প্রাক্ফোটন প্রক্রিয়া, মাঠপর্যায়ের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং সামগ্রিক প্রশাসনিক আয়োজন বিবেচনায় নিয়ে দেশের সকল স্তরের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন পুরোপুরি সম্পন্ন করতে আনুমানিক ১০ মাস থেকে শুরু করে এক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
আজ বুধবার জাতীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে সিইসি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে নিশ্চিত করেন যে, আগামীতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এসব স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনো ধরনের দলীয় প্রার্থী বা রাজনৈতিক দলীয় প্রতীক থাকবে না।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, তৃণমূল পর্যায়ের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের মধ্য দিয়েই মূলত দেশের স্থানীয় সরকারের বৃহৎ নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। বিশেষ করে দেশের গ্রামাঞ্চলের সংখ্যাগরিষ্ঠ সাধারণ মানুষ দৈনন্দিন কাজের প্রয়োজনে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকেই সরাসরি নানা মৌলিক সেবা গ্রহণ করে থাকেন। তাই সাধারণ মানুষের নাগরিক সেবা কার্যক্রম সচল রাখার তাগিদ এবং উপজেলা পরিষদসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সুনির্দিষ্ট কাঠামোগত প্রশাসনিক সম্পর্ক বজায় রাখার স্বার্থেই সর্বাগ্রে ইউপি নির্বাচনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন আরও তথ্য প্রকাশ করেন যে, দেশের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর পরই পর্যায়ক্রমে পৌরসভা নির্বাচন আয়োজনের জোরালো পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
তবে দেশের সার্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে শিক্ষাবোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষা (যেমন এসএসসি পরীক্ষা) এবং আসন্ন বর্ষা মৌসুমের সম্ভাব্য দুর্যোগপূর্ণ বন্যা পরিস্থিতির মতো বিষয়গুলোকে গভীরভাবে গুরুত্ব দিয়ে নির্বাচনী চূড়ান্ত সময়সূচি বা তফসিল নির্ধারণ করা হবে বলে জানান তিনি।






















