বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে, দেশেও অবিলম্বে তা কমানোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন। ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান বলেছেন, সরকার ইতোমধ্যে তিন ধাপে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে। কোনো গণশুনানি ছাড়া রাতের অন্ধকারে কার স্বার্থে, কী কারণে এবং কাকে খুশি করতে অযৌক্তিকভাবে তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে—জনগণের কাছে একদিন এর জবাবদিহি করতে হবে।
তিনি রোববার বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জ্বালানি তেলের অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন আয়োজিত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান বলেন, সরকার নিজেদের ‘সাত মাসের শিশু সরকার’ বলে জনগণের কাছে বারবার সময় চাইতে পারে না। জনগণ সাত মাসের শিশুর হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেয়নি। রাষ্ট্র পরিচালনায় দক্ষতা ও যোগ্যতার পরিচয় দিতে না পারলে জনগণ এর জবাব চাইবে।
তিনি বলেন, বিগত সাত মাসে বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় যে অদক্ষতার পরিচয় দিয়েছে, তাতে জনগণ হতাশ। সরকার দুই হাজার টাকার ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে জনগণের পকেট থেকে আরও বেশি অর্থ নেওয়ার ব্যবস্থা করেছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরও বলেন, চব্বিশের পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে আর কোনো ফ্যাসিবাদী আচরণ চলবে না। শ্রমিকরা যেভাবে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রাজপথে নেমেছিল, প্রয়োজনে জনগণের স্বার্থে আবারও রাজপথে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। আমরা আপসকারী নই, জনগণের স্বার্থেই আন্দোলন চালিয়ে যাবো।
বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি কবির আহমদের সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সেলিম পাটওয়ারীর সঞ্চালনায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ফেডারেশনের সহ-সভাপতি এইচ এম আতিকুর রহমান, সহ-সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাসার, সাংগঠনিক সম্পাদক জুবায়ের আল মাহমুদ, কোষাধ্যক্ষ নরুল হক, অফিস সম্পাদক সুলতান মাহমুদ এবং প্রচার সম্পাদক নয়ন ইসলাম সরকার।
এ ছাড়া নরসিংদী জেলা সভাপতি জামাল উদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সভাপতি মিজানুর রহমান, গাবতলী বাস টার্মিনাল সভাপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।


























