Dhaka ০৭:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ করতে ১০ মাস থেকে এক বছর লাগবে: সিইসি

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:৫৪:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ১১ বার দেখা হয়েছে

মাঠপর্যায়ের বাস্তব অভিজ্ঞতা, প্রশাসনিক জটিলতা ও আনুষঙ্গিক নির্বাচন প্রক্রিয়ার সার্বিক দিক বিবেচনা করে দেশের সকল স্তরের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন পুরোপুরি সম্পন্ন করতে আনুমানিক ১০ মাস থেকে প্রায় এক বছর পর্যন্ত সময় অতিবাহিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

আজ বুধবার জাতীয় সংবাদ সংস্থা বাসসকে প্রদান করা এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে সার্বিক নির্বাচনী রূপরেখা তুলে ধরে তিনি এ কথা প্রকাশ করেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, তৃণমূল পর্যায়ের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের মাধ্যমেই মূলত নির্বাচন কমিশনের এই বৃহৎ কর্মযজ্ঞের সূচনা হতে যাচ্ছে। দেশের গ্রামাঞ্চলের সিংহভাগ সাধারণ মানুষ প্রতিদিনের নাগরিক সেবার জন্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর সরাসরি নির্ভরশীল। দীর্ঘ দিন নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হওয়ায় এসব গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক প্রাতিষ্ঠানিক সেবা কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হওয়ার তীব্র আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এর পাশাপাশি সিইসি ব্যাখ্যা করে বলেন, উপজেলা পরিষদসহ স্থানীয় সরকারের আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কাঠামো ও দৈনন্দিন কার্যক্রমের সাথে ইউনিয়ন পরিষদের নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান। তা ছাড়া অন্যান্য কয়েকটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন সফলভাবে আয়োজন করতে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের প্রত্যক্ষ ভূমিকা ও ভোটের প্রয়োজন হয়। মূলত এসব বিবেচনায় নিয়েই সর্বাগ্রে ইউপি নির্বাচনকে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার প্রদান করা হচ্ছে।

সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন আরও তথ্য নিশ্চিত করেন যে, দেশজুড়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রক্রিয়া সফলভাবে শেষ হওয়ার পরপরই দ্বিতীয় ধাপে পৌরসভা নির্বাচন আয়োজনের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা ও পরিকল্পনা রয়েছে কমিশনের।

তবে জাতীয় বিভিন্ন প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষা—বিশেষ করে আসন্ন এসএসসি পরীক্ষা এবং দেশের বর্ষা মৌসুমে সৃষ্টি হওয়া সম্ভাব্য দুর্যোগপূর্ণ বন্যা পরিস্থিতির মতো জরুরি বিষয়গুলোকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় রেখেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মূল সময়সূচি বা দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হবে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ করতে ১০ মাস থেকে এক বছর লাগবে: সিইসি

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:৫৪:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

মাঠপর্যায়ের বাস্তব অভিজ্ঞতা, প্রশাসনিক জটিলতা ও আনুষঙ্গিক নির্বাচন প্রক্রিয়ার সার্বিক দিক বিবেচনা করে দেশের সকল স্তরের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন পুরোপুরি সম্পন্ন করতে আনুমানিক ১০ মাস থেকে প্রায় এক বছর পর্যন্ত সময় অতিবাহিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

আজ বুধবার জাতীয় সংবাদ সংস্থা বাসসকে প্রদান করা এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে সার্বিক নির্বাচনী রূপরেখা তুলে ধরে তিনি এ কথা প্রকাশ করেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, তৃণমূল পর্যায়ের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের মাধ্যমেই মূলত নির্বাচন কমিশনের এই বৃহৎ কর্মযজ্ঞের সূচনা হতে যাচ্ছে। দেশের গ্রামাঞ্চলের সিংহভাগ সাধারণ মানুষ প্রতিদিনের নাগরিক সেবার জন্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর সরাসরি নির্ভরশীল। দীর্ঘ দিন নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হওয়ায় এসব গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক প্রাতিষ্ঠানিক সেবা কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হওয়ার তীব্র আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এর পাশাপাশি সিইসি ব্যাখ্যা করে বলেন, উপজেলা পরিষদসহ স্থানীয় সরকারের আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কাঠামো ও দৈনন্দিন কার্যক্রমের সাথে ইউনিয়ন পরিষদের নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান। তা ছাড়া অন্যান্য কয়েকটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন সফলভাবে আয়োজন করতে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের প্রত্যক্ষ ভূমিকা ও ভোটের প্রয়োজন হয়। মূলত এসব বিবেচনায় নিয়েই সর্বাগ্রে ইউপি নির্বাচনকে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার প্রদান করা হচ্ছে।

সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন আরও তথ্য নিশ্চিত করেন যে, দেশজুড়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রক্রিয়া সফলভাবে শেষ হওয়ার পরপরই দ্বিতীয় ধাপে পৌরসভা নির্বাচন আয়োজনের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা ও পরিকল্পনা রয়েছে কমিশনের।

তবে জাতীয় বিভিন্ন প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষা—বিশেষ করে আসন্ন এসএসসি পরীক্ষা এবং দেশের বর্ষা মৌসুমে সৃষ্টি হওয়া সম্ভাব্য দুর্যোগপূর্ণ বন্যা পরিস্থিতির মতো জরুরি বিষয়গুলোকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় রেখেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মূল সময়সূচি বা দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হবে।