যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের দাম বর্তমানে রেকর্ড পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেল ও সরবরাহের চেইন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দেশের ভেতরে জ্বালানির ঊর্ধ্বমুখী দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ডিজেল রপ্তানি বন্ধ বা সীমিত করার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে। তবে জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এই পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি বিশ্ববাজারেও ডিজেলসহ সকল জ্বালানির দাম আরও বহুগুণ বেড়ে যেতে পারে।
আমেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশনের (এএএ) তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে প্রতি গ্যালন ডিজেলের গড় মূল্য রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা বিগত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় বেশ খানিকটা বেশি। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির এই পরিস্থিতিতে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে চরম রাজনৈতিক চাপের মুখে রয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।
এই পরিস্থিতিতে মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট জানিয়েছেন, দেশের ভেতর ডিজেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং রপ্তানি স্বেচ্ছায় সীমিত করতে বড় বড় তেল শোধনাগারগুলোর সাথে আলোচনা চলছে। এর আগে স্বয়ং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও দেশটির ডিজেল রপ্তানি নিয়ন্ত্রণের পক্ষে নিজের অবস্থান ব্যক্ত করেছিলেন।
তবে শিল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও বাজার বিশ্লেষকদের মতে, রপ্তানি সীমিত করা হলে জ্বালানির দাম কমার পরিবর্তে উল্টো আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। কারণ বিশ্ববাজারে ইতিমধ্যে রাশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের শোধনাগারগুলোতে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় জ্বালানির তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে, যার প্রভাব সরাসরি সাধারণ ভোক্তাদের ওপর পড়বে।


























