Dhaka ১০:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ফেনীতে ১৫৪২ কোটি টাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৪:৫০:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৬ বার দেখা হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফেনীতে ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ উদ্বোধন করেছেন। বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে জেলার পরশুরাম উপজেলার ঘাটঘর মুহুরী ব্রিজ এলাকায় এই মেগা প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

পরশুরামে উদ্বোধন হওয়া প্রকল্পটি ফেনীর নদীপারের মানুষের দীর্ঘদিনের বন্যা ও জলাবদ্ধতার সমস্যা মোকাবিলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত উদ্যোগ হিসেবে নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ, ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন, ২৭টি সেচ অবকাঠামো পুনর্বাসন এবং ৭৭টি ইনলেট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এই প্রকল্পের কাজ ২০৩০ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

পরবর্তী পর্যায়ে মুহুরী ও কহুয়া নদীতে নতুন বাঁধ নির্মাণের পাশাপাশি সিলোনিয়া নদীতে বাঁধ নির্মাণ, নদী খনন ও সংস্কারের পরিকল্পনাও রয়েছে। ফলে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন ফেনী জেলার নদী ও পানি ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদী ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ফেনীতে এটি তার প্রথম দিনব্যাপী সফর। এই সফরে তিনি আরও একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেন।

পরে প্রধানমন্ত্রী পরশুরাম থেকে ফুলগাজী উপজেলার বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজে যান। সেখানে তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। এরপর ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় গিয়ে সরকারি ভবনের ছাদে স্থাপিত রুফটপ সোলার থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

ফেনীর পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলার সরকারি ভবনগুলোতে মোট ৯৬২ কিলোওয়াট, অর্থাৎ প্রায় ১ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ছাগলনাইয়ায় ৪১৫ কিলোওয়াট, পরশুরামে ২৯৮ কিলোওয়াট এবং ফুলগাজীতে ২৪৯ কিলোওয়াট ক্ষমতার সোলার সিস্টেম রয়েছে।

বিকেলে ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জিন, খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান কর্মসূচিতে অংশ নেন। বিকেল ৫টার দিকে সড়কপথে ফেনী ত্যাগ করে রাত ৯টার দিকে ঢাকায় পৌঁছানোর সম্ভাব্য সময়সূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ফেনীতে ১৫৪২ কোটি টাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৪:৫০:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফেনীতে ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ উদ্বোধন করেছেন। বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে জেলার পরশুরাম উপজেলার ঘাটঘর মুহুরী ব্রিজ এলাকায় এই মেগা প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

পরশুরামে উদ্বোধন হওয়া প্রকল্পটি ফেনীর নদীপারের মানুষের দীর্ঘদিনের বন্যা ও জলাবদ্ধতার সমস্যা মোকাবিলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত উদ্যোগ হিসেবে নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ, ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন, ২৭টি সেচ অবকাঠামো পুনর্বাসন এবং ৭৭টি ইনলেট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এই প্রকল্পের কাজ ২০৩০ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

পরবর্তী পর্যায়ে মুহুরী ও কহুয়া নদীতে নতুন বাঁধ নির্মাণের পাশাপাশি সিলোনিয়া নদীতে বাঁধ নির্মাণ, নদী খনন ও সংস্কারের পরিকল্পনাও রয়েছে। ফলে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন ফেনী জেলার নদী ও পানি ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদী ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ফেনীতে এটি তার প্রথম দিনব্যাপী সফর। এই সফরে তিনি আরও একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেন।

পরে প্রধানমন্ত্রী পরশুরাম থেকে ফুলগাজী উপজেলার বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজে যান। সেখানে তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। এরপর ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় গিয়ে সরকারি ভবনের ছাদে স্থাপিত রুফটপ সোলার থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

ফেনীর পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলার সরকারি ভবনগুলোতে মোট ৯৬২ কিলোওয়াট, অর্থাৎ প্রায় ১ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ছাগলনাইয়ায় ৪১৫ কিলোওয়াট, পরশুরামে ২৯৮ কিলোওয়াট এবং ফুলগাজীতে ২৪৯ কিলোওয়াট ক্ষমতার সোলার সিস্টেম রয়েছে।

বিকেলে ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জিন, খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান কর্মসূচিতে অংশ নেন। বিকেল ৫টার দিকে সড়কপথে ফেনী ত্যাগ করে রাত ৯টার দিকে ঢাকায় পৌঁছানোর সম্ভাব্য সময়সূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।