ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাটে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় করা মামলার অন্যতম আসামি ও মরিয়মের মামা ওবায়দুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তারের পর তাকে ঢাকার আদালতে হাজির করা হলে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। তদন্তকারীদের দাবি, মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় ওবায়দুল্লাহর সম্পৃক্ততার বিষয়ে কিছু সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে।
ওবায়দুল্লাহকে গ্রেপ্তারের পর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে হাজির করে ডিবির তেজগাঁও জোনাল টিমের পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সালাউদ্দিন তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, মরিয়মের আত্মহত্যার ঘটনায় ওবায়দুল্লাহর সম্পৃক্ততার বিষয়ে সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। মামলার তদন্ত সুষ্ঠুভাবে এগিয়ে নেওয়া এবং ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাকে কারাগারে রাখার প্রয়োজন রয়েছে। শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন জাতীয় সংসদ ভবনের বিপরীতে ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, ফ্ল্যাটের একটি কক্ষের দরজা ভেঙে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি পিবিআই ও সিআইডির ফরেনসিক সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুল্লাহকে আসামি করা হয়।
মামলা হওয়ার পর গাজী নজরুল ও মাকছুদাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে নেওয়া হয়। ২১ সেপ্টেম্বর আদালত গাজী নজরুলকে চার দিনের এবং মাকছুদাকে এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে একদিনের রিমান্ড শেষে মাকছুদাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।
মামলাটির তদন্তভার ইতিমধ্যে শেরেবাংলা নগর থানা থেকে ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়েছে। ২২ সেপ্টেম্বর ডিবি আনুষ্ঠানিকভাবে মামলার নথি গ্রহণ করে।






















