Dhaka ০৪:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

পুলিশ সদরদপ্তরে ৩৫৭ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি ও শৃঙ্খলাভঙ্গের তথ্য তলব

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:১২:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • ২ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে বর্তমানে কর্মরত ৩০তম এবং ৩১তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ৩৫৭ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ফোজদারি মামলা ও বিভাগীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ সংক্রান্ত যাবতীয় বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। এ উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট সকল পুলিশ ইউনিটে জরুরি দাপ্তরিক চিঠি পাঠিয়ে আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যে প্রয়োজনীয় যাবতীয় হালনাগাদ তথ্য দাখিলের কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত রোববার (১ নভেম্বর) পুলিশ সদর দপ্তরের ক্রাইম অ্যানালাইসিস শাখা থেকে এই বিশেষ চিঠিটি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠানো হয়। চিঠির মাধ্যমে ৩০তম বিসিএসের ১৭৯ জন এবং ৩১তম বিসিএসের ১৭৮ জন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে থাকা মামলা ও অভিযোগের বিস্তারিত তথ্য আহ্বান করা হয়েছে।

প্র প্রেরিত চিঠিতে উক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আদালতে কোনো ফৌজদারি মামলা চলমান রয়েছে কি না এবং মামলা থেকে থাকলে তার বর্তমান সর্বশেষ অবস্থা ও হালনাগাদ বিবরণী দ্রুত জানাতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে হার্ডকপি এবং ই-মেইলে সফটকপি—উভয় মাধ্যমেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সদরদপ্তরে পাঠাতে হবে।

পুলিশ সদরদপ্তরের এআইজি (ক্রাইম অ্যানালাইসিস) মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ স্বাক্ষরিত এই গুরুত্বপুর্ণ চিঠিটি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার, রেলওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (আইজিপি), বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) এবং সকল মহানগর পুলিশ কমিশনারদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) পুলিশ সদর দপ্তরের পারসোনেল ম্যানেজমেন্ট-১ শাখা থেকেও উক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে চলা বিভাগীয় শৃঙ্খলা এবং ফৌজদারি মামলা-সংক্রান্ত তথ্য জরুরি ভিত্তিতে পাঠানোর আনুষ্ঠানিক আদেশ জারি করা হয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় এবার ক্রাইম অ্যানালাইসিস শাখা থেকে বিভিন্ন পুলিশ ইউনিটের কাছে মাঠপর্যায়ের সর্বশেষ তথ্য চাওয়া হলো।

পুলিশ সদরদপ্তরের তথ্য তলবের তালিকায় নাম থাকা ৩৫৭ জন কর্মকর্তার সবাই পদমর্যাদায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত এসপি) ও অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি)। তারা বর্তমানে পুলিশ সদর দপ্তর, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), বিভিন্ন রেঞ্জ ও জেলা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, শিল্পাঞ্চল পুলিশ এবং বিভিন্ন ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারসহ বাংলাদেশ পুলিশের নানা ইউনিটে দায়িত্ব পালন করছেন।

তালিকায় থাকা কর্মকর্তাদের বর্তমান কর্মস্থলের সংবেদনশীল তথ্যের পাশাপাশি কয়েকজনের বিশেষ প্রশাসনিক অবস্থার কথাও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে একজনকে ইতোমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত (সাসপেন্ড) হিসেবে দেখানো হয়েছে। এছাড়া অন্য এক কর্মকর্তা বর্তমানে প্রেষণে সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাসে কর্মরত রয়েছেন বলেও দাপ্তরিক নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

এই বিশেষ পদক্ষেপের বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সদর দপ্তরের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের এআইজি কামারুম মুনিরা জানান, এটি পুলিশের একটি নিয়মিত বা রুটিন কাজেরই অংশ হিসেবে চিঠি দেওয়া হয়েছে, এর পেছনে অন্য কোনো বিশেষ কারণ বা বিষয় নেই।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

