দেশের আন্তর্জাতিক যোগাযোগব্যবস্থায় বিকল্প সংযোগ বা ‘রিডান্ডেন্সি’ তৈরি এবং পাইকারি ব্যান্ডউইথ বাজারে প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বেসরকারি পর্যায়ে সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সামিট, সিডিনেট ও মেটাকোরকে লাইসেন্স দেয় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।
রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিগত সরকারের আমলে এই তিন প্রতিষ্ঠানকে বিতর্কিত মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়টি তদন্তের জন্য ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে বিটিআরসিকে এ বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও দুই সপ্তাহেও কোনো সাড়া মেলেনি। অনুসন্ধানে জানা যায়, লাইসেন্সপ্রাপ্ত সামিট গ্রুপ, সিডিনেট এবং মেটাকোর ব্যবসায়িক স্বার্থে নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে ২০২৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর একটি অবৈধ কনসোর্টিয়াম গঠন করে।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানান, তিনটি প্রতিষ্ঠানকে পৃথক তিনটি লাইসেন্স দেওয়া হলেও তারা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়াই একীভূত হয়ে যৌথ ব্যবসা পরিচালনা করছে, যা সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত।
সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় গঠিত টেলিযোগাযোগ খাতের শ্বেতপত্র প্রণয়ন টাস্কফোর্সের প্রধান ড. কামরুল হাসান জানিয়েছেন, পৃথক লাইসেন্স নিয়ে পরবর্তীতে কনসোর্টিয়াম গঠন করে একটি মাত্র সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের বিষয়টি শ্বেতপত্রে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।






















