জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত বিএনপি সরকারের ‘সংবিধান সংশোধনের’ ধুয়া তুলে নতুন করে গণভোট আয়োজনের পরিকল্পনা স্বৈরতন্ত্রের আলামত। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দাবি ছিল সংবিধান ‘সংস্কারের’, নিছক ‘সংশোধনের’ নয়।
রবিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে রাশেদ প্রধান বলেন, সংবিধান সংস্কারের জন্য গণভোট ইতিমধ্যেই হয়ে গেছে এবং দেশের জনগণ বিপুল ভোটে সংবিধান সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’-কে জয়যুক্ত করেছে। সংবিধান সংশোধনের নামে নতুন গণভোট আয়োজন করা জাতির সাথে তামাশা ছাড়া আর কিছু নয়।
বিএনপি সরকারের উদ্দেশে প্রশ্ন তুলে জাগপা মুখপাত্র বলেন, আমরা জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে গণভোটের দাবি তুলেছিলাম, তখন তো এই বিএনপিই বলেছিল আলাদা গণভোট করতে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থ অপচয় হবে! সে সময় খোঁড়া যুক্তি দেওয়া হয়েছিল যে, নির্বাচনের আগে করার কিছু নেই, জাতীয় নির্বাচনের দিন এক খরচেই সব সেরে ফেলা যাবে। এখন কি নতুন করে গণভোট করতে আর রাষ্ট্রের টাকা খরচ হবে না?
রাশেদ প্রধান আরও বলেন, কথাবার্তা পরিষ্কার, স্বৈরাচার হওয়ার জন্য সংবিধান সংশোধনের নামে নতুন গণভোটের প্রয়োজন নেই। সংবিধান সংস্কারের গণভোট হয়ে গেছে। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করুন, নতুবা দেশ, জাতি ও জনগণের সাথে গাদ্দারি করার অপরাধে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার প্রস্তুতি নিন।


























