Dhaka ০৫:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

রেকর্ড ভাঙা এল নিনোর প্রভাবে বিশ্ব আবহাওয়ায় ভয়াবহ বিপর্যয়

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:৩২:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৪ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, গত কয়েক মাস ধরে প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্ব অংশে সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির অস্বাভাবিক উষ্ণতা বৃদ্ধিজনিত জলবায়ুগত পরিবর্তন বা ‘এল নিনো’ চরম শক্তিশালী রূপ ধারণ করেছে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) এবং মার্কিন আবহাওয়া সংস্থা (এনওএএ) সতর্কতা জারি করে জানিয়েছে, এই রেকর্ড ভাঙা এল নিনো অন্তত ২০২৭ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সাথে এটি যুক্ত হওয়ায় ২০২৭ সাল ইতিহাসের অন্যতম উত্তপ্ত বছর হিসেবে রেকর্ড গড়তে পারে, যা বৈশ্বিক আবহাওয়া, খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে ব্যাপক বিপর্যয় ডেকে আনবে।

প্রতিবেদনে এল নিনোর বিশ্বব্যাপী প্রধান পাঁচটি ভয়াবহ প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে। প্রথমত, ইন্দোনেশিয়ায় ২০১৫ সালের পর সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানল শুরু হয়েছে, যেখানে প্রায় ৯ লাখ হেক্টর জমি পুড়ে গেছে এবং বিষাক্ত ধোঁয়াশায় প্রায় পৌনে দুই লাখ মানুষ শ্বাসকষ্টে ভুগছে। দ্বিতীয়ত, পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে সাগরের উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে হারিকেনের তৎপরতা রেকর্ড মাত্রায় বেড়েছে; একই সময়ে মহাসাগরে একাধিক শক্তিশালী হারিকেন তৈরি হতে দেখা গেছে। তৃতীয়ত, এর বিপরীতে আটলান্টিক মহাসাগরে অতিরিক্ত ‘উইন্ড শিয়ার’-এর কারণে সামগ্রিক ঝড় ও হারিকেন তৈরির গতি অস্বাভাবিকভাবে স্তিমিত হয়ে পড়েছে।

চতুর্থত, ভারতে অতি গুরুত্বপূর্ণ মৌসুমি বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের চেয়ে গড়ে ১৩ শতাংশ কমে গেছে, বিশেষ করে দেশটির পূর্ব, উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ অঞ্চলে তীব্র অনাবৃষ্টি ও খরা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়ে কৃষিখাত চরম ঝুঁকিতে পড়েছে। পঞ্চমত, পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে উৎপন্ন টাইফুনগুলো স্থলভাগে আঘাত হানার আগে উষ্ণ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে দীর্ঘ সময় শক্তি সঞ্চয় করার সুযোগ পাওয়ায় আরও বেশি বিধ্বংসী রূপ নিচ্ছে। এর ফলে চীন ও জাপানে ব্যাপক বন্যা, ভূমিধসসহ নতুন শক্তিশালী টাইফুনের মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

রেকর্ড ভাঙা এল নিনোর প্রভাবে বিশ্ব আবহাওয়ায় ভয়াবহ বিপর্যয়

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:৩২:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, গত কয়েক মাস ধরে প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্ব অংশে সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির অস্বাভাবিক উষ্ণতা বৃদ্ধিজনিত জলবায়ুগত পরিবর্তন বা ‘এল নিনো’ চরম শক্তিশালী রূপ ধারণ করেছে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) এবং মার্কিন আবহাওয়া সংস্থা (এনওএএ) সতর্কতা জারি করে জানিয়েছে, এই রেকর্ড ভাঙা এল নিনো অন্তত ২০২৭ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সাথে এটি যুক্ত হওয়ায় ২০২৭ সাল ইতিহাসের অন্যতম উত্তপ্ত বছর হিসেবে রেকর্ড গড়তে পারে, যা বৈশ্বিক আবহাওয়া, খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে ব্যাপক বিপর্যয় ডেকে আনবে।

প্রতিবেদনে এল নিনোর বিশ্বব্যাপী প্রধান পাঁচটি ভয়াবহ প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে। প্রথমত, ইন্দোনেশিয়ায় ২০১৫ সালের পর সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানল শুরু হয়েছে, যেখানে প্রায় ৯ লাখ হেক্টর জমি পুড়ে গেছে এবং বিষাক্ত ধোঁয়াশায় প্রায় পৌনে দুই লাখ মানুষ শ্বাসকষ্টে ভুগছে। দ্বিতীয়ত, পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে সাগরের উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে হারিকেনের তৎপরতা রেকর্ড মাত্রায় বেড়েছে; একই সময়ে মহাসাগরে একাধিক শক্তিশালী হারিকেন তৈরি হতে দেখা গেছে। তৃতীয়ত, এর বিপরীতে আটলান্টিক মহাসাগরে অতিরিক্ত ‘উইন্ড শিয়ার’-এর কারণে সামগ্রিক ঝড় ও হারিকেন তৈরির গতি অস্বাভাবিকভাবে স্তিমিত হয়ে পড়েছে।

চতুর্থত, ভারতে অতি গুরুত্বপূর্ণ মৌসুমি বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের চেয়ে গড়ে ১৩ শতাংশ কমে গেছে, বিশেষ করে দেশটির পূর্ব, উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ অঞ্চলে তীব্র অনাবৃষ্টি ও খরা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়ে কৃষিখাত চরম ঝুঁকিতে পড়েছে। পঞ্চমত, পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে উৎপন্ন টাইফুনগুলো স্থলভাগে আঘাত হানার আগে উষ্ণ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে দীর্ঘ সময় শক্তি সঞ্চয় করার সুযোগ পাওয়ায় আরও বেশি বিধ্বংসী রূপ নিচ্ছে। এর ফলে চীন ও জাপানে ব্যাপক বন্যা, ভূমিধসসহ নতুন শক্তিশালী টাইফুনের মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।