Dhaka ০৪:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

বিগত সরকারের আমলে যত্রতত্র অনুমোদিত ক্লিনিকগুলো বন্ধের কঠোর হুঁশিয়ারি

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১২:৫৬:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩৭ বার দেখা হয়েছে

সরকারি হাসপাতালের সামনে কিংবা কাছাকাছি এলাকায় নতুন করে আর কোনো বেসরকারি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স বা অনুমোদন দেওয়া হবে না বলে অত্যন্ত স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বিগত সরকারের আমলে কোনো ধরনের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছাড়া ব্যাঙের ছাতার মতো যত্রতত্র অসংখ্য ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন প্রদান করা হয়েছিল বলে তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করার পর উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এই গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি আরও কঠোর সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন যে, বর্তমানে যে সমস্ত ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বৈধ অনুমোদন রয়েছে, সেগুলোর কার্যক্রম যদি যথাযথ নিয়মনীতি ও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পরিচালিত না হয়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলোও বন্ধ করে দেওয়া হবে।

দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার বিভিন্ন যুগোপযোগী উদ্যোগের কথা তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান যে, আগামী অক্টোবর মাস থেকেই গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিকে বর্তমানের ৫০ শয্যার সক্ষমতা থেকে বাড়িয়ে ১৫১ শয্যা বিশিষ্ট একটি পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে উন্নীতকরণের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে। শুধু তাই নয়, আগামী দুই বছরের মধ্যে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে একসঙ্গে অন্তত ১০ জন রোগী ডায়ালাইসিস সেবা গ্রহণ করতে পারবেন এমন আধুনিক ব্যবস্থা চালুর পাশাপাশি একটি সর্বাধুনিক প্যাথলজি ল্যাব এবং পুরুষ ও নারীদের জন্য সম্পূর্ণ পৃথক দুটি ফিজিওথেরাপি সেন্টার স্থাপন করা হবে বলেও তিনি জোরালো আশ্বাস প্রদান করেন।

উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টিভেনম সরবরাহ থাকার পরেও সাপের কামড়ে রোগীর মৃত্যুর অনভিপ্রেত ঘটনাগুলোর বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দিয়ে মন্ত্রী বলেন যে, সাপে দংশন করার পর রোগী প্রকৃতপক্ষেই কোনো বিষধর সাপের আক্রমণের শিকার হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করার জন্য চিকিৎসকদের কিছু সময় ধরে রোগীকে পর্যবেক্ষণে রাখতে হয়। অনেক ক্ষেত্রেই মুমূর্ষু রোগীকে হাসপাতালে পৌঁছাতে অতিরিক্ত দেরি হয়ে যাওয়ার কারণে তাদের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন পর্যায়ে চলে যায়। তাই সাপের দংশনের মতো বিপজ্জনক ঘটনায় মুহূর্তও বিলম্ব না করে দ্রুত রোগীকে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে আসার জন্য তিনি সর্বসাধারণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান এবং দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে জীবনরক্ষাকারী অ্যান্টিভেনমের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় নিশ্চিত করেন। উল্লেখ্য, এই আকস্মিক পরিদর্শনের সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন ছাড়াও গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফছা নাদিয়া, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন আহমেদ তিথী, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. নুসরাত ফারজানা খান এবং উক্ত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অন্যান্য দায়িত্বশীল কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

বিগত সরকারের আমলে যত্রতত্র অনুমোদিত ক্লিনিকগুলো বন্ধের কঠোর হুঁশিয়ারি

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১২:৫৬:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি হাসপাতালের সামনে কিংবা কাছাকাছি এলাকায় নতুন করে আর কোনো বেসরকারি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স বা অনুমোদন দেওয়া হবে না বলে অত্যন্ত স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বিগত সরকারের আমলে কোনো ধরনের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছাড়া ব্যাঙের ছাতার মতো যত্রতত্র অসংখ্য ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন প্রদান করা হয়েছিল বলে তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করার পর উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এই গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি আরও কঠোর সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন যে, বর্তমানে যে সমস্ত ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বৈধ অনুমোদন রয়েছে, সেগুলোর কার্যক্রম যদি যথাযথ নিয়মনীতি ও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পরিচালিত না হয়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলোও বন্ধ করে দেওয়া হবে।

দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার বিভিন্ন যুগোপযোগী উদ্যোগের কথা তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান যে, আগামী অক্টোবর মাস থেকেই গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিকে বর্তমানের ৫০ শয্যার সক্ষমতা থেকে বাড়িয়ে ১৫১ শয্যা বিশিষ্ট একটি পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে উন্নীতকরণের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে। শুধু তাই নয়, আগামী দুই বছরের মধ্যে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে একসঙ্গে অন্তত ১০ জন রোগী ডায়ালাইসিস সেবা গ্রহণ করতে পারবেন এমন আধুনিক ব্যবস্থা চালুর পাশাপাশি একটি সর্বাধুনিক প্যাথলজি ল্যাব এবং পুরুষ ও নারীদের জন্য সম্পূর্ণ পৃথক দুটি ফিজিওথেরাপি সেন্টার স্থাপন করা হবে বলেও তিনি জোরালো আশ্বাস প্রদান করেন।

উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টিভেনম সরবরাহ থাকার পরেও সাপের কামড়ে রোগীর মৃত্যুর অনভিপ্রেত ঘটনাগুলোর বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দিয়ে মন্ত্রী বলেন যে, সাপে দংশন করার পর রোগী প্রকৃতপক্ষেই কোনো বিষধর সাপের আক্রমণের শিকার হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করার জন্য চিকিৎসকদের কিছু সময় ধরে রোগীকে পর্যবেক্ষণে রাখতে হয়। অনেক ক্ষেত্রেই মুমূর্ষু রোগীকে হাসপাতালে পৌঁছাতে অতিরিক্ত দেরি হয়ে যাওয়ার কারণে তাদের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন পর্যায়ে চলে যায়। তাই সাপের দংশনের মতো বিপজ্জনক ঘটনায় মুহূর্তও বিলম্ব না করে দ্রুত রোগীকে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে আসার জন্য তিনি সর্বসাধারণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান এবং দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে জীবনরক্ষাকারী অ্যান্টিভেনমের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় নিশ্চিত করেন। উল্লেখ্য, এই আকস্মিক পরিদর্শনের সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন ছাড়াও গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফছা নাদিয়া, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন আহমেদ তিথী, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. নুসরাত ফারজানা খান এবং উক্ত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অন্যান্য দায়িত্বশীল কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।