Dhaka ০৮:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

আমেরিকা চাইলে আজই ইরানে সামরিক হামলা চালাতে পারে: ট্রাম্প

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:২৫:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ বার দেখা হয়েছে

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহামান্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অত্যন্ত কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন যে, ওয়াশিংটন যদি মনে করে বা চায়, তবে আজ রবিবারই (২৫ অক্টোবর) ইরানে নতুন করে ব্যাপক সামরিক হামলা চালাতে পারে। তবে তিনি একই সাথে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, তেহরানের সাথে একটি স্থায়ী শান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর পথ এখনো সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়নি। কিন্তু ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ইরান যদি শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া শর্ত মেনে চুক্তিতে রাজি না হয়, তবে বাধ্য হয়ে ওয়াশিংটনকে তাদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে বিষয়টি ‘চূড়ান্তভাবে শেষ’ করতে হবে।

গতকাল শনিবার (২৪ অক্টোবর) ফ্লোরিডার বিখ্যাত ওয়েস্ট পাম বিচে মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার পর স্থানীয় পাম বিচ কাউন্টির নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের সাথে খোলামেলা আলাপকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প এসব বিস্ফোরক মন্তব্য করেন।

ইরানের ভূখণ্ডে নতুন করে সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা ঠিক কত দূর অগ্রসর হয়েছে—সাংবাদিকদের তোলা এমন একটি সরাসরি প্রশ্নের জবাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “আমরা গভীরভাবে এ নিয়ে চিন্তাভাবনা করছি। হতেই পারে যে কালই (রবিবার) তা বাস্তবায়িত হবে।” তবে যেকোনো স্থানে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণের আগে তা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ্যে বলে দেওয়ার কোনো প্রশাসনিক বা আইনি বাধ্যবাধকতা মার্কিন প্রশাসনের নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ট্রাম্প উল্লেখ করেন, তেহরান যদি কালবিলম্ব না করে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে একটি সুনির্দিষ্ট চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে, তবে তারা এই ভয়াবহ সামরিক হামলা এড়িয়ে যেতে সক্ষম হবে। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি বিবেচনায় তেহরান শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া শর্তাবলি কঠোরভাবে মেনে চলবে কি না, তা নিয়ে নিজের গভীর সংশয় প্রকাশ করেছেন তিনি।

ইরান যেন কোনোভাবেই নিজেদের পারমাণবিক শক্তি ব্যবহার করে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে—সেটি নিশ্চিত করাই মার্কিন প্রশাসনের মূল ও প্রধান লক্ষ্য বলে পুনর্ব্যক্ত করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি অত্যাধুনিক বি-২ (B-2) স্টিলথ বোমারু বিমান ব্যবহার করে ইরানি স্থাপনায় যেসব বিমান হামলা চালানো হয়েছিল, তা সংকটটির দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী সমাধানের জন্য যথেষ্ট ছিল না বলেও স্বীকার করেন তিনি। ট্রাম্প অত্যন্ত জোর দিয়ে বলেন, “আমাকে এবার পুরো সিদ্ধান্তটি স্থায়ী রূপ দিতে হবে। আর মূলত একমাত্র সেই স্বার্থেই আমি পরবর্তী বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে যাচ্ছি।”

উক্ত সংবাদ সম্মেলনের সময় কোনো ধরনের সুনির্দিষ্ট দাপ্তরিক প্রমাণ উপস্থাপন ছাড়াই ট্রাম্প দাবি করেন, দুই দেশের সংঘাত শুরু হওয়ার আগের সাধারণ সময়গুলোর তুলনায় বর্তমানে বিশ্ব বাণিজ্যের কৌশলগত হরমুজ প্রণালি দিয়ে আন্তর্জাতিক তেল পরিবহন ও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ইরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের পরবর্তী সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ ঠিক কী হতে যাচ্ছে—সে বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত সরাসরি না জানালেও সামরিক আগ্রাসন এবং কূটনৈতিক আলোচনার দরজাকে একসাথে উন্মুক্ত রেখেছেন ট্রাম্প। নিজের আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিতে তিনি বলেন, “আমাকে হয়তো অচিরেই এই বিষয়টি পুরোপুরি শেষ করতে হবে, কিংবা তারা হয়তো নতুন কোনো চুক্তিতে স্বাক্ষর করবে। তবে আমি এখনো চূড়ান্ত পথ নিয়ে নিশ্চিত নই। কিন্তু যে পথেই পরিস্থিতি মোড় নিক না কেন, চূড়ান্ত জয় আমাদেরই সুনিশ্চিত।”

