Dhaka ০৫:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

বাজারে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের সংকট ও ভ্যাট নিয়ে উদ্বেগ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:৫৩:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৯ বার দেখা হয়েছে

সরকার নির্ধারিত অত্যাবশ্যকীয় অনেক ওষুধই এখন বাজারে সহজে পাওয়া যাচ্ছে না। সরকারি হাসপাতাল কিংবা খোলাবাজার—কোথাও মিলছে না জীবনরক্ষাকারী এসব ওষুধ। দীর্ঘদিনের পুরানো তালিকার কারণে দাম অপরিবর্তিত থাকায় ওষুধ উৎপাদনে অনীহা প্রকাশ করছে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে বাধ্য হয়ে সাধারণ মানুষকে অধিক মূল্যে বিকল্প বা তৃতীয়-চতুর্থ প্রজন্মের ওষুধ কিনতে হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বহুল ব্যবহৃত সাধারণ প্যারাসিটামল বা অ্যান্টিবায়োটিকের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানি ছাড়া অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো এসব সাধারণ ওষুধ উৎপাদনে না আসায় বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে। এই সুযোগে কিছু প্রতিষ্ঠান সামান্য ফর্মুলেশন পরিবর্তন করে অতিরিক্ত দামে নতুন নামে ওষুধ বাজারজাত করছে, যা সাধারণ মানুষের আর্থিক বোঝা বাড়াচ্ছে এবং স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

অ্যামোক্সিসিলিনের মতো প্রথম সারির ও সাশ্রয়ী অ্যান্টিবায়োটিক পর্যাপ্ত পরিমাণে না থাকায় চিকিৎসকরা বাধ্য হয়ে অনেক সময় অপেক্ষাকৃত দামি চতুর্থ বা পঞ্চম প্রজন্মের ওষুধ প্রেসক্রাইব করছেন। এতে রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় বহুগুণ বেড়ে যাচ্ছে এবং জনস্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

বাজারে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের সংকট ও ভ্যাট নিয়ে উদ্বেগ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:৫৩:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকার নির্ধারিত অত্যাবশ্যকীয় অনেক ওষুধই এখন বাজারে সহজে পাওয়া যাচ্ছে না। সরকারি হাসপাতাল কিংবা খোলাবাজার—কোথাও মিলছে না জীবনরক্ষাকারী এসব ওষুধ। দীর্ঘদিনের পুরানো তালিকার কারণে দাম অপরিবর্তিত থাকায় ওষুধ উৎপাদনে অনীহা প্রকাশ করছে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে বাধ্য হয়ে সাধারণ মানুষকে অধিক মূল্যে বিকল্প বা তৃতীয়-চতুর্থ প্রজন্মের ওষুধ কিনতে হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বহুল ব্যবহৃত সাধারণ প্যারাসিটামল বা অ্যান্টিবায়োটিকের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানি ছাড়া অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো এসব সাধারণ ওষুধ উৎপাদনে না আসায় বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে। এই সুযোগে কিছু প্রতিষ্ঠান সামান্য ফর্মুলেশন পরিবর্তন করে অতিরিক্ত দামে নতুন নামে ওষুধ বাজারজাত করছে, যা সাধারণ মানুষের আর্থিক বোঝা বাড়াচ্ছে এবং স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

অ্যামোক্সিসিলিনের মতো প্রথম সারির ও সাশ্রয়ী অ্যান্টিবায়োটিক পর্যাপ্ত পরিমাণে না থাকায় চিকিৎসকরা বাধ্য হয়ে অনেক সময় অপেক্ষাকৃত দামি চতুর্থ বা পঞ্চম প্রজন্মের ওষুধ প্রেসক্রাইব করছেন। এতে রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় বহুগুণ বেড়ে যাচ্ছে এবং জনস্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।