Dhaka ০৯:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ওআইসির বাগদাদ সম্মেলনের কাশ্মীর প্রস্তাবের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা ভারতের

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৬:০০:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৫ বার দেখা হয়েছে

গত ১৭ ও ১৮ অক্টোবর ইরাকের বাগদাদে অনুষ্ঠিত অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন (ওআইসি)-এর পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে গৃহীত প্রস্তাবে কাশ্মীর প্রসঙ্গ অন্তর্ভুক্তকরণ এবং ভারতবিরোধী বিভিন্ন মন্তব্যের কঠোর সমালোচনা ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই আন্তর্জাতিক প্রস্তাবের নেপথ্যে প্রতিবেশী রাষ্ট্র পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ ইন্ধন রয়েছে বলে অভিযোগ তুলে অবিলম্বে অবৈধ দখলে থাকা তথাকথিত ‘আজাদ কাশ্মীর’ ছেড়ে দেওয়ার জন্য ইসলামাবাদকে আহ্বান জানিয়েছে নয়াদিল্লি।

বাংলাদেশ, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব সহ ৫৭টি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের আন্তর্জাতিক জোট ওআইসি সম্প্রতি বাগদাদ সম্মেলনে পুনরায় কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের ভূমিকার সমালোচনা করে প্রস্তাব গ্রহণ করে। এর জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় ওআইসির গৃহীত এই প্রস্তাবগুলোকে ‘বিদ্বেষপূর্ণ, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, পক্ষপাতদুষ্ট ও মিথ্যা’ আখ্যা দিয়ে তা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। একই সাথে ওআইসিকে ব্যবহার করে পাকিস্তান তাদের নির্দিষ্ট ‘গোঁড়া ও ধর্মীয় এজেন্ডা’ বাস্তবায়ন করছে বলে অভিযোগ তোলে ভারত।

জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখকে ভারতের সার্বভৌম ‘অখণ্ড ও অবিচ্ছেদ্য অংশ’ হিসেবে পুনর্ব্যক্ত করে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের পর থেকে সমগ্র জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলে আধুনিক অবকাঠামো, পর্যটন শিল্প এবং সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে, যার প্রত্যক্ষ সুফল ওই অঞ্চলের সকল নাগরিক ভোগ করছেন।

এর বিপরীতে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের (পিওকে) নাজুক পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে ভারত অভিযোগ করে যে, পাকিস্তান সেখানে স্বাধিকারকামী বেসামরিক বিক্ষোভকারীদের ওপর প্রতিনিয়ত ‘সহিংসতা, কঠোর দমন-পীড়ন ও নৃশংসতা’ চালিয়ে নারী ও শিশুসহ অসংখ্য মানুষকে হত্যা করেছে। সেখানে আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় গণমাধ্যমকে সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট করেও পাকিস্তান তাদের চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো বিশ্ববাসীর কাছে ঢাকতে পারবে না।

ওআইসি সম্মেলনে উপস্থাপিত ইসলামোফোবিয়া সম্পর্কিত পাকিস্তানের মন্তব্যের জবাবে ভারত বলেছে, নিজেদের দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর অমানবিক নির্যাতন, সংঘাতময় ধর্মীয় সহিংসতা, প্রশাসনিক চরম ব্যর্থতা ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে বিশ্ববাসীর নজর অন্যদিকে ঘোরাতে পাকিস্তান এই ধরনের মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে। ওআইসির আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আশা প্রকাশ করে যে, জোটের অন্যান্য দায়িত্বশীল সদস্য দেশগুলো এই অপপ্রচার সম্পর্কে সচেতন হবে এবং অবিলম্বে এই সংস্থায় প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধন করবে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ওআইসির বাগদাদ সম্মেলনের কাশ্মীর প্রস্তাবের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা ভারতের

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৬:০০:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

গত ১৭ ও ১৮ অক্টোবর ইরাকের বাগদাদে অনুষ্ঠিত অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন (ওআইসি)-এর পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে গৃহীত প্রস্তাবে কাশ্মীর প্রসঙ্গ অন্তর্ভুক্তকরণ এবং ভারতবিরোধী বিভিন্ন মন্তব্যের কঠোর সমালোচনা ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই আন্তর্জাতিক প্রস্তাবের নেপথ্যে প্রতিবেশী রাষ্ট্র পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ ইন্ধন রয়েছে বলে অভিযোগ তুলে অবিলম্বে অবৈধ দখলে থাকা তথাকথিত ‘আজাদ কাশ্মীর’ ছেড়ে দেওয়ার জন্য ইসলামাবাদকে আহ্বান জানিয়েছে নয়াদিল্লি।

বাংলাদেশ, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব সহ ৫৭টি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের আন্তর্জাতিক জোট ওআইসি সম্প্রতি বাগদাদ সম্মেলনে পুনরায় কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের ভূমিকার সমালোচনা করে প্রস্তাব গ্রহণ করে। এর জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় ওআইসির গৃহীত এই প্রস্তাবগুলোকে ‘বিদ্বেষপূর্ণ, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, পক্ষপাতদুষ্ট ও মিথ্যা’ আখ্যা দিয়ে তা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। একই সাথে ওআইসিকে ব্যবহার করে পাকিস্তান তাদের নির্দিষ্ট ‘গোঁড়া ও ধর্মীয় এজেন্ডা’ বাস্তবায়ন করছে বলে অভিযোগ তোলে ভারত।

জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখকে ভারতের সার্বভৌম ‘অখণ্ড ও অবিচ্ছেদ্য অংশ’ হিসেবে পুনর্ব্যক্ত করে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের পর থেকে সমগ্র জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলে আধুনিক অবকাঠামো, পর্যটন শিল্প এবং সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে, যার প্রত্যক্ষ সুফল ওই অঞ্চলের সকল নাগরিক ভোগ করছেন।

এর বিপরীতে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের (পিওকে) নাজুক পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে ভারত অভিযোগ করে যে, পাকিস্তান সেখানে স্বাধিকারকামী বেসামরিক বিক্ষোভকারীদের ওপর প্রতিনিয়ত ‘সহিংসতা, কঠোর দমন-পীড়ন ও নৃশংসতা’ চালিয়ে নারী ও শিশুসহ অসংখ্য মানুষকে হত্যা করেছে। সেখানে আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় গণমাধ্যমকে সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট করেও পাকিস্তান তাদের চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো বিশ্ববাসীর কাছে ঢাকতে পারবে না।

ওআইসি সম্মেলনে উপস্থাপিত ইসলামোফোবিয়া সম্পর্কিত পাকিস্তানের মন্তব্যের জবাবে ভারত বলেছে, নিজেদের দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর অমানবিক নির্যাতন, সংঘাতময় ধর্মীয় সহিংসতা, প্রশাসনিক চরম ব্যর্থতা ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে বিশ্ববাসীর নজর অন্যদিকে ঘোরাতে পাকিস্তান এই ধরনের মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে। ওআইসির আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আশা প্রকাশ করে যে, জোটের অন্যান্য দায়িত্বশীল সদস্য দেশগুলো এই অপপ্রচার সম্পর্কে সচেতন হবে এবং অবিলম্বে এই সংস্থায় প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধন করবে।