Dhaka ০১:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

এইচএসসি ও সমমানের ফল: অকৃতকার্যদের পাশে দাঁড়াতে শিক্ষকদের প্রতি এনইউ উপাচার্যের আহ্বান

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:৪৭:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • ৮ বার দেখা হয়েছে

এইচএসসি ও সমমানের ফলাফলে হতাশ না হয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে উচ্চমাধ্যমিক কলেজগুলোর অধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।

তিনি বলেন, যেসব কলেজের শিক্ষার্থীরা অকৃতকার্য হয়েছে, সেসব কলেজের অধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের উচিত শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের নিয়ে বসে সমস্যার কারণ চিহ্নিত করা এবং সমাধানের পথ বের করা। কোনোভাবেই শিক্ষার্থীদের নিরুৎসাহিত করা যাবে না, বরং তাদের সাহস ও আত্মবিশ্বাস জোগাতে হবে।

উপাচার্য আরও পরামর্শ দেন যে, কলেজের নিয়মিত সময়ের বাইরে এবং শনিবারসহ ছুটির দিনগুলোতে প্রয়োজনে অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়া যেতে পারে। বিশেষ করে যেসব বিষয়ে শিক্ষার্থীরা বেশি অকৃতকার্য হয়েছে, সেসব বিষয়ের শিক্ষকদের বাড়িয়ে দেওয়া সময়ে শিক্ষার্থীদের তৈরি করতে হবে।

শনিবার ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর ফলাফল বিশ্লেষণ ও করণীয় বিষয়ে এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন। এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যা গত বছর ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

এবারের পাসের হার কমে যাওয়াকে ‘বিপর্যয়’ হিসেবে দেখছেন না জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এই উপাচার্য। তার মতে, শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে মূল্যায়ন ও জবাবদিহির ক্ষেত্রে যে পরিবর্তন আনা হচ্ছে, তার সাময়িক প্রভাব পড়েছে পাসের হারে। তবে আগামী পরীক্ষাগুলোতে পাসের হার আবার বেড়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদী।

ফলাফলে পাসের হার কমা প্রসঙ্গে ড. আমানুল্লাহ আরও বলেন, এইচএসসি পরীক্ষায় যে ফলাফল হয়েছে, সেটিকে আমি ফল বিপর্যয় মনে করি না, বরং স্বাভাবিক ফলাফলই বলব। শিক্ষার্থীদের যেভাবে শেখানো, গাইড করা এবং গুরুত্বপূর্ণ এই পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করা দরকার ছিল, হয়তো আমরা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে তা পারিনি। এ জন্য শিক্ষার্থীদের দোষ দিতে চাই না; আমাদের অক্ষমতাগুলো নিয়ে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফলের উদাহরণ দিয়ে তিনি জানান, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে পাস কোর্স ও প্রিলিমিনারি টু মাস্টার্স পরীক্ষায় পাসের হার অর্ধেকের নিচে নেমেছে এবং অনার্স পরীক্ষায় পাসের হারও ৬০ শতাংশের নিচে রয়েছে। খাতা মূল্যায়নে গুরুত্ব দেওয়া, পুনর্মূল্যায়ন এবং শিক্ষকদের জবাবদিহির আওতায় আনার কারণেই ফলাফলে এ ধরনের পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। এটি শিক্ষার মান বাড়ানোর উদ্যোগেরই অংশ।

জনপ্রিয়

মালদ্বীপের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ, প্রবাসীদের কল্যাণ নিয়ে আলোচনা

এইচএসসি ও সমমানের ফল: অকৃতকার্যদের পাশে দাঁড়াতে শিক্ষকদের প্রতি এনইউ উপাচার্যের আহ্বান

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:৪৭:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

এইচএসসি ও সমমানের ফলাফলে হতাশ না হয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে উচ্চমাধ্যমিক কলেজগুলোর অধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।

তিনি বলেন, যেসব কলেজের শিক্ষার্থীরা অকৃতকার্য হয়েছে, সেসব কলেজের অধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের উচিত শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের নিয়ে বসে সমস্যার কারণ চিহ্নিত করা এবং সমাধানের পথ বের করা। কোনোভাবেই শিক্ষার্থীদের নিরুৎসাহিত করা যাবে না, বরং তাদের সাহস ও আত্মবিশ্বাস জোগাতে হবে।

উপাচার্য আরও পরামর্শ দেন যে, কলেজের নিয়মিত সময়ের বাইরে এবং শনিবারসহ ছুটির দিনগুলোতে প্রয়োজনে অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়া যেতে পারে। বিশেষ করে যেসব বিষয়ে শিক্ষার্থীরা বেশি অকৃতকার্য হয়েছে, সেসব বিষয়ের শিক্ষকদের বাড়িয়ে দেওয়া সময়ে শিক্ষার্থীদের তৈরি করতে হবে।

শনিবার ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর ফলাফল বিশ্লেষণ ও করণীয় বিষয়ে এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন। এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যা গত বছর ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

এবারের পাসের হার কমে যাওয়াকে ‘বিপর্যয়’ হিসেবে দেখছেন না জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এই উপাচার্য। তার মতে, শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে মূল্যায়ন ও জবাবদিহির ক্ষেত্রে যে পরিবর্তন আনা হচ্ছে, তার সাময়িক প্রভাব পড়েছে পাসের হারে। তবে আগামী পরীক্ষাগুলোতে পাসের হার আবার বেড়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদী।

ফলাফলে পাসের হার কমা প্রসঙ্গে ড. আমানুল্লাহ আরও বলেন, এইচএসসি পরীক্ষায় যে ফলাফল হয়েছে, সেটিকে আমি ফল বিপর্যয় মনে করি না, বরং স্বাভাবিক ফলাফলই বলব। শিক্ষার্থীদের যেভাবে শেখানো, গাইড করা এবং গুরুত্বপূর্ণ এই পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করা দরকার ছিল, হয়তো আমরা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে তা পারিনি। এ জন্য শিক্ষার্থীদের দোষ দিতে চাই না; আমাদের অক্ষমতাগুলো নিয়ে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফলের উদাহরণ দিয়ে তিনি জানান, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে পাস কোর্স ও প্রিলিমিনারি টু মাস্টার্স পরীক্ষায় পাসের হার অর্ধেকের নিচে নেমেছে এবং অনার্স পরীক্ষায় পাসের হারও ৬০ শতাংশের নিচে রয়েছে। খাতা মূল্যায়নে গুরুত্ব দেওয়া, পুনর্মূল্যায়ন এবং শিক্ষকদের জবাবদিহির আওতায় আনার কারণেই ফলাফলে এ ধরনের পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। এটি শিক্ষার মান বাড়ানোর উদ্যোগেরই অংশ।