আগামী ২০২৭ সালের পবিত্র হজ পালনের জন্য বাংলাদেশের নির্ধারিত হজযাত্রীর কোটা আরও ২০ হাজার বৃদ্ধির বিষয়ে জোরালো আবেদন জানানো হয়েছে এবং এ বিষয়ে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় থেকে ইতিবাচক আশ্বাস পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। দ্বিপক্ষীয় হজ চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বেই এই অতিরিক্ত কোটা বরাদ্দের বিষয়টি চূড়ান্তভাবে সমাধান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। রোববার (১ নভেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে সৌদি আরবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আটকে পড়া বাংলাদেশি হজযাত্রীদের চিকিৎসা ব্যয় ফেরত সংক্রান্ত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, হজের কোটা বৃদ্ধির সার্বিক ত্বরান্বিতকরণে তিনি ব্যক্তিগতভাবে সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন এবং তাঁর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন। এ ছাড়া ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূতের প্রশংসনীয় সহযোগিতার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সৌদি রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের হজযাত্রীদের সুবিধার বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক ও সংবেদনশীল। তাঁর আন্তরিক কূটনৈতিক সহযোগিতার কারণে কোটা বৃদ্ধিসহ সার্বিক হজ ব্যবস্থাপনার বিষয়টি অত্যন্ত ইতিবাচক গতি লাভ করেছে।
সৌদি সরকারের সাথে যোগাযোগের অগ্রগতি তুলে ধরে ধর্মমন্ত্রী আরও জানান যে, হজের আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় চুক্তি চূড়ান্তকরণের আগেই বাড়তি ২০ হাজার হজযাত্রীর এই সুরাহা সম্পন্ন করার ব্যাপারে সৌদি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশকে আশ্বাস প্রদান করেছে। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রশাসনিক প্রস্তুতি ও সমন্বয় কাজ অগ্রামাধিকারের ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।






















