Dhaka ০৮:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ঋণের হারে ভারত পাকিস্তান শ্রীলঙ্কার চেয়ে ভালো অবস্থানে বাংলাদেশ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:৩০:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে

মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) অনুপাতে বাংলাদেশের সরকারি ঋণের হার প্রতিবেশী দক্ষিণ এশীয় অন্যান্য দেশের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম ও স্বস্তিদায়ক অবস্থায় রয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাম্প্রতিক তথ্যভিত্তিক ২০২৬ সালের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট সরকারি ঋণ জিডিপির প্রায় ৪০ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে, যা দক্ষিণ এশিয়ার অধিকাংশ অর্থনীতির তুলনায় অনেক ভালো।

প্রতিবেদনের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০২৬ সালে ভারতের সরকারি ঋণ জিডিপির প্রায় ৮৩ শতাংশ, পাকিস্তানের ৭০ শতাংশ, শ্রীলঙ্কার ৯৫ শতাংশ, ভুটানের ১১৬ শতাংশ এবং মালদ্বীপের ১৩১ শতাংশ স্পর্শ করতে পারে; এমনকি নেপালের ক্ষেত্রেও এই হার প্রায় ৪৯.৩৬ শতাংশ। ফলে হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের সরকারি ঋণের অনুপাত ভারতের অর্ধেকেরও কম এবং পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় অত্যন্ত নিয়ন্ত্রিত পর্যায়ে রয়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও নানামুখী মূল্যস্ফীতি সত্ত্বেও জিডিপির অনুপাতে ঋণের পরিমাণ কম থাকা বাংলাদেশের আর্থিক ব্যবস্থাপনার একটি বড় সাফল্য। এই অনুকূল পরিস্থিতির কারণে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোর মতো মৌলিক উন্নয়ন খাতগুলোতে সরকারি ব্যয় ও নীতিগত নমনীয়তা বৃদ্ধির বিশাল সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে এই অর্জিত সুবিধা দীর্ঘমেয়াদে বজায় রাখতে রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, ঋণের অর্থ উৎপাদনশীল খাতে ব্যবহার এবং সুদের চাপ নিয়ন্ত্রণে রেখে সতর্কতামূলক ঋণ ব্যবস্থাপনা নীতি অনুসরণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ঋণের হারে ভারত পাকিস্তান শ্রীলঙ্কার চেয়ে ভালো অবস্থানে বাংলাদেশ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:৩০:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) অনুপাতে বাংলাদেশের সরকারি ঋণের হার প্রতিবেশী দক্ষিণ এশীয় অন্যান্য দেশের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম ও স্বস্তিদায়ক অবস্থায় রয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাম্প্রতিক তথ্যভিত্তিক ২০২৬ সালের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট সরকারি ঋণ জিডিপির প্রায় ৪০ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে, যা দক্ষিণ এশিয়ার অধিকাংশ অর্থনীতির তুলনায় অনেক ভালো।

প্রতিবেদনের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০২৬ সালে ভারতের সরকারি ঋণ জিডিপির প্রায় ৮৩ শতাংশ, পাকিস্তানের ৭০ শতাংশ, শ্রীলঙ্কার ৯৫ শতাংশ, ভুটানের ১১৬ শতাংশ এবং মালদ্বীপের ১৩১ শতাংশ স্পর্শ করতে পারে; এমনকি নেপালের ক্ষেত্রেও এই হার প্রায় ৪৯.৩৬ শতাংশ। ফলে হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের সরকারি ঋণের অনুপাত ভারতের অর্ধেকেরও কম এবং পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় অত্যন্ত নিয়ন্ত্রিত পর্যায়ে রয়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও নানামুখী মূল্যস্ফীতি সত্ত্বেও জিডিপির অনুপাতে ঋণের পরিমাণ কম থাকা বাংলাদেশের আর্থিক ব্যবস্থাপনার একটি বড় সাফল্য। এই অনুকূল পরিস্থিতির কারণে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোর মতো মৌলিক উন্নয়ন খাতগুলোতে সরকারি ব্যয় ও নীতিগত নমনীয়তা বৃদ্ধির বিশাল সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে এই অর্জিত সুবিধা দীর্ঘমেয়াদে বজায় রাখতে রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, ঋণের অর্থ উৎপাদনশীল খাতে ব্যবহার এবং সুদের চাপ নিয়ন্ত্রণে রেখে সতর্কতামূলক ঋণ ব্যবস্থাপনা নীতি অনুসরণের আহ্বান জানানো হয়েছে।