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এমন যুদ্ধংদেহী মনোভাবের তীব্র সমালোচনা ও প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইরানের সম্মানীয় প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান পূর্বের অন্তর্বর্তীকালীন শান্তি আলোচনার চরম ব্যর্থতার জন্য একমাত্র যুক্তরাষ্ট্রকেই সরাসরি দায়ী করেছেন। মার্কিন প্রশাসনকে ‘ভীতু’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি ক্ষোভের সাথে অভিযোগ করেন যে, মার্কিনিদের ভুল সিদ্ধান্তের কারণেই পুরো শান্তি আলোচনা এলোমেলো ও ভণ্ডুল হয়ে গেছে। তবে সার্বিক পরিস্থিতি অত্যন্ত প্রতিকূল হলেও তেহরানের পক্ষ থেকে একটি সম্মানজনক স্থায়ী চুক্তি চূড়ান্ত করার প্রচেষ্টা নিরবচ্ছিন্নভাবে অব্যাহত রাখা উচিত বলেও মতামত প্রদান করেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিগত ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু হওয়া ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ত্রিমুখী রক্তক্ষয়ী সংঘাত পরবর্তীতে সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি ও কূটনৈতিক শান্তি চুক্তি নিয়ে বিভিন্ন দফায় আলোচনা শুরু হলেও এই সংকটের কোনো টেকসই বা স্থায়ী সমাধান এখনো বহু দূরেই রয়ে গেছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আমেরিকা চাইলে আজই ইরানে সামরিক হামলা চালাতে পারে: ট্রাম্প

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:২৫:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহামান্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অত্যন্ত কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন যে, ওয়াশিংটন যদি মনে করে বা চায়, তবে আজ রবিবারই (২৫ অক্টোবর) ইরানে নতুন করে ব্যাপক সামরিক হামলা চালাতে পারে। তবে তিনি একই সাথে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, তেহরানের সাথে একটি স্থায়ী শান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর পথ এখনো সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়নি। কিন্তু ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ইরান যদি শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া শর্ত মেনে চুক্তিতে রাজি না হয়, তবে বাধ্য হয়ে ওয়াশিংটনকে তাদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে বিষয়টি ‘চূড়ান্তভাবে শেষ’ করতে হবে।

গতকাল শনিবার (২৪ অক্টোবর) ফ্লোরিডার বিখ্যাত ওয়েস্ট পাম বিচে মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার পর স্থানীয় পাম বিচ কাউন্টির নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের সাথে খোলামেলা আলাপকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প এসব বিস্ফোরক মন্তব্য করেন।

ইরানের ভূখণ্ডে নতুন করে সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা ঠিক কত দূর অগ্রসর হয়েছে—সাংবাদিকদের তোলা এমন একটি সরাসরি প্রশ্নের জবাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “আমরা গভীরভাবে এ নিয়ে চিন্তাভাবনা করছি। হতেই পারে যে কালই (রবিবার) তা বাস্তবায়িত হবে।” তবে যেকোনো স্থানে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণের আগে তা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ্যে বলে দেওয়ার কোনো প্রশাসনিক বা আইনি বাধ্যবাধকতা মার্কিন প্রশাসনের নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ট্রাম্প উল্লেখ করেন, তেহরান যদি কালবিলম্ব না করে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে একটি সুনির্দিষ্ট চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে, তবে তারা এই ভয়াবহ সামরিক হামলা এড়িয়ে যেতে সক্ষম হবে। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি বিবেচনায় তেহরান শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া শর্তাবলি কঠোরভাবে মেনে চলবে কি না, তা নিয়ে নিজের গভীর সংশয় প্রকাশ করেছেন তিনি।

