স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিকে সামনে রেখে ২০২৯ সাল পর্যন্ত ১৯টি সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নের ব্যাপক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, রাজস্ব আয় বৃদ্ধি, রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করাকে এই কর্মপরিকল্পনায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
নির্ধারিত রোডম্যাপ অনুযায়ী, ২০২৯ সালের মধ্যে মূল্যস্ফীতি ছয় শতাংশে নামিয়ে আনা, কর-জিডিপি অনুপাত কমপক্ষে ৯ শতাংশে উন্নীত করা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছয় মাসের আমদানি ব্যয়ের সমপরিমাণে নিয়ে যাওয়া এবং খেলাপি ঋণের হার ২০ শতাংশের নিচে নামানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি রপ্তানিতে পোশাকবহির্ভূত পণ্যের অংশ বাড়ানো এবং বন্দরে কনটেইনার খালাসের সময় উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এলডিসি উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাড়তি তিন বছর সময় পাওয়ায় অর্থনীতিতে বিদ্যমান চাপ সামাল দিতে এই রোডম্যাপ কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এই সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়নে কাজ করছে নীতিনির্ধারকরা।






















