জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় কমানো, শিক্ষা খাতে বাজেট বৃদ্ধি এবং তরুণদের কর্মসংস্থান তৈরির দাবিতে ফ্রান্সজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। টানা দ্বিতীয় সপ্তাহের মতো দেশটির বিভিন্ন শহরের রাজপথে নেমে আসেন লাখ লাখ মানুষ। যদিও অধিকাংশ স্থানে আন্দোলন শান্তিপূর্ণ ছিল, তবে কিছু এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও লুটপাটের খবর পাওয়া গেছে। ফরাসি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, এসব সহিংস ঘটনায় প্রায় এক হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, দেশজুড়ে এই আন্দোলনে প্রায় ৪ লাখ ১০ হাজার মানুষ অংশ নেন, যার মধ্যে কেবল রাজধানীতেই ছিলেন ১ লাখ ১০ হাজার। তবে ট্রেড ইউনিয়নগুলোর দাবি, বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা অন্তত ৮ লাখ। পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে দেশজুড়ে বহু পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়, এবং প্রধান সড়কগুলোতে যানবাহন ও মানুষের চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়।
এদিকে, রাজপথের সংঘর্ষ সামাল দিতে বেশ কয়েকটি স্থানে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে। মার্সেই ও বোর্দোর মতো বড় শহরগুলোতে দোকানপাটে লুটপাট ও সহিংস ঘটনার খবর মিলেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আন্দোলনকারীদের দাবি মেনে নেওয়া না হলে আগামী ৫ নভেম্বর থেকে শিল্প খাতজুড়ে সাধারণ ধর্মঘটের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিরোধী রাজনীতিকেরা। অন্যদিকে, প্যারিসের এই উত্তাপ ছড়াতে দেখা গেছে ইতালি, আলবেনিয়া ও বেলজিয়ামসহ ইউরোপের আরও কয়েকটি দেশেও।























