দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উপাচার্য পরিবর্তনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। নির্দিষ্ট মেয়াদের আগেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বিশেষ করে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে রদবদলের এই প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে নিয়োগের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদেশ বাতিল কিংবা দায়িত্ব নেওয়ার স্বল্প সময়ের মধ্যে বদলির মতো ঘটনাও ঘটায় প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা নেমে এসেছে।
গত ২১ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) নতুন উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন সৃষ্টি হয়, যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় পূর্বের উপাচার্যকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত মেনে নিতে না পেরে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করেন। একই ধরনের পরিস্থিতি দেখা গেছে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েও (জাবি)। গত সাত মাসের ব্যবধানে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে একাধিকবার উপাচার্য পরিবর্তন করা হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে এবং নতুন প্রশাসনকে ঘিরে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।






















