Dhaka ০৫:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ফুটপাতে শ্রমিকের মৃত্যু: কিশোর চালককে ছেড়ে দেওয়ার পর ফের গ্রেপ্তার

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:১০:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২২ বার দেখা হয়েছে

রাজধানীর বারিধারায় ফুটপাতে বসে থাকা নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসানকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যার ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে। দুর্ঘটনার পর আটক করা হলেও ছেড়ে দেওয়া ১৬ বছর বয়সী কিশোর চালককে পরে আবার হেফাজতে নিয়ে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এর আগে মামলায় তার নাম না থাকায় এবং গাড়ির চালক হিসেবে ৪৪ বছর বয়সী আকাশ মারকের নাম আসায় প্রশ্ন উঠেছিল, দুর্ঘটনার সময় গাড়ির স্টিয়ারিংয়ে আসলে কে ছিলেন?

পুলিশের সর্বশেষ বক্তব্য অনুযায়ী, তদন্তে কিশোরের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মামলার অপর আসামি আকাশ মারক এখনো পলাতক রয়েছেন। দুর্ঘটনায় ব্যবহৃত গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল পাঁচটার দিকে রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোনের ১ নম্বর সড়কে এই দুর্ঘটনায় ২৪ বছর বয়সী মেহেদী নিহত হন। তার বাড়ি নীলফামারীর ডোমার উপজেলার সোনারায় গ্রামে।

দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনতা গাড়ির চালকের আসনে থাকা কিশোরকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। পুলিশ তাকে হেফাজতে নিলেও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তার চাচার জিম্মায় ছেড়ে দেয়। সে সময় পুলিশের ভাষ্য ছিল, উত্তেজিত জনতার হাতে কিশোরটি যাতে হামলার শিকার না হয়, সেজন্য তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল এবং প্রয়োজনে তাকে আবার হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে পরবর্তী তদন্তে তার সম্পৃক্ততা পাওয়ার কথা জানিয়ে বুধবার তাকে পুনরায় হেফাজতে নিয়ে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গুলশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইসমাইল হোসেন জানান, কিশোরকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

নিহত মেহেদীর বড় ভাই মোক্তাদীর ইসলাম বাদী হয়ে সড়ক পরিবহন আইনে গুলশান থানায় মামলা দায়ের করেন। এজাহারে গাড়ির চালক হিসেবে আকাশ মারকের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল এবং কিশোরকে আসামি করা হয়নি। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে আকাশ মেহেদীকে চাপা দেন, এতে গুরুতর আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর থেকে আকাশ পলাতক।

মামলায় কিশোরের নাম না থাকার কারণ সম্পর্কে নিহতের ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে এজাহারে আকাশ মারকের নাম আসার পেছনে বাদীর বক্তব্য বা ঘটনার অন্য কোনো বিবরণ এখনো জানা যায়নি।

দুর্ঘটনার একটি সিসিটিভি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যায়, একটি কালো রঙের গাড়ি দ্রুতগতিতে এসে ফুটপাতে উঠে পড়ে এবং সেখানে বসে থাকা মেহেদীকে চাপা দেয়।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ফুটপাতে শ্রমিকের মৃত্যু: কিশোর চালককে ছেড়ে দেওয়ার পর ফের গ্রেপ্তার

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:১০:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর বারিধারায় ফুটপাতে বসে থাকা নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসানকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যার ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে। দুর্ঘটনার পর আটক করা হলেও ছেড়ে দেওয়া ১৬ বছর বয়সী কিশোর চালককে পরে আবার হেফাজতে নিয়ে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এর আগে মামলায় তার নাম না থাকায় এবং গাড়ির চালক হিসেবে ৪৪ বছর বয়সী আকাশ মারকের নাম আসায় প্রশ্ন উঠেছিল, দুর্ঘটনার সময় গাড়ির স্টিয়ারিংয়ে আসলে কে ছিলেন?

পুলিশের সর্বশেষ বক্তব্য অনুযায়ী, তদন্তে কিশোরের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মামলার অপর আসামি আকাশ মারক এখনো পলাতক রয়েছেন। দুর্ঘটনায় ব্যবহৃত গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল পাঁচটার দিকে রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোনের ১ নম্বর সড়কে এই দুর্ঘটনায় ২৪ বছর বয়সী মেহেদী নিহত হন। তার বাড়ি নীলফামারীর ডোমার উপজেলার সোনারায় গ্রামে।

দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনতা গাড়ির চালকের আসনে থাকা কিশোরকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। পুলিশ তাকে হেফাজতে নিলেও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তার চাচার জিম্মায় ছেড়ে দেয়। সে সময় পুলিশের ভাষ্য ছিল, উত্তেজিত জনতার হাতে কিশোরটি যাতে হামলার শিকার না হয়, সেজন্য তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল এবং প্রয়োজনে তাকে আবার হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে পরবর্তী তদন্তে তার সম্পৃক্ততা পাওয়ার কথা জানিয়ে বুধবার তাকে পুনরায় হেফাজতে নিয়ে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গুলশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইসমাইল হোসেন জানান, কিশোরকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

নিহত মেহেদীর বড় ভাই মোক্তাদীর ইসলাম বাদী হয়ে সড়ক পরিবহন আইনে গুলশান থানায় মামলা দায়ের করেন। এজাহারে গাড়ির চালক হিসেবে আকাশ মারকের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল এবং কিশোরকে আসামি করা হয়নি। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে আকাশ মেহেদীকে চাপা দেন, এতে গুরুতর আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর থেকে আকাশ পলাতক।

মামলায় কিশোরের নাম না থাকার কারণ সম্পর্কে নিহতের ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে এজাহারে আকাশ মারকের নাম আসার পেছনে বাদীর বক্তব্য বা ঘটনার অন্য কোনো বিবরণ এখনো জানা যায়নি।

দুর্ঘটনার একটি সিসিটিভি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যায়, একটি কালো রঙের গাড়ি দ্রুতগতিতে এসে ফুটপাতে উঠে পড়ে এবং সেখানে বসে থাকা মেহেদীকে চাপা দেয়।