Dhaka ০৪:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ইয়া নবী সালাম আলাইকা ইয়া রাসূল সালাম আলাইকা

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:২৮:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩১ বার দেখা হয়েছে

মিয়া হোসেনইসলামিক কোর্স করুন

মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে মানবজাতির জন্য প্রেরিত সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ নেতা। তিনি মদিনা সনদ রচনা করে বিশ্বের বুকে সকলের জন্য সর্বপ্রথম লিখিত সংবিধান প্রণেতা হিসেবে সর্বোচ্চ মর্যাদায় স্মরণীয় হয়ে আছেন। মুহাম্মদ (সা.) এর চরিত্রে মানবীয় গুণাবলীর সকল বৈশিষ্ট্যের চূড়ান্ত সম্মিলন ঘটেছিল। তিনি মানুষ ছিলেন বটে তবে হযরত মুহাম্মদ (সা.)’র কাছে ওহী আসতো। এ সম্পর্কে রাসূল (সা.) বলেন, আমি তোমাদের মতো মানুষ ভিন্ন অন্য কিছু নই। তবে আমার প্রতি ওহী নাযিল হয়। মহানবী (সা.) সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, মুহাম্মদ তোমাদের মধ্যে কোন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের পিতা নন। তিনি রাসূল সা. ও শেষ নবী (সূরা আহযাব-৪০)। একজন রাসূল হিসেবে মুহাম্মদ (সা.)’র দায়িত্ব ছিল মানুষকে আল্লাহর দিকে আহ্বান করা, সতর্ক করা, সুসংবাদ দেয়া। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন, হে নবী, আমি আপনাকে পাঠিয়েছি সাক্ষীরূপে, সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে আর আল্লাহর অনুমতিক্রমে তাঁর দিকে আহ্বানকারীরূপে এবং প্রদীপ্তরূপে (সূরা আহযাব-৪৫, ৪৬)।

মুহাম্মদ (সা.) তাঁর ওপর অর্পিত সকল দায়িত্ব পালন করে অসভ্য বর্বর জাতি ও সমাজে একটি শান্তিময় ইসলামী রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রমাণ করে দিয়েছেন একমাত্র আল্লাহর দেয়া বিধান ছাড়া মানব রচিত অন্য কোন বিধানে শান্তি ও কল্যাণ নেই। আজও যদি আমরা রাসূলের প্রতিষ্ঠিত সেই রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে পারি এবং আল্লাহর দেয়া বিধান মেনে চলতে পারি তাহলে অশান্ত ও অস্থির বিশে¡ আবার শান্তি ও সুষম সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।প্যারানরমাল বই খুঁজুন

ন্যায়পরায়ণতা এক উৎকৃষ্ট মানবীয় চরিত্র ও অত্যাবশ্যকীয় বিশেষ গুণ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ গুণেগুণানি¡ত ছিলেন। এ সম্পর্কে অনেক ঘটনাবলি বর্ণিত হয়েছে। নীচে প্রসিদ্ধ কয়েকটি উল্লেখ করা হল।

মাখযুমিয়্যাহ যখন চুরি করল, সে অভিজাত পরিবারের সদস্য হওয়ায় কিছু সাহাবায়ে কেরামের নিকট তার ওপর হাত কর্তনের মত দ–বিধি বাস্তবায়ন করা কঠিন মনে হল। এমনকি উসামা বিন যায়েদ তাদের প্রতিনিধি হয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে তার ব্যাপারে সুপারিশ করলেন। জওয়াবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : হে উসামা ! তুমি কি আল্লাহ কর্তৃক অবধারিত দন্ডবিধি মওকুফের ব্যাপারে সুপারিশ করছো? আল্লাহর কসম ! মুহাম্মদের মেয়ে ফাতেমাও যদি চুরি করে অবশ্যই আমি তার হাত কেটে দেব। (মুসলিম-৩১৯৬)অডিও বুক শুনুন

