Dhaka ০৫:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

মন্ত্রী-এমপিদের সুবিধা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত মানা হবে না: বিরোধীদলীয় নেতা

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৩২:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১২ বার দেখা হয়েছে

মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের সুবিধা বৃদ্ধির কোনো সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে আল-ফালাহ মিলনায়তনে জামায়াত-বিষয়ক সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এই ঘোষণা দেন। এ সময় দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বিরোধীদলীয় নেতা গণমাধ্যমের প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরে বলেন, পে-স্কেলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি কিছু মহল প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য এবং সংসদ সদস্যদের আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়টিও বিবেচনা করছে। তিনি মনে করেন, এটি একটি অসঙ্গত ও অন্যায় সিদ্ধান্ত হবে। বিরোধী দল হিসেবে তারা এমনটি চান না এবং জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে তিনি বলছেন, তারা এটি চান না। তিনি বলেন, তারা অর্থ দিয়ে সংসদ সদস্য হতে চাননি, বেতনের বিনিময়ে সংসদ সদস্যগিরি করতে চাননি। তারা জনগণের প্রয়োজনে সেখানে গেছেন। যদি ১৮ কোটি মানুষের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন হয়, তবে তাদের আপত্তি নেই এবং সেদিন তারা সবার অংশীদার হতে পারেন, কিন্তু তার আগে নয়।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকার এ ধরনের কোনো উদ্যোগ নিলে তারা অবশ্যই প্রতিবাদ জানাবেন এবং বাধা দেবেন। তিনি সরকারকে এমন উদ্যোগ না নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, গোটা সমাজ একটি সংকটের মধ্যে পড়ে হাবুডুবু খাচ্ছে, আর সংসদ সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে—এটা প্রশ্নই আসে না। এ বিষয়ে সরকারকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

বিরোধীদলীয় নেতা আরও বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর দুটি শপথ নেওয়ার কথা থাকলেও বিএনপি একটি নেয়নি। সেখান থেকেই সংকট শুরু হয়েছে। নির্বাচনের আগে সবাই একই জায়গায় ছিলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে ভোট চাওয়া হয়েছিল এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচনের পর সেই অবস্থান থেকে সরে যাওয়া হয়। তিনি তাদের এই অবস্থান থেকে সরে না যাওয়ার অনুরোধ করলেও তারা শোনেননি। তিনি বলেন, সংসদে ইচ্ছা করলেই যেকোনো বিষয়ে কথা বলা যায় না। একাত্তর বিধিতে নোটিশ দিলে দুই বা এক মিনিটের আলোচনা হয়। বিশেষ কোনো বিষয়ে কথা বলতে ৬২ বা ৬৮ ধারায় নোটিশ দিতে হয়। তারা ৬২ ধারায় দুটি নোটিশ আলোচনা করেছেন—একটি তাদের পক্ষ থেকে, অন্যটি সরকারি দলের পক্ষ থেকে। এরপর জনগুরুত্বপূর্ণ হিসেবে জ্বালানি তেল সম্পর্কে তৃতীয় নোটিশ দেওয়া হলেও তা শোনেনি। পরে তা ৬৮ ধারায় সংক্ষিপ্ত আলোচনার জন্য দিতে বলায় তারা তাই দেন। এ নিয়ে আলো…

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

মন্ত্রী-এমপিদের সুবিধা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত মানা হবে না: বিরোধীদলীয় নেতা

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৩২:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের সুবিধা বৃদ্ধির কোনো সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে আল-ফালাহ মিলনায়তনে জামায়াত-বিষয়ক সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এই ঘোষণা দেন। এ সময় দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বিরোধীদলীয় নেতা গণমাধ্যমের প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরে বলেন, পে-স্কেলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি কিছু মহল প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য এবং সংসদ সদস্যদের আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়টিও বিবেচনা করছে। তিনি মনে করেন, এটি একটি অসঙ্গত ও অন্যায় সিদ্ধান্ত হবে। বিরোধী দল হিসেবে তারা এমনটি চান না এবং জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে তিনি বলছেন, তারা এটি চান না। তিনি বলেন, তারা অর্থ দিয়ে সংসদ সদস্য হতে চাননি, বেতনের বিনিময়ে সংসদ সদস্যগিরি করতে চাননি। তারা জনগণের প্রয়োজনে সেখানে গেছেন। যদি ১৮ কোটি মানুষের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন হয়, তবে তাদের আপত্তি নেই এবং সেদিন তারা সবার অংশীদার হতে পারেন, কিন্তু তার আগে নয়।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকার এ ধরনের কোনো উদ্যোগ নিলে তারা অবশ্যই প্রতিবাদ জানাবেন এবং বাধা দেবেন। তিনি সরকারকে এমন উদ্যোগ না নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, গোটা সমাজ একটি সংকটের মধ্যে পড়ে হাবুডুবু খাচ্ছে, আর সংসদ সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে—এটা প্রশ্নই আসে না। এ বিষয়ে সরকারকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

বিরোধীদলীয় নেতা আরও বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর দুটি শপথ নেওয়ার কথা থাকলেও বিএনপি একটি নেয়নি। সেখান থেকেই সংকট শুরু হয়েছে। নির্বাচনের আগে সবাই একই জায়গায় ছিলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে ভোট চাওয়া হয়েছিল এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচনের পর সেই অবস্থান থেকে সরে যাওয়া হয়। তিনি তাদের এই অবস্থান থেকে সরে না যাওয়ার অনুরোধ করলেও তারা শোনেননি। তিনি বলেন, সংসদে ইচ্ছা করলেই যেকোনো বিষয়ে কথা বলা যায় না। একাত্তর বিধিতে নোটিশ দিলে দুই বা এক মিনিটের আলোচনা হয়। বিশেষ কোনো বিষয়ে কথা বলতে ৬২ বা ৬৮ ধারায় নোটিশ দিতে হয়। তারা ৬২ ধারায় দুটি নোটিশ আলোচনা করেছেন—একটি তাদের পক্ষ থেকে, অন্যটি সরকারি দলের পক্ষ থেকে। এরপর জনগুরুত্বপূর্ণ হিসেবে জ্বালানি তেল সম্পর্কে তৃতীয় নোটিশ দেওয়া হলেও তা শোনেনি। পরে তা ৬৮ ধারায় সংক্ষিপ্ত আলোচনার জন্য দিতে বলায় তারা তাই দেন। এ নিয়ে আলো…