পুলিশ সদরদপ্তরে ৩৫৭ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি ও শৃঙ্খলাভঙ্গের তথ্য তলব

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:১২:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে বর্তমানে কর্মরত ৩০তম এবং ৩১তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ৩৫৭ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ফোজদারি মামলা ও বিভাগীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ সংক্রান্ত যাবতীয় বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। এ উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট সকল পুলিশ ইউনিটে জরুরি দাপ্তরিক চিঠি পাঠিয়ে আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যে প্রয়োজনীয় যাবতীয় হালনাগাদ তথ্য দাখিলের কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত রোববার (১ নভেম্বর) পুলিশ সদর দপ্তরের ক্রাইম অ্যানালাইসিস শাখা থেকে এই বিশেষ চিঠিটি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠানো হয়। চিঠির মাধ্যমে ৩০তম বিসিএসের ১৭৯ জন এবং ৩১তম বিসিএসের ১৭৮ জন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে থাকা মামলা ও অভিযোগের বিস্তারিত তথ্য আহ্বান করা হয়েছে।

প্র প্রেরিত চিঠিতে উক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আদালতে কোনো ফৌজদারি মামলা চলমান রয়েছে কি না এবং মামলা থেকে থাকলে তার বর্তমান সর্বশেষ অবস্থা ও হালনাগাদ বিবরণী দ্রুত জানাতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে হার্ডকপি এবং ই-মেইলে সফটকপি—উভয় মাধ্যমেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সদরদপ্তরে পাঠাতে হবে।

পুলিশ সদরদপ্তরের এআইজি (ক্রাইম অ্যানালাইসিস) মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ স্বাক্ষরিত এই গুরুত্বপুর্ণ চিঠিটি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার, রেলওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (আইজিপি), বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) এবং সকল মহানগর পুলিশ কমিশনারদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) পুলিশ সদর দপ্তরের পারসোনেল ম্যানেজমেন্ট-১ শাখা থেকেও উক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে চলা বিভাগীয় শৃঙ্খলা এবং ফৌজদারি মামলা-সংক্রান্ত তথ্য জরুরি ভিত্তিতে পাঠানোর আনুষ্ঠানিক আদেশ জারি করা হয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় এবার ক্রাইম অ্যানালাইসিস শাখা থেকে বিভিন্ন পুলিশ ইউনিটের কাছে মাঠপর্যায়ের সর্বশেষ তথ্য চাওয়া হলো।

পুলিশ সদরদপ্তরের তথ্য তলবের তালিকায় নাম থাকা ৩৫৭ জন কর্মকর্তার সবাই পদমর্যাদায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত এসপি) ও অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি)। তারা বর্তমানে পুলিশ সদর দপ্তর, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), বিভিন্ন রেঞ্জ ও জেলা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, শিল্পাঞ্চল পুলিশ এবং বিভিন্ন ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারসহ বাংলাদেশ পুলিশের নানা ইউনিটে দায়িত্ব পালন করছেন।

তালিকায় থাকা কর্মকর্তাদের বর্তমান কর্মস্থলের সংবেদনশীল তথ্যের পাশাপাশি কয়েকজনের বিশেষ প্রশাসনিক অবস্থার কথাও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে একজনকে ইতোমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত (সাসপেন্ড) হিসেবে দেখানো হয়েছে। এছাড়া অন্য এক কর্মকর্তা বর্তমানে প্রেষণে সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাসে কর্মরত রয়েছেন বলেও দাপ্তরিক নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

এই বিশেষ পদক্ষেপের বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সদর দপ্তরের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের এআইজি কামারুম মুনিরা জানান, এটি পুলিশের একটি নিয়মিত বা রুটিন কাজেরই অংশ হিসেবে চিঠি দেওয়া হয়েছে, এর পেছনে অন্য কোনো বিশেষ কারণ বা বিষয় নেই।