Dhaka ০১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও-১ ও সংরক্ষিত আসনের নবনির্বাচিত ২ সংসদ সদস্যের শপথগ্রহণ আজ

সার আমদানিনির্ভরতা কমাতে বন্ধ কারখানা চালুর উদ্যোগ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৫৯:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৮ বার দেখা হয়েছে

দেশে সার উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানিনির্ভরতা কমাতে বন্ধ থাকা রাষ্ট্রীয় তিনটি সার কারখানা আগামী নভেম্বরের মধ্যে চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের (বিসিআইসি) পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিদ্যমান কারখানার আধুনিকায়ন এবং নতুন কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে বার্ষিক সার উৎপাদন ২৭ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করা হবে।

সংস্থাটি আশা করছে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সার আমদানিতে ব্যয় হ্রাসের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে এবং কৃষকদের সার প্রাপ্তি সহজতর হবে। বর্তমানে বিসিআইসির অধীন সাতটি কারখানার মধ্যে চারটি চালু রয়েছে। গ্যাসের অপর্যাপ্ততা এবং কাঁচামাল সংকটের কারণে চট্টগ্রামের টিএসপি ও ডিএপি কারখানা এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ সার কারখানা বন্ধ রয়েছে।

বিসিআইসির চেয়ারম্যান মো. বাবুল মিঞা জানান, কারখানাগুলো পুনরায় চালুর জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাস ও কাঁচামাল সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। প্রয়োজনীয় সরবরাহ পাওয়া গেলে আগামী নভেম্বরের মধ্যে উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জনপ্রিয়

প্রিপেইড মিটারে রিচার্জ বন্ধ থাকবে ২৪ ঘণ্টা, ডেসকোর জরুরি নির্দেশনা

সার আমদানিনির্ভরতা কমাতে বন্ধ কারখানা চালুর উদ্যোগ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৫৯:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

দেশে সার উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানিনির্ভরতা কমাতে বন্ধ থাকা রাষ্ট্রীয় তিনটি সার কারখানা আগামী নভেম্বরের মধ্যে চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের (বিসিআইসি) পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিদ্যমান কারখানার আধুনিকায়ন এবং নতুন কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে বার্ষিক সার উৎপাদন ২৭ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করা হবে।

সংস্থাটি আশা করছে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সার আমদানিতে ব্যয় হ্রাসের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে এবং কৃষকদের সার প্রাপ্তি সহজতর হবে। বর্তমানে বিসিআইসির অধীন সাতটি কারখানার মধ্যে চারটি চালু রয়েছে। গ্যাসের অপর্যাপ্ততা এবং কাঁচামাল সংকটের কারণে চট্টগ্রামের টিএসপি ও ডিএপি কারখানা এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ সার কারখানা বন্ধ রয়েছে।

বিসিআইসির চেয়ারম্যান মো. বাবুল মিঞা জানান, কারখানাগুলো পুনরায় চালুর জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাস ও কাঁচামাল সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। প্রয়োজনীয় সরবরাহ পাওয়া গেলে আগামী নভেম্বরের মধ্যে উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।