কাতারের মধ্যস্থতায় ইরানের জব্দ করা ৬০০ কোটি ডলারের বেশি সম্পদ ছাড়ের বিষয়ে পরোক্ষ আলোচনা চলছে। এই অর্থ ছাড়ের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করা এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা শুরুর পথ তৈরি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে ওয়াশিংটনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকা উপসাগরীয় দেশগুলো সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
কাতারের রাজধানী দোহায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এই পরোক্ষ আলোচনা তৃতীয় দিনে গড়িয়েছে। আগামী মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর প্রত্যাশা করা হলেও বর্তমান অনিশ্চয়তার কারণে উপসাগরীয় অঞ্চলের কর্মকর্তারা সম্ভাব্য সব ধরনের খারাপ পরিস্থিতির জন্য নিজেদের প্রস্তুত রাখছেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ জানিয়েছেন, উত্তেজনা বৃদ্ধি কোনো দেশের জন্যই কল্যাণকর নয়, তবে পরিস্থিতি জটিল হলে তার মোকাবিলার প্রস্তুতি তাদের রয়েছে। দুই পক্ষের মধ্যকার আস্থার সংকট দূর করতে কাতার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, হরমুজ প্রণালি উন্মুক্তকরণ এবং পরমাণু আলোচনা শুরুর একটি সমন্বিত রূপরেখা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।