ইরান যেন কোনোভাবেই নিজেদের পারমাণবিক শক্তি ব্যবহার করে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে—সেটি নিশ্চিত করাই মার্কিন প্রশাসনের মূল ও প্রধান লক্ষ্য বলে পুনর্ব্যক্ত করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি অত্যাধুনিক বি-২ (B-2) স্টিলথ বোমারু বিমান ব্যবহার করে ইরানি স্থাপনায় যেসব বিমান হামলা চালানো হয়েছিল, তা সংকটটির দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী সমাধানের জন্য যথেষ্ট ছিল না বলেও স্বীকার করেন তিনি। ট্রাম্প অত্যন্ত জোর দিয়ে বলেন, “আমাকে এবার পুরো সিদ্ধান্তটি স্থায়ী রূপ দিতে হবে। আর মূলত একমাত্র সেই স্বার্থেই আমি পরবর্তী বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে যাচ্ছি।”

উক্ত সংবাদ সম্মেলনের সময় কোনো ধরনের সুনির্দিষ্ট দাপ্তরিক প্রমাণ উপস্থাপন ছাড়াই ট্রাম্প দাবি করেন, দুই দেশের সংঘাত শুরু হওয়ার আগের সাধারণ সময়গুলোর তুলনায় বর্তমানে বিশ্ব বাণিজ্যের কৌশলগত হরমুজ প্রণালি দিয়ে আন্তর্জাতিক তেল পরিবহন ও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ইরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের পরবর্তী সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ ঠিক কী হতে যাচ্ছে—সে বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত সরাসরি না জানালেও সামরিক আগ্রাসন এবং কূটনৈতিক আলোচনার দরজাকে একসাথে উন্মুক্ত রেখেছেন ট্রাম্প। নিজের আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিতে তিনি বলেন, “আমাকে হয়তো অচিরেই এই বিষয়টি পুরোপুরি শেষ করতে হবে, কিংবা তারা হয়তো নতুন কোনো চুক্তিতে স্বাক্ষর করবে। তবে আমি এখনো চূড়ান্ত পথ নিয়ে নিশ্চিত নই। কিন্তু যে পথেই পরিস্থিতি মোড় নিক না কেন, চূড়ান্ত জয় আমাদেরই সুনিশ্চিত।”

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এমন যুদ্ধংদেহী মনোভাবের তীব্র সমালোচনা ও প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইরানের সম্মানীয় প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান পূর্বের অন্তর্বর্তীকালীন শান্তি আলোচনার চরম ব্যর্থতার জন্য একমাত্র যুক্তরাষ্ট্রকেই সরাসরি দায়ী করেছেন। মার্কিন প্রশাসনকে ‘ভীতু’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি ক্ষোভের সাথে অভিযোগ করেন যে, মার্কিনিদের ভুল সিদ্ধান্তের কারণেই পুরো শান্তি আলোচনা এলোমেলো ও ভণ্ডুল হয়ে গেছে। তবে সার্বিক পরিস্থিতি অত্যন্ত প্রতিকূল হলেও তেহরানের পক্ষ থেকে একটি সম্মানজনক স্থায়ী চুক্তি চূড়ান্ত করার প্রচেষ্টা নিরবচ্ছিন্নভাবে অব্যাহত রাখা উচিত বলেও মতামত প্রদান করেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিগত ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু হওয়া ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ত্রিমুখী রক্তক্ষয়ী সংঘাত পরবর্তীতে সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি ও কূটনৈতিক শান্তি চুক্তি নিয়ে বিভিন্ন দফায় আলোচনা শুরু হলেও এই সংকটের কোনো টেকসই বা স্থায়ী সমাধান এখনো বহু দূরেই রয়ে গেছে।