Dhaka ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের ৪ শতাংশ ভূমি তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা প্রধানমন্ত্রীর

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:১৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৯ বার দেখা হয়েছে

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা মাত্র ২৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের প্রায় ৪ শতাংশ ভূমি পানিতে তলিয়ে যেতে পারে বলে চরম আশঙ্কার কথা ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর ফলে দেশের অন্তত ১ কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় ৪ দফা জরুরি প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন তিনি। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিবিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিয়ে তিনি এই আহ্বান জানান।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ভৌগোলিক গঠনের কারণে বাংলাদেশ একটি সক্রিয় বদ্বীপ হওয়ায় উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবন ও সংস্কৃতি নদীর সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। সীমাবদ্ধ সম্পদ সত্ত্বেও বাংলাদেশ নিজস্ব উদ্যোগে দুর্যোগ মোকাবিলার নানা রূপরেখা বাস্তবায়ন করছে জানিয়ে তিনি সরকারের গৃহীত একাধিক প্রকল্পের কথা তুলে ধরেন। এর মধ্যে আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল পুনঃখনন, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ উদ্যোগ, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুতের অন্তত ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রার কথা উল্লেখ করা হয়।

একাকী এই বৈশ্বিক দুর্যোগ মোকাবিলা করা সম্ভব নয় জানিয়ে বিশ্বনেতাদের কাছে ৪টি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পেশ করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রথমত, বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণ দ্রুত হ্রাস করে তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ধরে রাখা। দ্বিতীয়ত, জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য পর্যাপ্ত ও সহজ শর্তে জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করা। তৃতীয়ত, উপকূলীয় রাষ্ট্রগুলোর জন্য জলবায়ু-বান্ধব প্রযুক্তি ও আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থার সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা। এবং চতুর্থত, জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানো ও তাদের মর্যাদাপূর্ণ পুনর্বাসন সুনিশ্চিত করা।

সমুদ্রের উচ্চতা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক উদ্যোগ আরও গতিশীল করার তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেওয়া বৈশ্বিক অঙ্গীকারগুলোকে কালবিলম্ব না করে অনতিবিলম্বে মাঠপর্যায়ে কার্যকর পদক্ষেপে রূপান্তর করতে হবে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের ৪ শতাংশ ভূমি তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা প্রধানমন্ত্রীর

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:১৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা মাত্র ২৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের প্রায় ৪ শতাংশ ভূমি পানিতে তলিয়ে যেতে পারে বলে চরম আশঙ্কার কথা ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর ফলে দেশের অন্তত ১ কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় ৪ দফা জরুরি প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন তিনি। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিবিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিয়ে তিনি এই আহ্বান জানান।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ভৌগোলিক গঠনের কারণে বাংলাদেশ একটি সক্রিয় বদ্বীপ হওয়ায় উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবন ও সংস্কৃতি নদীর সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। সীমাবদ্ধ সম্পদ সত্ত্বেও বাংলাদেশ নিজস্ব উদ্যোগে দুর্যোগ মোকাবিলার নানা রূপরেখা বাস্তবায়ন করছে জানিয়ে তিনি সরকারের গৃহীত একাধিক প্রকল্পের কথা তুলে ধরেন। এর মধ্যে আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল পুনঃখনন, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ উদ্যোগ, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুতের অন্তত ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রার কথা উল্লেখ করা হয়।

একাকী এই বৈশ্বিক দুর্যোগ মোকাবিলা করা সম্ভব নয় জানিয়ে বিশ্বনেতাদের কাছে ৪টি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পেশ করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রথমত, বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণ দ্রুত হ্রাস করে তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ধরে রাখা। দ্বিতীয়ত, জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য পর্যাপ্ত ও সহজ শর্তে জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করা। তৃতীয়ত, উপকূলীয় রাষ্ট্রগুলোর জন্য জলবায়ু-বান্ধব প্রযুক্তি ও আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থার সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা। এবং চতুর্থত, জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানো ও তাদের মর্যাদাপূর্ণ পুনর্বাসন সুনিশ্চিত করা।

সমুদ্রের উচ্চতা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক উদ্যোগ আরও গতিশীল করার তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেওয়া বৈশ্বিক অঙ্গীকারগুলোকে কালবিলম্ব না করে অনতিবিলম্বে মাঠপর্যায়ে কার্যকর পদক্ষেপে রূপান্তর করতে হবে।