Dhaka ১১:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

মির্জাগঞ্জে জরাজীর্ণ বাকেরগঞ্জ-বরগুনা সড়ক, ভোগান্তি চরমে

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৩০:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২২ বার দেখা হয়েছে

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে বাকেরগঞ্জ-বরগুনা আঞ্চলিক সড়কের প্রায় ৩০০ ফুট অংশ খানাখন্দে ভরে গেছে। সুবিদখালী সরকারি কলেজ সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ড এলাকার এই সড়কটির পিচ-খোয়া উঠে গিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা।

বরগুনা সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত জুন মাসে সড়কটির ভাঙা অংশ সংস্কারে প্রায় ৪ লাখ ৯৯ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছিল। তবে অতিবৃষ্টির কারণে পানি জমে সড়কটির এই বেহাল দশা হয়েছে। অন্যদিকে, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের অভিযোগ, তিন মাস আগে নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে গভীর রাতে তড়িঘড়ি করে কাজটি সম্পন্ন করা হয়েছিল। তাদের দাবি, কাদা ও পানির ওপর পিচঢালাই এবং সিলকোড দেওয়ায় অল্প দিনেই গাড়ির চাকার সঙ্গে ঢালাই উঠে গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কটির কোথাও বড় গর্ত, কোথাও ছোট গর্ত। পিচ-খোয়া উঠে পাকা সড়ক কাঁচা সড়কে পরিণত হয়েছে। বড় বড় গর্তে বৃষ্টির পানি জমে থাকায় পথচারীদের হাঁটাচলায় বিঘ্ন ঘটছে। সুবিদখালী সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সাব্বির হোসেন ফরাজী বলেন, কলেজের সামনের সড়কটির এমন বেহাল দশায় শিক্ষার্থীদের ক্লাসে আসতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। তিনি দ্রুত সড়কটি মেরামতের দাবি জানান।

সড়কের পাশে অবস্থিত সাওদা ফার্মেসির মালিক সুলতান আহমেদ জানান, রাস্তার পিচ-খোয়া উঠে এমন অবস্থা হয়েছে যে এটি পাকা না কাঁচা সড়ক, তা বোঝার উপায় নেই। বর্ষার সময় পুরো এলাকা কাদাপানিতে একাকার হয়ে থাকে।

মির্জাগঞ্জ উপজেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির দলনেতা ও বাস কাউন্টারের মালিক জিএম রাব্বি মল্লিক বলেন, কাউন্টারের পাশের ৩০০ ফুট সড়কের বেহাল দশা দেখার যেন কেউ নেই। এর আগে রাতের আঁধারে যেনতেনভাবে সংস্কার করা হলেও অল্পদিনের মধ্যেই তা উঠে গিয়ে আবার খানাখন্দে পরিণত হয়েছে।

সড়কে খানাখন্দের বিষয়টি স্বীকার করে বরগুনা সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান বলেন, আগামী দু’একদিনের মধ্যেই ভাঙা অংশে ইট দিয়ে চলাচলের উপযোগী করে দেওয়া হবে। বৃষ্টি কমলে ব্লক ইটের মাধ্যমে সড়কটি স্থায়ীভাবে সংস্কার করা হবে বলে তিনি জানান।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

মির্জাগঞ্জে জরাজীর্ণ বাকেরগঞ্জ-বরগুনা সড়ক, ভোগান্তি চরমে

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৩০:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে বাকেরগঞ্জ-বরগুনা আঞ্চলিক সড়কের প্রায় ৩০০ ফুট অংশ খানাখন্দে ভরে গেছে। সুবিদখালী সরকারি কলেজ সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ড এলাকার এই সড়কটির পিচ-খোয়া উঠে গিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা।

বরগুনা সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত জুন মাসে সড়কটির ভাঙা অংশ সংস্কারে প্রায় ৪ লাখ ৯৯ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছিল। তবে অতিবৃষ্টির কারণে পানি জমে সড়কটির এই বেহাল দশা হয়েছে। অন্যদিকে, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের অভিযোগ, তিন মাস আগে নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে গভীর রাতে তড়িঘড়ি করে কাজটি সম্পন্ন করা হয়েছিল। তাদের দাবি, কাদা ও পানির ওপর পিচঢালাই এবং সিলকোড দেওয়ায় অল্প দিনেই গাড়ির চাকার সঙ্গে ঢালাই উঠে গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কটির কোথাও বড় গর্ত, কোথাও ছোট গর্ত। পিচ-খোয়া উঠে পাকা সড়ক কাঁচা সড়কে পরিণত হয়েছে। বড় বড় গর্তে বৃষ্টির পানি জমে থাকায় পথচারীদের হাঁটাচলায় বিঘ্ন ঘটছে। সুবিদখালী সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সাব্বির হোসেন ফরাজী বলেন, কলেজের সামনের সড়কটির এমন বেহাল দশায় শিক্ষার্থীদের ক্লাসে আসতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। তিনি দ্রুত সড়কটি মেরামতের দাবি জানান।

সড়কের পাশে অবস্থিত সাওদা ফার্মেসির মালিক সুলতান আহমেদ জানান, রাস্তার পিচ-খোয়া উঠে এমন অবস্থা হয়েছে যে এটি পাকা না কাঁচা সড়ক, তা বোঝার উপায় নেই। বর্ষার সময় পুরো এলাকা কাদাপানিতে একাকার হয়ে থাকে।

মির্জাগঞ্জ উপজেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির দলনেতা ও বাস কাউন্টারের মালিক জিএম রাব্বি মল্লিক বলেন, কাউন্টারের পাশের ৩০০ ফুট সড়কের বেহাল দশা দেখার যেন কেউ নেই। এর আগে রাতের আঁধারে যেনতেনভাবে সংস্কার করা হলেও অল্পদিনের মধ্যেই তা উঠে গিয়ে আবার খানাখন্দে পরিণত হয়েছে।

সড়কে খানাখন্দের বিষয়টি স্বীকার করে বরগুনা সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান বলেন, আগামী দু’একদিনের মধ্যেই ভাঙা অংশে ইট দিয়ে চলাচলের উপযোগী করে দেওয়া হবে। বৃষ্টি কমলে ব্লক ইটের মাধ্যমে সড়কটি স্থায়ীভাবে সংস্কার করা হবে বলে তিনি জানান।