Dhaka ১০:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

সরকারি-বেসরকারি ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের উদ্বৃত্ত প্রতি ইউনিট ১০.৫০ টাকায় কিনবে সরকার

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:৪৫:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২২ বার দেখা হয়েছে

সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন ভবন এবং কারখানার অব্যবহৃত ছাদে উৎপাদিত সৌরবিদ্যুতের উদ্বৃত্ত অংশ প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) যশোরের ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে ‘গ্রিন এনার্জি ট্রানজিশন-পলিসি অ্যাডভাইজরি পার্টনারশিপ’ প্রকল্পের আওতাধীন আয়োজিত এক বিশেষ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশের সরকারি-বেসরকারি ভবন ও শিল্প কারখানার ছাদগুলোকে কাজে লাগিয়ে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিদ্যুতের চাহিদা সহজেই মেটাতে পারবে এবং উৎপাদিত অতিরিক্ত বা উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ সরাসরি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। সরকার সেই উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা মূল্যে কিনে নেবে। এর ফলে একদিকে যেমন জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুতের সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষ ও উদ্যোক্তারা সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে আর্থিকভাবে লাভবান ও উৎসাহিত হবেন।

বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমানো সময়ের জোরালো দাবি উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে সৌরবিদ্যুৎসহ সকল পরিবেশবান্ধব ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার ও বিস্তার ঘটাতে হবে। এই খাতের টেকসই উন্নয়নের জন্য এখন থেকেই সুনির্দিষ্ট বিনিয়োগ ও নীতিগত সহায়তা বাড়াতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

কর্মশালায় ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ও এর টেকসই অর্থায়ন, কার্বন ক্রেডিট সুবিধা, সরকারি প্রণোদনা, নীতিগত সহায়তা এবং ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬-২০৩০’ সঠিকভাবে বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম সচিব আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরাফিন, জার্মান উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জিআইজেড বাংলাদেশের জ্বালানি বিভাগের সমন্বয়ক স্টোয়ানকা স্টিচ এবং বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব নূর আহমেদ প্রমুখ।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

সরকারি-বেসরকারি ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের উদ্বৃত্ত প্রতি ইউনিট ১০.৫০ টাকায় কিনবে সরকার

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:৪৫:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন ভবন এবং কারখানার অব্যবহৃত ছাদে উৎপাদিত সৌরবিদ্যুতের উদ্বৃত্ত অংশ প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) যশোরের ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে ‘গ্রিন এনার্জি ট্রানজিশন-পলিসি অ্যাডভাইজরি পার্টনারশিপ’ প্রকল্পের আওতাধীন আয়োজিত এক বিশেষ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশের সরকারি-বেসরকারি ভবন ও শিল্প কারখানার ছাদগুলোকে কাজে লাগিয়ে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিদ্যুতের চাহিদা সহজেই মেটাতে পারবে এবং উৎপাদিত অতিরিক্ত বা উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ সরাসরি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। সরকার সেই উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা মূল্যে কিনে নেবে। এর ফলে একদিকে যেমন জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুতের সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষ ও উদ্যোক্তারা সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে আর্থিকভাবে লাভবান ও উৎসাহিত হবেন।

বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমানো সময়ের জোরালো দাবি উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে সৌরবিদ্যুৎসহ সকল পরিবেশবান্ধব ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার ও বিস্তার ঘটাতে হবে। এই খাতের টেকসই উন্নয়নের জন্য এখন থেকেই সুনির্দিষ্ট বিনিয়োগ ও নীতিগত সহায়তা বাড়াতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

কর্মশালায় ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ও এর টেকসই অর্থায়ন, কার্বন ক্রেডিট সুবিধা, সরকারি প্রণোদনা, নীতিগত সহায়তা এবং ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬-২০৩০’ সঠিকভাবে বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম সচিব আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরাফিন, জার্মান উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জিআইজেড বাংলাদেশের জ্বালানি বিভাগের সমন্বয়ক স্টোয়ানকা স্টিচ এবং বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব নূর আহমেদ প্রমুখ।