Dhaka ১০:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

পার্বত্য অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:৫৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৯ বার দেখা হয়েছে

দেশের সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রেখে পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি, সুষম উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সব সম্প্রদায়ের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী। শনিবার সন্ধ্যায় বান্দরবান প্রেস ক্লাবে একটি লিফটের উদ্বোধন এবং ম্যাগাজিনের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, পাহাড়ি ও সমতলের সব জনগোষ্ঠীর পারস্পরিক শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলেই কেবল পার্বত্য অঞ্চলে টেকসই গতিশীলতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব। পাহাড়ের ১১টি ক্ষুদ্র জাতিসত্তার পাশাপাশি বাঙালি মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও বড়ুয়াসহ মোট ১৪টি জাতিগোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ও সহাবস্থানই এই অঞ্চলের মূল শক্তির উৎস বলে উল্লেখ করেন তিনি।

জাতীয় পতাকাকে হৃদয়ে ধারণ করে সবাইকে সুশৃঙ্খল ও ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে সাচিং প্রু জেরী বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের গতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই পার্বত্য অঞ্চলকে এগিয়ে নিতে হবে। যেসব খাতে তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে রয়েছে, সেগুলোতে দ্রুত উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছে দিয়ে মূলধারার সমপর্যায়ে নিয়ে আসাই সরকারের বর্তমান লক্ষ্য।

পাহাড়ের দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলোর স্থায়ী সমাধানে দলমত নির্বিশেষে সবার সম্মিলিত প্রয়াসের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, কোনো একক ব্যক্তি, রাজনৈতিক দল কিংবা প্রশাসনিক কর্মকর্তার পক্ষে রাতারাতি এই অঞ্চলের সার্বিক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়। এর জন্য সমাজের প্রতিটি স্তর থেকে আন্তরিক প্রচেষ্টা আসতে হবে। ঐক্যবদ্ধ ও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের মাধ্যমেই কেবল পার্বত্য অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও প্রগতি নিশ্চিত করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বান্দরবান প্রেস ক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মা ম্যা চিং, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম মনজুরুল হক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম হাসান। এ ছাড়া জেলা পরিষদের সদস্য এবং স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

পার্বত্য অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:৫৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রেখে পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি, সুষম উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সব সম্প্রদায়ের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী। শনিবার সন্ধ্যায় বান্দরবান প্রেস ক্লাবে একটি লিফটের উদ্বোধন এবং ম্যাগাজিনের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, পাহাড়ি ও সমতলের সব জনগোষ্ঠীর পারস্পরিক শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলেই কেবল পার্বত্য অঞ্চলে টেকসই গতিশীলতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব। পাহাড়ের ১১টি ক্ষুদ্র জাতিসত্তার পাশাপাশি বাঙালি মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও বড়ুয়াসহ মোট ১৪টি জাতিগোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ও সহাবস্থানই এই অঞ্চলের মূল শক্তির উৎস বলে উল্লেখ করেন তিনি।

জাতীয় পতাকাকে হৃদয়ে ধারণ করে সবাইকে সুশৃঙ্খল ও ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে সাচিং প্রু জেরী বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের গতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই পার্বত্য অঞ্চলকে এগিয়ে নিতে হবে। যেসব খাতে তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে রয়েছে, সেগুলোতে দ্রুত উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছে দিয়ে মূলধারার সমপর্যায়ে নিয়ে আসাই সরকারের বর্তমান লক্ষ্য।

পাহাড়ের দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলোর স্থায়ী সমাধানে দলমত নির্বিশেষে সবার সম্মিলিত প্রয়াসের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, কোনো একক ব্যক্তি, রাজনৈতিক দল কিংবা প্রশাসনিক কর্মকর্তার পক্ষে রাতারাতি এই অঞ্চলের সার্বিক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়। এর জন্য সমাজের প্রতিটি স্তর থেকে আন্তরিক প্রচেষ্টা আসতে হবে। ঐক্যবদ্ধ ও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের মাধ্যমেই কেবল পার্বত্য অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও প্রগতি নিশ্চিত করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বান্দরবান প্রেস ক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মা ম্যা চিং, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম মনজুরুল হক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম হাসান। এ ছাড়া জেলা পরিষদের সদস্য এবং স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।