Dhaka ০৫:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:৩৫:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩৩ বার দেখা হয়েছে

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে এবং বিশ্বমঞ্চে নতুন সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপরেখা তুলে ধরতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এটি জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বৈশ্বিক মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর প্রথম অংশগ্রহণ।

যাত্রা ও বিমানবন্দর বিদায়: সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টা ৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী, তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং অন্যান্য সফরসঙ্গীদের নিয়ে তুর্কি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে বিদায় জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তারসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। নির্ধারিত ভ্রমণসূচি অনুযায়ী, ইস্তাম্বুলে ট্রানজিট শেষে স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৫৫ মিনিটে ফ্লাইটটির নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে। বিমানবন্দরে তাঁকে অভ্যর্থনা জানাবেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান এবং যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম। সফরকালে তিনি ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউ ইয়র্ক’-এ অবস্থান করবেন।

যুক্তরাষ্ট্র সফর ও জাতিসংঘ অধিবেশনের ব্যস্ত সূচি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর এই নিউইয়র্ক সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও কূটনৈতিকভাবে ব্যস্ততাপূর্ণ।

২২ সেপ্টেম্বর: রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের সম্মାନার্থে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের আয়োজিত স্বাগত প্রাতরাশ সভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে অংশ নেবেন এবং সন্ধ্যায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

২৩ সেপ্টেম্বর: আন্তর্জাতিক দাতব্য ও মানবিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাতরাশ সভায় মতবিনিময় করবেন তিনি। এরপর ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, নরওয়ে এবং স্পেনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘বৈশ্বিক বৈষম্য সংকট মোকাবিলা’ বিষয়ক সভা এবং জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্যোগে আয়োজিত ‘জলবায়ু পদক্ষেপ ও ন্যায়সংগত উত্তরণ’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেবেন। এছাড়া জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে দ্রুততম সময়ে প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে রোহিঙ্গা সংকট বিষয়ক একটি পার্শ্ব-অনুষ্ঠানেও তাঁর যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। জলবায়ু সংক্রান্ত বৈঠকে তিনি জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারের ওপর বাংলাদেশের জোরালো অবস্থান তুলে ধরবেন।

২৪ সেপ্টেম্বর: সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট অস্তিত্বের হুমকি নিয়ে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী। একই দিনে মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্য এবং ধাত্রীবিদ্যা সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন, যেখানে মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নতুন সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরা হবে।

দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও অর্থনৈতিক কূটনীতি: অধিবেশনের ফাঁกেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স এবং ক্রোয়েশিয়া, ভুটান, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান ও হাইতির প্রধানমন্ত্রীদের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এসব বৈঠকে রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে। পাশাপাশি জাতিসংঘ মহাসচিব, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট এবং জাতিসংঘের বিভিন্ন বিশেষ দূতের সঙ্গে তাঁর সৌজন্য সাক্ষাত অনুষ্ঠিত হবে। সরকারের অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে তিনি মেটা, ওয়াল স্ট্রিট এবং শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকটি ব্যবসায়ী সংগঠনের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিদের সঙ্গেও গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেবেন। নির্ধারিত কর্মসূচি সফলভাবে শেষ করে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে তাঁর রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:৩৫:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে এবং বিশ্বমঞ্চে নতুন সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপরেখা তুলে ধরতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এটি জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বৈশ্বিক মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর প্রথম অংশগ্রহণ।

যাত্রা ও বিমানবন্দর বিদায়: সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টা ৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী, তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং অন্যান্য সফরসঙ্গীদের নিয়ে তুর্কি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে বিদায় জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তারসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। নির্ধারিত ভ্রমণসূচি অনুযায়ী, ইস্তাম্বুলে ট্রানজিট শেষে স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৫৫ মিনিটে ফ্লাইটটির নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে। বিমানবন্দরে তাঁকে অভ্যর্থনা জানাবেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান এবং যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম। সফরকালে তিনি ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউ ইয়র্ক’-এ অবস্থান করবেন।

যুক্তরাষ্ট্র সফর ও জাতিসংঘ অধিবেশনের ব্যস্ত সূচি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর এই নিউইয়র্ক সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও কূটনৈতিকভাবে ব্যস্ততাপূর্ণ।

২২ সেপ্টেম্বর: রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের সম্মାନার্থে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের আয়োজিত স্বাগত প্রাতরাশ সভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে অংশ নেবেন এবং সন্ধ্যায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

২৩ সেপ্টেম্বর: আন্তর্জাতিক দাতব্য ও মানবিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাতরাশ সভায় মতবিনিময় করবেন তিনি। এরপর ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, নরওয়ে এবং স্পেনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘বৈশ্বিক বৈষম্য সংকট মোকাবিলা’ বিষয়ক সভা এবং জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্যোগে আয়োজিত ‘জলবায়ু পদক্ষেপ ও ন্যায়সংগত উত্তরণ’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেবেন। এছাড়া জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে দ্রুততম সময়ে প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে রোহিঙ্গা সংকট বিষয়ক একটি পার্শ্ব-অনুষ্ঠানেও তাঁর যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। জলবায়ু সংক্রান্ত বৈঠকে তিনি জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারের ওপর বাংলাদেশের জোরালো অবস্থান তুলে ধরবেন।

২৪ সেপ্টেম্বর: সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট অস্তিত্বের হুমকি নিয়ে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী। একই দিনে মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্য এবং ধাত্রীবিদ্যা সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন, যেখানে মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নতুন সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরা হবে।

দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও অর্থনৈতিক কূটনীতি: অধিবেশনের ফাঁกেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স এবং ক্রোয়েশিয়া, ভুটান, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান ও হাইতির প্রধানমন্ত্রীদের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এসব বৈঠকে রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে। পাশাপাশি জাতিসংঘ মহাসচিব, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট এবং জাতিসংঘের বিভিন্ন বিশেষ দূতের সঙ্গে তাঁর সৌজন্য সাক্ষাত অনুষ্ঠিত হবে। সরকারের অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে তিনি মেটা, ওয়াল স্ট্রিট এবং শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকটি ব্যবসায়ী সংগঠনের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিদের সঙ্গেও গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেবেন। নির্ধারিত কর্মসূচি সফলভাবে শেষ করে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে তাঁর রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।