রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের শারীরিক পরিস্থিতির কিছুটা অগ্রগতি ঘটেছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী বাহাউদ্দীন মিল্টন এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে শারীরিক ঝুঁকি পুরোপুরি না কাটায় তাঁকে এখনো হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) রেখেই চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মূলত ফুসফুসের মারাত্মক সংক্রমণের জটিলতা নিয়ে নিবিড় পরিচর্যায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন ড. আবদুল মঈন খান। তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী বাহাউদ্দীন মিল্টন জানান, বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের কড়া নজরদারিতে মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার ধারাবাহিক উন্নতি ঘটছে। একই সাথে এলজিআরডি মন্ত্রীর বর্তমান চিকিৎসাগত সংবেদনশীলতা ও শারীরিক স্থিতিশীলতার কথা বিবেচনা করে হাসপাতালে সাধারণ দর্শনার্থীদের ভিড় বা জমায়েত না করার জন্য মেডিকেল টিমের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, হঠাৎ তীব্র শ্বাসকষ্ট ও বুকে তীব্র যন্ত্রণা অনুভূত হওয়ায় গত ২১ অক্টোবর গভীর রাতে ড. আবদুল মঈন খানকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে দ্রুত ভর্তি করা হয়। বর্তমানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আতিকুর রহমান, জিয়াউল হাসান এবং শাহাবুদ্দিন তালুকদারের সমন্বয়ে গঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ মেডিকেল বোর্ডের প্রত্যক্ষ চিকিৎসাধীন ও পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি।






















