মিয়ানমার ও তৎসংলগ্ন উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত স্থল নিম্নচাপের প্রভাবে দেশের চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি এবং চট্টগ্রাম জেলার কোথাও কোথাও ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার পর্যন্ত ভারী এবং কিছু কিছু স্থানে ৮৮ মিলিমিটারের বেশি অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এই অব্যাহত ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের ফলে পাহাড়ি এসব এলাকার কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি এবং মারাত্মক ভূমিধসের শঙ্কা রয়েছে।
এদিকে বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত স্থল নিম্নচাপের প্রভাবে নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। বুধবার সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট নৌবন্দরগুলোকে ১ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি নিম্নচাপটি দুর্বল হয়ে ক্রমান্বয়ে অগ্রসর হলেও এর প্রভাবে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর, উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার সব নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, রাজধানী ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিম বা দক্ষিণ দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সাধারণত অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

























