সরকার নির্ধারিত অত্যাবশ্যকীয় অনেক ওষুধই এখন বাজারে সহজে পাওয়া যাচ্ছে না। সরকারি হাসপাতাল কিংবা খোলাবাজার—কোথাও মিলছে না জীবনরক্ষাকারী এসব ওষুধ। দীর্ঘদিনের পুরানো তালিকার কারণে দাম অপরিবর্তিত থাকায় ওষুধ উৎপাদনে অনীহা প্রকাশ করছে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে বাধ্য হয়ে সাধারণ মানুষকে অধিক মূল্যে বিকল্প বা তৃতীয়-চতুর্থ প্রজন্মের ওষুধ কিনতে হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বহুল ব্যবহৃত সাধারণ প্যারাসিটামল বা অ্যান্টিবায়োটিকের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানি ছাড়া অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো এসব সাধারণ ওষুধ উৎপাদনে না আসায় বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে। এই সুযোগে কিছু প্রতিষ্ঠান সামান্য ফর্মুলেশন পরিবর্তন করে অতিরিক্ত দামে নতুন নামে ওষুধ বাজারজাত করছে, যা সাধারণ মানুষের আর্থিক বোঝা বাড়াচ্ছে এবং স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
অ্যামোক্সিসিলিনের মতো প্রথম সারির ও সাশ্রয়ী অ্যান্টিবায়োটিক পর্যাপ্ত পরিমাণে না থাকায় চিকিৎসকরা বাধ্য হয়ে অনেক সময় অপেক্ষাকৃত দামি চতুর্থ বা পঞ্চম প্রজন্মের ওষুধ প্রেসক্রাইব করছেন। এতে রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় বহুগুণ বেড়ে যাচ্ছে এবং জনস্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।


























