: নেতানিয়াহু

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:১৩:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৯ বার দেখা হয়েছে

দুবাই থেকে ইসরাইলগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে সহকারী পাইলটকে ছুরিকাঘাত করে জোরপূর্বক বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করা ব্যক্তি একজন ‘ইসলামপন্থি চরমপন্থায় দীক্ষিত’ ব্যক্তি ছিলেন বলে দাবি করেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তার ধারণা, হামলাকারী অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে বিমানটি বিধ্বস্ত করার অপচেষ্টা চালিয়েছিলেন। গত বুধবার উড্ডয়নের প্রায় দুই ঘণ্টা পর বিমানটির উচ্চতা হঠাৎ ১৭ হাজার ফুটের বেশি নিচে নেমে যায় এবং পরবর্তীতে বিমানটির যাত্রী ও ক্রুরা সাহসিকতার সঙ্গে হামলাকারীকে কাবু করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এরপর বিমানটি সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়।

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান যে, হামলাকারী একজন ওমানের নাগরিক এবং যাত্রী ও ক্রুরা তাকে বেঁধে ফেলার পর তিনি বারবার ‘আমাকে মেরে ফেলো’ বলে চিৎকার করছিলেন। নেতানিয়াহুর মতে, এই আচরণ থেকে ওই ব্যক্তির আত্মঘাতী হওয়ার সুনির্দিষ্ট মানসিকতা স্পষ্ট হয়, যদিও এই হামলার পেছনের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সমীচীন হবে না। সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, এই ঘটনার পেছনে কোনো আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বা অন্য কোনো নাশকতামূলক উদ্দেশ্যের যোগসূত্র রয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে। যেহেতু বিমানটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের নিবন্ধিত ও পতাকাবাহী, তাই এর তদন্তের পূর্ণ এখতিয়ার তাদের রয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ আমিরাতের বেশ কিছু কর্মকর্তা এই ঘটনার পেছনে ইরানের কোনো গোপন ভূমিকা থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত দিলেও সরাসরি তেহরানকে দায়ী করেননি। ট্রাম্প জানিয়েছেন, যদি এই ঘটনায় ইরানের সংশ্লিষ্টতা চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়, তবে দেশটির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অন্যদিকে, ইসরাইলের নিরাপত্তা সংস্থা ও মোসাদের নেতৃত্বে পরিচালিত প্রাথমিক তদন্তেও হামলাকারীর মূল উদ্দেশ্য বিমান ধ্বংস করা ছিল বলেই ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ফ্লাইদুবাইয়ের এফজেড১০৭৩ নামক ওই ফ্লাইটে ১৭০ জনেরও বেশি যাত্রী ছিলেন। দুবাই থেকে তেল আবিবের উদ্দেশে যাত্রা করার পর মাঝ আকাশে আকস্মিক উচ্চতা হারিয়ে বিমানটি জরুরি সংকেত পাঠায় এবং পরবর্তীতে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে ম্যানুয়ালি অবতরণ করে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ইসরাইলগামী বিমানে হামলাকারী ইসলামপন্থি চরমপন্থায় দীক্ষিত ছিলেন: নেতানিয়াহু

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:১৩:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

দুবাই থেকে ইসরাইলগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে সহকারী পাইলটকে ছুরিকাঘাত করে জোরপূর্বক বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করা ব্যক্তি একজন ‘ইসলামপন্থি চরমপন্থায় দীক্ষিত’ ব্যক্তি ছিলেন বলে দাবি করেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তার ধারণা, হামলাকারী অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে বিমানটি বিধ্বস্ত করার অপচেষ্টা চালিয়েছিলেন। গত বুধবার উড্ডয়নের প্রায় দুই ঘণ্টা পর বিমানটির উচ্চতা হঠাৎ ১৭ হাজার ফুটের বেশি নিচে নেমে যায় এবং পরবর্তীতে বিমানটির যাত্রী ও ক্রুরা সাহসিকতার সঙ্গে হামলাকারীকে কাবু করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এরপর বিমানটি সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়।

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান যে, হামলাকারী একজন ওমানের নাগরিক এবং যাত্রী ও ক্রুরা তাকে বেঁধে ফেলার পর তিনি বারবার ‘আমাকে মেরে ফেলো’ বলে চিৎকার করছিলেন। নেতানিয়াহুর মতে, এই আচরণ থেকে ওই ব্যক্তির আত্মঘাতী হওয়ার সুনির্দিষ্ট মানসিকতা স্পষ্ট হয়, যদিও এই হামলার পেছনের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সমীচীন হবে না। সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, এই ঘটনার পেছনে কোনো আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বা অন্য কোনো নাশকতামূলক উদ্দেশ্যের যোগসূত্র রয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে। যেহেতু বিমানটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের নিবন্ধিত ও পতাকাবাহী, তাই এর তদন্তের পূর্ণ এখতিয়ার তাদের রয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ আমিরাতের বেশ কিছু কর্মকর্তা এই ঘটনার পেছনে ইরানের কোনো গোপন ভূমিকা থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত দিলেও সরাসরি তেহরানকে দায়ী করেননি। ট্রাম্প জানিয়েছেন, যদি এই ঘটনায় ইরানের সংশ্লিষ্টতা চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়, তবে দেশটির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অন্যদিকে, ইসরাইলের নিরাপত্তা সংস্থা ও মোসাদের নেতৃত্বে পরিচালিত প্রাথমিক তদন্তেও হামলাকারীর মূল উদ্দেশ্য বিমান ধ্বংস করা ছিল বলেই ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ফ্লাইদুবাইয়ের এফজেড১০৭৩ নামক ওই ফ্লাইটে ১৭০ জনেরও বেশি যাত্রী ছিলেন। দুবাই থেকে তেল আবিবের উদ্দেশে যাত্রা করার পর মাঝ আকাশে আকস্মিক উচ্চতা হারিয়ে বিমানটি জরুরি সংকেত পাঠায় এবং পরবর্তীতে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে ম্যানুয়ালি অবতরণ করে।