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ইয়া নবী সালাম আলাইকা ইয়া রাসূল সালাম আলাইকা

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:২৮:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মিয়া হোসেনইসলামিক কোর্স করুন

মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে মানবজাতির জন্য প্রেরিত সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ নেতা। তিনি মদিনা সনদ রচনা করে বিশ্বের বুকে সকলের জন্য সর্বপ্রথম লিখিত সংবিধান প্রণেতা হিসেবে সর্বোচ্চ মর্যাদায় স্মরণীয় হয়ে আছেন। মুহাম্মদ (সা.) এর চরিত্রে মানবীয় গুণাবলীর সকল বৈশিষ্ট্যের চূড়ান্ত সম্মিলন ঘটেছিল। তিনি মানুষ ছিলেন বটে তবে হযরত মুহাম্মদ (সা.)’র কাছে ওহী আসতো। এ সম্পর্কে রাসূল (সা.) বলেন, আমি তোমাদের মতো মানুষ ভিন্ন অন্য কিছু নই। তবে আমার প্রতি ওহী নাযিল হয়। মহানবী (সা.) সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, মুহাম্মদ তোমাদের মধ্যে কোন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের পিতা নন। তিনি রাসূল সা. ও শেষ নবী (সূরা আহযাব-৪০)। একজন রাসূল হিসেবে মুহাম্মদ (সা.)’র দায়িত্ব ছিল মানুষকে আল্লাহর দিকে আহ্বান করা, সতর্ক করা, সুসংবাদ দেয়া। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন, হে নবী, আমি আপনাকে পাঠিয়েছি সাক্ষীরূপে, সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে আর আল্লাহর অনুমতিক্রমে তাঁর দিকে আহ্বানকারীরূপে এবং প্রদীপ্তরূপে (সূরা আহযাব-৪৫, ৪৬)।

মুহাম্মদ (সা.) তাঁর ওপর অর্পিত সকল দায়িত্ব পালন করে অসভ্য বর্বর জাতি ও সমাজে একটি শান্তিময় ইসলামী রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রমাণ করে দিয়েছেন একমাত্র আল্লাহর দেয়া বিধান ছাড়া মানব রচিত অন্য কোন বিধানে শান্তি ও কল্যাণ নেই। আজও যদি আমরা রাসূলের প্রতিষ্ঠিত সেই রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে পারি এবং আল্লাহর দেয়া বিধান মেনে চলতে পারি তাহলে অশান্ত ও অস্থির বিশে¡ আবার শান্তি ও সুষম সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।প্যারানরমাল বই খুঁজুন

ন্যায়পরায়ণতা এক উৎকৃষ্ট মানবীয় চরিত্র ও অত্যাবশ্যকীয় বিশেষ গুণ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ গুণেগুণানি¡ত ছিলেন। এ সম্পর্কে অনেক ঘটনাবলি বর্ণিত হয়েছে। নীচে প্রসিদ্ধ কয়েকটি উল্লেখ করা হল।

মাখযুমিয়্যাহ যখন চুরি করল, সে অভিজাত পরিবারের সদস্য হওয়ায় কিছু সাহাবায়ে কেরামের নিকট তার ওপর হাত কর্তনের মত দ–বিধি বাস্তবায়ন করা কঠিন মনে হল। এমনকি উসামা বিন যায়েদ তাদের প্রতিনিধি হয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে তার ব্যাপারে সুপারিশ করলেন। জওয়াবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : হে উসামা ! তুমি কি আল্লাহ কর্তৃক অবধারিত দন্ডবিধি মওকুফের ব্যাপারে সুপারিশ করছো? আল্লাহর কসম ! মুহাম্মদের মেয়ে ফাতেমাও যদি চুরি করে অবশ্যই আমি তার হাত কেটে দেব। (মুসলিম-৩১৯৬)অডিও বুক শুনুন