Dhaka ০৭:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

গঙ্গা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি স্বাক্ষরের দাবি বাংলাদেশের

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:১৯:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩৬ বার দেখা হয়েছে

গঙ্গা নদীর পানি বণ্টন সংক্রান্ত ভারতের সঙ্গে বিদ্যমান চুক্তি নবায়ন না করে একটি নতুন চুক্তি স্বাক্ষরের ওপর জোর দিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন এই চুক্তিতে সুনির্দিষ্ট গ্যারান্টি ক্লজ রাখার পাশাপাশি দেশের স্বার্থের পূর্ণাঙ্গ সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাজধানীতে নদী সংক্রান্ত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এই গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানের কথা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন।

পানিসম্পদমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, নদীগুলো বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হলেও বর্তমানে অপরিকল্পিত শিল্পায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক বিরূপ প্রভাবে নদীগুলো ভয়াবহ হুমকির মুখে পড়েছে। নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও পরিবেশ রক্ষা করতে হলে দূষণের প্রকৃত কারণগুলো নিভৃতে চিহ্নিত করে অবিলম্বে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদী উদ্যোগ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকার ঐতিহাসিক বুড়িগঙ্গা নদী এখনো প্রশাসনের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে টিকে রয়েছে এবং এই নদী রক্ষায় দূষণের উৎসগুলো কঠোরহস্তে দমন করার ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন।

অনুষ্ঠানে দেশের নদী দূষণ ও এর ভয়াবহ অর্থনৈতিক প্রভাব তুলে ধরে আরও জানানো হয় যে, শুধু ঢাকা মহানগরেই প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার ৯০০ মিলিয়ন লিটার বর্জ্য উৎপাদিত হয়। এর মধ্যে ভয়াবহ ব্যাপার হলো—প্রায় ১ হাজার ৫০০ মিলিয়ন লিটার অপরিশোধিত বর্জ্য সরাসরি নদীর পানিতে গিয়ে মিশছে। এর ফলে নদীমাতৃক দেশের পরিবেশ ধ্বংস হওয়ার পাশাপাশি প্রতিবছর বাংলাদেশকে বিলিয়ন ডলারের বিশাল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। সার্বিক এই পরিস্থিতি বিবেচনায় নদী দূষণ রোধ, নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ এবং পানির সুপেয় প্রবাহ সুরক্ষায় আগামী দিনে আরও কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর অনুষ্ঠানে সমবেতভাবে জোর দেওয়া হয়।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

গঙ্গা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি স্বাক্ষরের দাবি বাংলাদেশের

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:১৯:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গঙ্গা নদীর পানি বণ্টন সংক্রান্ত ভারতের সঙ্গে বিদ্যমান চুক্তি নবায়ন না করে একটি নতুন চুক্তি স্বাক্ষরের ওপর জোর দিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন এই চুক্তিতে সুনির্দিষ্ট গ্যারান্টি ক্লজ রাখার পাশাপাশি দেশের স্বার্থের পূর্ণাঙ্গ সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাজধানীতে নদী সংক্রান্ত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এই গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানের কথা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন।

পানিসম্পদমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, নদীগুলো বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হলেও বর্তমানে অপরিকল্পিত শিল্পায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক বিরূপ প্রভাবে নদীগুলো ভয়াবহ হুমকির মুখে পড়েছে। নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও পরিবেশ রক্ষা করতে হলে দূষণের প্রকৃত কারণগুলো নিভৃতে চিহ্নিত করে অবিলম্বে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদী উদ্যোগ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকার ঐতিহাসিক বুড়িগঙ্গা নদী এখনো প্রশাসনের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে টিকে রয়েছে এবং এই নদী রক্ষায় দূষণের উৎসগুলো কঠোরহস্তে দমন করার ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন।

অনুষ্ঠানে দেশের নদী দূষণ ও এর ভয়াবহ অর্থনৈতিক প্রভাব তুলে ধরে আরও জানানো হয় যে, শুধু ঢাকা মহানগরেই প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার ৯০০ মিলিয়ন লিটার বর্জ্য উৎপাদিত হয়। এর মধ্যে ভয়াবহ ব্যাপার হলো—প্রায় ১ হাজার ৫০০ মিলিয়ন লিটার অপরিশোধিত বর্জ্য সরাসরি নদীর পানিতে গিয়ে মিশছে। এর ফলে নদীমাতৃক দেশের পরিবেশ ধ্বংস হওয়ার পাশাপাশি প্রতিবছর বাংলাদেশকে বিলিয়ন ডলারের বিশাল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। সার্বিক এই পরিস্থিতি বিবেচনায় নদী দূষণ রোধ, নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ এবং পানির সুপেয় প্রবাহ সুরক্ষায় আগামী দিনে আরও কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর অনুষ্ঠানে সমবেতভাবে জোর দেওয়া হয়।