Dhaka ০৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

সীমান্তে কঠোর নজরদারির মধ্যেও ভারত থেকে অব্যাহত রয়েছে মাদকের চালান

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:১৯:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৭ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী ভারতের অন্তত ৯টি জেলায় একাধিক মাদকের কারখানা সক্রিয় রয়েছে, যেখান থেকে সীমান্ত পেরিয়ে নিয়মিত দেশে প্রবেশ করছে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য। সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর কঠোর পাহারা ও নিয়মিত অভিযান সত্ত্বেও লালমনিরহাটসহ বিভিন্ন সীমান্তবর্তী রুট ব্যবহার করে ইয়াবা ও ফেনসিডিলের মতো ভয়ানক মাদক দেশের ভেতরে ঢুকে পড়ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানের পরও এসব অবৈধ চালান সড়ক, রেল ও জলপথ হয়ে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ছে।

মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থার (মানস) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে মাদকাসক্তের সংখ্যা প্রায় দেড় কোটিতে পৌঁছেছে। এর মধ্যে প্রায় ১ কোটি স্থায়ী মাদকাসক্ত এবং বাকিরা সুযোগ বুঝে মাদক সেবন করে থাকে। উদ্বেগের বিষয় হলো, বর্তমানে নারী মাদকসেবীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে রয়েছে দেশের তরুণ প্রজন্ম; মোট মাদকাসক্তের প্রায় ৮০ শতাংশের বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। পাশাপাশি, মাদক চোরাচালান ও পরিবহনের কাজে নারী ও শিশুদের ব্যবহার করার মতো প্রবণতাও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ভাবিয়ে তুলেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে হাত বাড়ালেই বিভিন্ন ধরনের মাদক পাওয়া যাচ্ছে, যার ফলে যুবসমাজ ধ্বংসের মুখে পড়ছে। সীমান্তবাসী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লালমনিরহাট জেলার প্রায় ২৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ভারতীয় সীমান্তজুড়ে বিজিবির বিভিন্ন ব্যাটালিয়ন দায়িত্ব পালন করলেও চোরাকারবারিরা অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে অর্ধশতাধিক পয়েন্টকে মাদকের নিরাপদ রুট হিসেবে ব্যবহার করছে। পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারী ও সদর উপজেলার বিভিন্ন সীমান্তবর্তী স্পট দিয়ে নিয়মিত ফেনসিডিল, গাঁজা, মদ ও ইয়াবা দেশের ভেতরে পাচার হয়ে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

সীমান্তে কঠোর নজরদারির মধ্যেও ভারত থেকে অব্যাহত রয়েছে মাদকের চালান

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:১৯:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী ভারতের অন্তত ৯টি জেলায় একাধিক মাদকের কারখানা সক্রিয় রয়েছে, যেখান থেকে সীমান্ত পেরিয়ে নিয়মিত দেশে প্রবেশ করছে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য। সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর কঠোর পাহারা ও নিয়মিত অভিযান সত্ত্বেও লালমনিরহাটসহ বিভিন্ন সীমান্তবর্তী রুট ব্যবহার করে ইয়াবা ও ফেনসিডিলের মতো ভয়ানক মাদক দেশের ভেতরে ঢুকে পড়ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানের পরও এসব অবৈধ চালান সড়ক, রেল ও জলপথ হয়ে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ছে।

মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থার (মানস) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে মাদকাসক্তের সংখ্যা প্রায় দেড় কোটিতে পৌঁছেছে। এর মধ্যে প্রায় ১ কোটি স্থায়ী মাদকাসক্ত এবং বাকিরা সুযোগ বুঝে মাদক সেবন করে থাকে। উদ্বেগের বিষয় হলো, বর্তমানে নারী মাদকসেবীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে রয়েছে দেশের তরুণ প্রজন্ম; মোট মাদকাসক্তের প্রায় ৮০ শতাংশের বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। পাশাপাশি, মাদক চোরাচালান ও পরিবহনের কাজে নারী ও শিশুদের ব্যবহার করার মতো প্রবণতাও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ভাবিয়ে তুলেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে হাত বাড়ালেই বিভিন্ন ধরনের মাদক পাওয়া যাচ্ছে, যার ফলে যুবসমাজ ধ্বংসের মুখে পড়ছে। সীমান্তবাসী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লালমনিরহাট জেলার প্রায় ২৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ভারতীয় সীমান্তজুড়ে বিজিবির বিভিন্ন ব্যাটালিয়ন দায়িত্ব পালন করলেও চোরাকারবারিরা অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে অর্ধশতাধিক পয়েন্টকে মাদকের নিরাপদ রুট হিসেবে ব্যবহার করছে। পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারী ও সদর উপজেলার বিভিন্ন সীমান্তবর্তী স্পট দিয়ে নিয়মিত ফেনসিডিল, গাঁজা, মদ ও ইয়াবা দেশের ভেতরে পাচার হয়ে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে।