প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র সফরকে কেবল একটি প্রথাগত বিদেশ সফর হিসেবে না দেখে, এটিকে বাংলাদেশের স্বার্থ, সম্মান, মর্যাদা এবং ভবিষ্যৎ রূপকল্পের ক্ষেত্রে বিশ্বমঞ্চে একটি নতুন ইতিহাসের সূচনা বলে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এই সফর কেবল জাতিসংঘে দেশের উপস্থিতি নিশ্চিত করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা অবিরাম সংগ্রাম, ত্যাগ ও গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে অর্জিত জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষারই এক আন্তর্জাতিক বহিঃপ্রকাশ।
মাসের এই গুরুত্বপূর্ণ সফরে সর্বোচ্চ মিতব্যয়িতা ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। মাত্র ছয় দিনের এই সংক্ষিপ্ত সফরে যাতায়াতে দুই দিন বাদ দিলে নিউইয়র্কে কাজের সময় রয়েছে মাত্র চার দিন। এই স্বল্পতম সময়ে এক মুহূর্তও নষ্ট না করে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে উচ্চপর্যায়ের বিভিন্ন কর্মসূচি, বহুপাক্ষিক ও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক এবং জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক কার্যক্রমে অত্যন্ত ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করবেন। সরকারি খরচে কৃচ্ছ্রসাধন ও দায়িত্বশীলতার অনন্য নজির হিসেবে এই সফরে মাত্র ৩৫ জনের একটি সংক্ষিপ্ত আনুষ্ঠানিক প্রতিনিধিদল অংশ নিচ্ছে, যার মধ্যে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারী মিলিয়ে ১৫ জন এবং বাকিরা নিরাপত্তা, গণমাধ্যম ও ব্যক্তিগত দায়িত্ব পালনের সঙ্গে যুক্ত অত্যাবশ্যকীয় ব্যক্তিবর্গ।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে মাহদী আমিন আরও উল্লেখ করেন যে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পর তাদেরই সুযোগ্য উত্তরসূরি, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের মানুষের কথা তুলে ধরবেন। একই পরিবারের তৃতীয় প্রতিনিধি হিসেবে বিশ্বসভায় বাংলাদেশের মানুষের কণ্ঠস্বর, সরকারের নীতি এবং দেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপস্থাপন করার এই ঐতিহাসিক সুযোগ দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রাকে আরও সুদৃঢ় করবে। বিপুল জনগণের ম্যান্ডেট এবং গণতান্ত্রিক শক্তির এই প্রতিনিধিত্ব বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের অবস্থানকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।






















